আন্তর্জাতিক
ভারতের মণিপুরে স্বাধীনতার ঘোষণা- ভুয়া ভিডিও ভাইরাল
NewsView4

নিউজভিউ ডেস্ক
মণিপুরে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, বাংলাদেশেও অনেককেই খবরটি শেয়ার দিতে দেখা গেছে, যেখানে দাবি করা হচ্ছে রাজ্যের কিছু নেতা মনিপুরের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন এবং ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার কথা বলেছেন। তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই দাবির কোনো সাম্প্রতিক বা বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ নেই এবং ভিডিওটি পুরোনো ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত।বিভিন্ন কীওয়ার্ড দিয়ে অনুসন্ধান করে প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যমে এমন কোনো সাম্প্রতিক প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি, যেখানে মণিপুর স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। বরং সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তন এসেছে। ২০২৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি মণিপুরে রাষ্ট্রপতির শাসন প্রত্যাহার করা হয় এবং নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ইউমনাম ক্ষেমচাদ সিং শপথ নেন। তার সঙ্গে জোটসঙ্গী দল নাগা পিপলস ফ্রন্ট থেকে দুইজন উপমুখ্যমন্ত্রীও দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, ভাইরাল ভিডিওটির দৃশ্য আসলে ২০১৯ সালের একটি ঘটনার সঙ্গে মিলে যায়। সে সময় হিন্দুস্থান টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে একই পরিবেশ ও ব্যক্তিদের একটি স্ক্রিনশট প্রকাশ করা হয়েছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা নারেংবাম সমরজিত এবং ইয়ামবেম বিরেন লন্ডনে “মণিপুরের নির্বাসিত সরকার” গঠনের ঘোষণা দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মণিপুর সরকার তাদের বিরুদ্ধে ভারত বিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলে এবং ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দেয়।পরে বিষয়টি তদন্তের জন্য ভারতের ফেডারেল তদন্ত সংস্থা ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি -এর কাছে হস্তান্তরের কথাও বলা হয়। একই ঘটনার বিষয়ে খবর প্রকাশ করে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনাল (এএনআই)।
বিশ্লেষকদের মতে, পুরোনো ভিডিও নতুন ঘটনার দাবি করে ছড়িয়ে দেওয়া হলে তা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে এবং চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো এমন তথ্য যাচাই করে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, ভাইরাল ভিডিওটির দৃশ্য আসলে ২০১৯ সালের একটি ঘটনার সঙ্গে মিলে যায়। সে সময় হিন্দুস্থান টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে একই পরিবেশ ও ব্যক্তিদের একটি স্ক্রিনশট প্রকাশ করা হয়েছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা নারেংবাম সমরজিত এবং ইয়ামবেম বিরেন লন্ডনে “মণিপুরের নির্বাসিত সরকার” গঠনের ঘোষণা দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মণিপুর সরকার তাদের বিরুদ্ধে ভারত বিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলে এবং ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দেয়।পরে বিষয়টি তদন্তের জন্য ভারতের ফেডারেল তদন্ত সংস্থা ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি -এর কাছে হস্তান্তরের কথাও বলা হয়। একই ঘটনার বিষয়ে খবর প্রকাশ করে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনাল (এএনআই)।
বিশ্লেষকদের মতে, পুরোনো ভিডিও নতুন ঘটনার দাবি করে ছড়িয়ে দেওয়া হলে তা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে এবং চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো এমন তথ্য যাচাই করে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
লোড হচ্ছে...