আন্তর্জাতিক
আল জাজিরার বিশ্লেষণ
পারমাণবিক বোমা কতটা সহজে বানাতে পারে ইরান
NHP NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
বর্তমান বিশ্ব রাজনীতি ও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে ইরান কত দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারে, তা নিয়ে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। দেশটির বিদ্যমান প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং উন্নত অবকাঠামো এই প্রশ্নকে আরও জোরালো করে তুলেছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) আল জাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমআইটির প্রখ্যাত বিশেষজ্ঞ টেড পোস্টল ইরানের এই সক্ষমতা নিয়ে চাঞ্চল্যকর বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন।
ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এমআইটি)-এর বিজ্ঞান ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক টেড পোস্টল জানান, ইরানের ইউরেনিয়াম মজুতগুলো মাটির গভীরে সুরক্ষিত থাকায় সামরিক হামলার মাধ্যমে সেগুলো ধ্বংস করা প্রায় অসম্ভব। তার মতে, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র স্থাপনে খুব বেশি জায়গার প্রয়োজন হয় না। মাত্র ৬০ বর্গমিটারের একটি ছোট ল্যাবরেটরিতেই গোপনে সেন্ট্রিফিউজ ইউনিট বসিয়ে উচ্চমাত্রার ইউরেনিয়াম উৎপাদন সম্ভব।
এই মার্কিন বিশেষজ্ঞ আরও উল্লেখ করেন যে ইরান অত্যন্ত সীমিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করেই এই কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে। ফলে গোয়েন্দা নজরদারি এড়িয়ে দ্রুতগতিতে অস্ত্রমানের ইউরেনিয়াম প্রস্তুত করা তাদের জন্য এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। এছাড়া পারমাণবিক বোমা বহনে সক্ষম শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র বা ডেলিভারি সিস্টেমও তেহরানের হাতে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউরেনিয়ামভিত্তিক পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির ক্ষেত্রে অনেক সময় বড় ধরনের পরীক্ষারও প্রয়োজন হয় না, যা পুরো প্রক্রিয়াটিকে আরও সংক্ষিপ্ত ও সহজ করে তোলে। যদিও ইরান শুরু থেকেই দাবি করে আসছে যে তাদের এই কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং বেসামরিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত। তবে টেড পোস্টলের মতো বিশেষজ্ঞদের এই সতর্কবার্তা বিশ্বজুড়ে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। ইরানের এই সম্ভাব্য সক্ষমতা আগামী দিনের কূটনৈতিক আলোচনা এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বর্তমান বিশ্ব রাজনীতি ও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে ইরান কত দ্রুত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারে, তা নিয়ে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। দেশটির বিদ্যমান প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং উন্নত অবকাঠামো এই প্রশ্নকে আরও জোরালো করে তুলেছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) আল জাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমআইটির প্রখ্যাত বিশেষজ্ঞ টেড পোস্টল ইরানের এই সক্ষমতা নিয়ে চাঞ্চল্যকর বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন।
ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এমআইটি)-এর বিজ্ঞান ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক টেড পোস্টল জানান, ইরানের ইউরেনিয়াম মজুতগুলো মাটির গভীরে সুরক্ষিত থাকায় সামরিক হামলার মাধ্যমে সেগুলো ধ্বংস করা প্রায় অসম্ভব। তার মতে, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র স্থাপনে খুব বেশি জায়গার প্রয়োজন হয় না। মাত্র ৬০ বর্গমিটারের একটি ছোট ল্যাবরেটরিতেই গোপনে সেন্ট্রিফিউজ ইউনিট বসিয়ে উচ্চমাত্রার ইউরেনিয়াম উৎপাদন সম্ভব।
এই মার্কিন বিশেষজ্ঞ আরও উল্লেখ করেন যে ইরান অত্যন্ত সীমিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করেই এই কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে। ফলে গোয়েন্দা নজরদারি এড়িয়ে দ্রুতগতিতে অস্ত্রমানের ইউরেনিয়াম প্রস্তুত করা তাদের জন্য এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। এছাড়া পারমাণবিক বোমা বহনে সক্ষম শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র বা ডেলিভারি সিস্টেমও তেহরানের হাতে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউরেনিয়ামভিত্তিক পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির ক্ষেত্রে অনেক সময় বড় ধরনের পরীক্ষারও প্রয়োজন হয় না, যা পুরো প্রক্রিয়াটিকে আরও সংক্ষিপ্ত ও সহজ করে তোলে। যদিও ইরান শুরু থেকেই দাবি করে আসছে যে তাদের এই কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং বেসামরিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত। তবে টেড পোস্টলের মতো বিশেষজ্ঞদের এই সতর্কবার্তা বিশ্বজুড়ে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। ইরানের এই সম্ভাব্য সক্ষমতা আগামী দিনের কূটনৈতিক আলোচনা এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
লোড হচ্ছে...