স্বাস্থ্যসদর
খানপুর হাসপাতালে দালালবিরোধী অভিযানে নারীসহ আটক ৩
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের সরকারি খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধে কঠোর অবস্থানে নেমেছে জেলা প্রশাসন ও র্যাব। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এক যৌথ ঝটিকা অভিযান চালিয়ে নারীসহ তিন দালালকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের জনভোগান্তি লাঘবে প্রশাসনের এই উদ্যোগ সাধারণ রোগীদের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তারিকুল ইসলাম এবং র্যাব-১১ সিপিসি-১ এর কোম্পানি কমান্ডার মো. আল মাসুদ খান। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ছদ্মবেশে হাসপাতালের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে দালালদের হাতে-নাতে আটক করেন। অভিযানে দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— খানপুর এলাকার মোজাম্মেল হক বাদল, বন্দর উপজেলার আম্বিয়া বেগম এবং পশ্চিম মাসদাইর এলাকার রাসেল। এ সময় ফতুল্লার গাবতলী নতুন বাজার এলাকার আব্দুল মান্নান নামে একজনকে এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে সতর্কবার্তা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সহজ-সরল রোগীদের টার্গেট করে আসছিল। তারা উন্নত চিকিৎসার প্রলোভন দেখিয়ে রোগীদের বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার মতো গুরুতর অপরাধে লিপ্ত ছিল। রোগীদের বিভ্রান্ত করার সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তারিকুল ইসলাম জানান, সরকারি হাসপাতালে সাধারণ মানুষ যাতে কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়া চিকিৎসা সেবা পেতে পারে, সেটি নিশ্চিত করাই প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। দালালের খপ্পরে পড়ে কোনো মানুষ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য এই ধরনের ঝটিকা অভিযান ও কঠোর নজরদারি নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। হাসপাতাল এলাকাকে শতভাগ দালালমুক্ত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
নারায়ণগঞ্জের সরকারি খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে দালালচক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধে কঠোর অবস্থানে নেমেছে জেলা প্রশাসন ও র্যাব। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এক যৌথ ঝটিকা অভিযান চালিয়ে নারীসহ তিন দালালকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের জনভোগান্তি লাঘবে প্রশাসনের এই উদ্যোগ সাধারণ রোগীদের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তারিকুল ইসলাম এবং র্যাব-১১ সিপিসি-১ এর কোম্পানি কমান্ডার মো. আল মাসুদ খান। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ছদ্মবেশে হাসপাতালের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে দালালদের হাতে-নাতে আটক করেন। অভিযানে দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— খানপুর এলাকার মোজাম্মেল হক বাদল, বন্দর উপজেলার আম্বিয়া বেগম এবং পশ্চিম মাসদাইর এলাকার রাসেল। এ সময় ফতুল্লার গাবতলী নতুন বাজার এলাকার আব্দুল মান্নান নামে একজনকে এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে সতর্কবার্তা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সহজ-সরল রোগীদের টার্গেট করে আসছিল। তারা উন্নত চিকিৎসার প্রলোভন দেখিয়ে রোগীদের বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার মতো গুরুতর অপরাধে লিপ্ত ছিল। রোগীদের বিভ্রান্ত করার সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তারিকুল ইসলাম জানান, সরকারি হাসপাতালে সাধারণ মানুষ যাতে কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়া চিকিৎসা সেবা পেতে পারে, সেটি নিশ্চিত করাই প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। দালালের খপ্পরে পড়ে কোনো মানুষ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য এই ধরনের ঝটিকা অভিযান ও কঠোর নজরদারি নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। হাসপাতাল এলাকাকে শতভাগ দালালমুক্ত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
লোড হচ্ছে...