আন্তর্জাতিক
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন রণতরি মোতায়েন, বেড়েছে সামরিক উপস্থিতি
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও চলমান গণবিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থানের প্রতিবাদে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রোববার (২৫ জানুয়ারি) মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে। এই রণতরি মোতায়েনকে তেহরানের ওপর সম্ভাব্য মার্কিন হামলার আগাম প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১৩-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তাঁদের শক্তির জানান দিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে, আকাশপথ: জর্ডানে অতিরিক্ত এফ-১৫ (F-15) স্ট্রাইক ইগল এবং কাতারের আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে শক্তিশালী বি-৫২ (B-52) বোমারু বিমান মোতায়েন করা হয়েছে। সমুদ্রপথ: ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপের সাথে একাধিক গাইডেড-মিসাইল ধ্বংসকারী জাহাজ পারস্য উপসাগরের দিকে এগিয়ে আসছে। ১৯ জানুয়ারি মালাক্কা প্রণালী অতিক্রমের পর রণতরিগুলো ‘ডার্ক মোড’ বা ট্রান্সপন্ডার বন্ধ করে গোপনীয়তার সাথে অগ্রসর হয়। প্রতিরক্ষা: খুব শীঘ্রই জর্ডান বা ইসরায়েলে থাড (THAAD) এয়ার ডিফেন্স ব্যাটারি মোতায়েন করা হতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তিনি ইরানের দিকে একটি শক্তিশালী ‘আর্মাডা’ (বিশাল নৌবহর) পাঠাচ্ছেন। তেহরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা অনেক জাহাজ পাঠাচ্ছি। পরিস্থিতি খারাপ হলে এবং ইরান পরমাণু কর্মসূচি পুনরায় চালুর চেষ্টা করলে আমরা শক্তি প্রয়োগে দ্বিধা করব না। গত জুন মাসে আমরা যা করেছিলাম, নতুন হামলা হবে তার চেয়েও ভয়াবহ।”
ইরানি মুদ্রার রেকর্ড দরপতন ও অর্থনৈতিক সংকটের জেরে রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড বাজার এলাকা থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, সরকার বিরোধী এই বিক্ষোভ দমনে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হাতে অন্তত ৩ হাজার ৪২৮ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন এবং কয়েক হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। প্রায় ৫০ হাজার বিক্ষোভকারীকে আটকের পাশাপাশি তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছিল ইরান সরকার। তবে ট্রাম্পের ‘ভয়াবহ হামলার’ হুমকির পর ইরান সরকার প্রায় ৮৪০ জনের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করেছে বলে জানা গেছে।
ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, আগামী সপ্তাহটি মধ্যপ্রাচ্যের জন্য অত্যন্ত ‘সংকটপূর্ণ’। যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যি ইরানে হামলা চালায়, তবে তা দেশটির বর্তমান সরকারকে উৎখাত করার লক্ষ্যেও হতে পারে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও চলমান গণবিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থানের প্রতিবাদে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রোববার (২৫ জানুয়ারি) মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে। এই রণতরি মোতায়েনকে তেহরানের ওপর সম্ভাব্য মার্কিন হামলার আগাম প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১৩-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তাঁদের শক্তির জানান দিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে, আকাশপথ: জর্ডানে অতিরিক্ত এফ-১৫ (F-15) স্ট্রাইক ইগল এবং কাতারের আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে শক্তিশালী বি-৫২ (B-52) বোমারু বিমান মোতায়েন করা হয়েছে। সমুদ্রপথ: ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপের সাথে একাধিক গাইডেড-মিসাইল ধ্বংসকারী জাহাজ পারস্য উপসাগরের দিকে এগিয়ে আসছে। ১৯ জানুয়ারি মালাক্কা প্রণালী অতিক্রমের পর রণতরিগুলো ‘ডার্ক মোড’ বা ট্রান্সপন্ডার বন্ধ করে গোপনীয়তার সাথে অগ্রসর হয়। প্রতিরক্ষা: খুব শীঘ্রই জর্ডান বা ইসরায়েলে থাড (THAAD) এয়ার ডিফেন্স ব্যাটারি মোতায়েন করা হতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তিনি ইরানের দিকে একটি শক্তিশালী ‘আর্মাডা’ (বিশাল নৌবহর) পাঠাচ্ছেন। তেহরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা অনেক জাহাজ পাঠাচ্ছি। পরিস্থিতি খারাপ হলে এবং ইরান পরমাণু কর্মসূচি পুনরায় চালুর চেষ্টা করলে আমরা শক্তি প্রয়োগে দ্বিধা করব না। গত জুন মাসে আমরা যা করেছিলাম, নতুন হামলা হবে তার চেয়েও ভয়াবহ।”
ইরানি মুদ্রার রেকর্ড দরপতন ও অর্থনৈতিক সংকটের জেরে রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড বাজার এলাকা থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, সরকার বিরোধী এই বিক্ষোভ দমনে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হাতে অন্তত ৩ হাজার ৪২৮ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন এবং কয়েক হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। প্রায় ৫০ হাজার বিক্ষোভকারীকে আটকের পাশাপাশি তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছিল ইরান সরকার। তবে ট্রাম্পের ‘ভয়াবহ হামলার’ হুমকির পর ইরান সরকার প্রায় ৮৪০ জনের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করেছে বলে জানা গেছে।
ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, আগামী সপ্তাহটি মধ্যপ্রাচ্যের জন্য অত্যন্ত ‘সংকটপূর্ণ’। যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যি ইরানে হামলা চালায়, তবে তা দেশটির বর্তমান সরকারকে উৎখাত করার লক্ষ্যেও হতে পারে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।
লোড হচ্ছে...