রাজনীতিসদর
নির্বাচনের পর সব ভুলে যাওয়ার যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, তা বদলাতে হবে: তারিকুল সুজন
NewsView

নিউজভিউ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণসংহতি আন্দোলনের ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সুজন বলেছেন, কেবল ভোট পাওয়ার জন্য নয়, বরং মানুষের নাগরিক মর্যাদা এবং সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে নির্বাচনে লড়ছি। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নাসিক ১৩নং ওয়ার্ডের আমলাপাড়া, স্বর্ণপট্টি, মাসদাইর বাজার ও তালা ফ্যাক্টরি এলাকায় গণসংযোগকালে তিনি এ কথা বলেন।
গণসংযোগের সময় তারিকুল ইসলাম সুজন সাধারণ মানুষের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত নাগরিক সমস্যাগুলো শোনেন। তিনি ভোটারদের আশ্বস্ত করেন যে, সঠিক নেতৃত্বের অভাব এবং জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতা না থাকার কারণেই এই সমস্যাগুলো আজ প্রকট আকার ধারণ করেছে।
পথসভায় তারিকুল ইসলাম সুজন বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষ নানামুখী নাগরিক সমস্যায় জর্জরিত হলেও সেগুলোর কোনো টেকসই সমাধান হয়নি। এর মূল কারণ হলো, জনপ্রতিনিধিরা নাগরিক অধিকারকে উপেক্ষা করতেন এবং জনগণের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতা অনুভব করতেন না। শুধুমাত্র ভোটের সময় মানুষের দ্বারে দ্বারে যাওয়ার এবং নির্বাচনের পর সব ভুলে যাওয়ার যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, তা বদলাতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমি যদি নির্বাচিত হই, তবে নিজেকে কেবল একজন জনপ্রতিনিধি নয়, বরং একজন দায়িত্বশীল নাগরিক সেবক হিসেবে উপস্থাপন করব। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান এবং প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা ও সুশাসন নিশ্চিত করাই হবে আমার প্রধান অগ্রাধিকার।”
সুজন বলেন, সচেতন নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠন করা সম্ভব নয়। তাই তিনি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার এই রাজনৈতিক আন্দোলনে মাথাল প্রতীকের পাশে থাকার উদাত্ত আহ্বান জানান।
গণসংযোগে প্রার্থীর সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন আলম, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন জেলার সাবেক সভাপতি ফারহানা মানিক মুনা, বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির জেলা আহ্বায়ক আব্দুল আল মামুন, বাংলাদেশ যুব ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নেতা আবুল হোসেন মারুফ এবং বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন জেলার সহ-সভাপতি সৃজয় সাহা ও রনি শেখসহ বিভিন্ন সংগঠনের স্থানীয় নেতারা।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণসংহতি আন্দোলনের ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সুজন বলেছেন, কেবল ভোট পাওয়ার জন্য নয়, বরং মানুষের নাগরিক মর্যাদা এবং সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে নির্বাচনে লড়ছি। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নাসিক ১৩নং ওয়ার্ডের আমলাপাড়া, স্বর্ণপট্টি, মাসদাইর বাজার ও তালা ফ্যাক্টরি এলাকায় গণসংযোগকালে তিনি এ কথা বলেন।
গণসংযোগের সময় তারিকুল ইসলাম সুজন সাধারণ মানুষের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত নাগরিক সমস্যাগুলো শোনেন। তিনি ভোটারদের আশ্বস্ত করেন যে, সঠিক নেতৃত্বের অভাব এবং জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতা না থাকার কারণেই এই সমস্যাগুলো আজ প্রকট আকার ধারণ করেছে।
পথসভায় তারিকুল ইসলাম সুজন বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষ নানামুখী নাগরিক সমস্যায় জর্জরিত হলেও সেগুলোর কোনো টেকসই সমাধান হয়নি। এর মূল কারণ হলো, জনপ্রতিনিধিরা নাগরিক অধিকারকে উপেক্ষা করতেন এবং জনগণের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতা অনুভব করতেন না। শুধুমাত্র ভোটের সময় মানুষের দ্বারে দ্বারে যাওয়ার এবং নির্বাচনের পর সব ভুলে যাওয়ার যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, তা বদলাতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমি যদি নির্বাচিত হই, তবে নিজেকে কেবল একজন জনপ্রতিনিধি নয়, বরং একজন দায়িত্বশীল নাগরিক সেবক হিসেবে উপস্থাপন করব। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান এবং প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা ও সুশাসন নিশ্চিত করাই হবে আমার প্রধান অগ্রাধিকার।”
সুজন বলেন, সচেতন নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠন করা সম্ভব নয়। তাই তিনি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার এই রাজনৈতিক আন্দোলনে মাথাল প্রতীকের পাশে থাকার উদাত্ত আহ্বান জানান।
গণসংযোগে প্রার্থীর সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন আলম, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন জেলার সাবেক সভাপতি ফারহানা মানিক মুনা, বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির জেলা আহ্বায়ক আব্দুল আল মামুন, বাংলাদেশ যুব ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নেতা আবুল হোসেন মারুফ এবং বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন জেলার সহ-সভাপতি সৃজয় সাহা ও রনি শেখসহ বিভিন্ন সংগঠনের স্থানীয় নেতারা।
লোড হচ্ছে...