অর্থ-বাণিজ্যসদর
যেসব কলকারখানার নদীকে বিষাক্ত করছে, তাদের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি: সোহেল সারোয়ার
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জ শহরের হকার সমস্যা ও যানজট নিরসনে লোকদেখানো স্বল্পমেয়াদি উচ্ছেদ নয়, বরং সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি স্থায়ী সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এনসিসিআই) সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং বিকেএমইএ-এর সহ-সভাপতি (অর্থ) মোরশেদ সারোয়ার সোহেল। বুধবার সকালে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে এক সপ্তাহের উচ্ছেদ অভিযানে কোনো স্থায়ী ফল আসে না; তাই টেকসই সমাধানের জন্য প্রয়োজন ধারাবাহিক পরিকল্পনা।
বিকেএমইএ-র এই নেতা হকার সমস্যাকে নগরের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, "শহরে মাত্র দুই হাজার বা তার কিছু বেশি হকার রয়েছে। অথচ এই মুষ্টিমেয় মানুষের কারণে প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।" তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র সহানুভূতির জায়গা থেকে হকারদের পক্ষে অবস্থান নেওয়া ঠিক হবে না; বরং সাধারণ মানুষের স্বস্তি ও হকারদের জীবিকার মধ্যে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।
সমাধানের প্রস্তাবনা দিয়ে মোরশেদ সারোয়ার সোহেল বিদেশের উদাহরণ টেনে বলেন, বিশ্বের অনেক দেশে নির্দিষ্ট দিন ও নির্দিষ্ট স্থানে হকার বসার ব্যবস্থা থাকে। সেই মডেল অনুসরণ করে সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট জায়গায় হকার বসার সুযোগ করে দিলে সাধারণ মানুষের চলাচলেও বিঘ্ন ঘটবে না, আবার হকারদের রুটিও রুজি সচল থাকবে। এই সমস্যার সমাধানে সিটি কর্পোরেশন, প্রশাসন, রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী সংগঠনসহ সকল পক্ষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
যানজট নিরসনে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সক্রিয় ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, বিকেএমইএ ও নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স সবসময়ই প্রশাসনকে সহযোগিতা করে আসছে। বিশেষ করে রমজান মাসে ১২০ জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ দিয়ে যানজট নিয়ন্ত্রণে কাজ করা হয়েছে। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকলেও স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চালানো হয়। নাসিক বর্তমানে যে উদ্যোগ নিয়েছে তা ধারাবাহিকভাবে চললে শহর দ্রুত যানজটমুক্ত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সবশেষে নগরের পানি সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মোরশেদ সারোয়ার সোহেল বলেন, শীতলক্ষ্যা নদীর দূষণ রোধে এখনই কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। যেসব কলকারখানার ডাইং কেমিক্যাল বর্জ্য নদীকে বিষাক্ত করছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। নদীর পানি ব্যবহারযোগ্য করতে বিকেএমইএ ও নারায়ণগঞ্জ চেম্বার সিটি কর্পোরেশনকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে বলেও তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।
নারায়ণগঞ্জ শহরের হকার সমস্যা ও যানজট নিরসনে লোকদেখানো স্বল্পমেয়াদি উচ্ছেদ নয়, বরং সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি স্থায়ী সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এনসিসিআই) সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং বিকেএমইএ-এর সহ-সভাপতি (অর্থ) মোরশেদ সারোয়ার সোহেল। বুধবার সকালে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে এক সপ্তাহের উচ্ছেদ অভিযানে কোনো স্থায়ী ফল আসে না; তাই টেকসই সমাধানের জন্য প্রয়োজন ধারাবাহিক পরিকল্পনা।
বিকেএমইএ-র এই নেতা হকার সমস্যাকে নগরের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, "শহরে মাত্র দুই হাজার বা তার কিছু বেশি হকার রয়েছে। অথচ এই মুষ্টিমেয় মানুষের কারণে প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।" তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র সহানুভূতির জায়গা থেকে হকারদের পক্ষে অবস্থান নেওয়া ঠিক হবে না; বরং সাধারণ মানুষের স্বস্তি ও হকারদের জীবিকার মধ্যে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।
সমাধানের প্রস্তাবনা দিয়ে মোরশেদ সারোয়ার সোহেল বিদেশের উদাহরণ টেনে বলেন, বিশ্বের অনেক দেশে নির্দিষ্ট দিন ও নির্দিষ্ট স্থানে হকার বসার ব্যবস্থা থাকে। সেই মডেল অনুসরণ করে সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট জায়গায় হকার বসার সুযোগ করে দিলে সাধারণ মানুষের চলাচলেও বিঘ্ন ঘটবে না, আবার হকারদের রুটিও রুজি সচল থাকবে। এই সমস্যার সমাধানে সিটি কর্পোরেশন, প্রশাসন, রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী সংগঠনসহ সকল পক্ষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
যানজট নিরসনে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সক্রিয় ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, বিকেএমইএ ও নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স সবসময়ই প্রশাসনকে সহযোগিতা করে আসছে। বিশেষ করে রমজান মাসে ১২০ জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ দিয়ে যানজট নিয়ন্ত্রণে কাজ করা হয়েছে। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকলেও স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চালানো হয়। নাসিক বর্তমানে যে উদ্যোগ নিয়েছে তা ধারাবাহিকভাবে চললে শহর দ্রুত যানজটমুক্ত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সবশেষে নগরের পানি সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মোরশেদ সারোয়ার সোহেল বলেন, শীতলক্ষ্যা নদীর দূষণ রোধে এখনই কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। যেসব কলকারখানার ডাইং কেমিক্যাল বর্জ্য নদীকে বিষাক্ত করছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। নদীর পানি ব্যবহারযোগ্য করতে বিকেএমইএ ও নারায়ণগঞ্জ চেম্বার সিটি কর্পোরেশনকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে বলেও তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।
লোড হচ্ছে...