সারা দেশ
সিরাজগঞ্জে আবাদি জমিতে আঙ্গুরের বাণিজ্যিক চাষ
NewsView6

উল্লাপাড়া উপজেলার কানসোনা গ্রামে বাগানে আঙ্গুর ঝুলছে
নিউজভিউ ডেস্ক
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় আবাদি জমিতে আঙ্গুরের বাণিজ্যিক চাষ হচ্ছে। উপজেলার কানসোনা গ্রামের কৃষক ইমদাদুল হক বাইকুনুর জাতের আঙ্গুর চাষে সফলতা পেয়েছেন। তার এই আঙ্গুরের চাষ জেলা জুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তার এই বাগান দেখার জন্য শুধু এলাকাই নয়, দূর-দূরান্ত থেকেও মানুষ আসছে দেখতে। বর্তমানে তার বাগানে থোকায় থোকায় ঝুলছে সুমিষ্ট আঙ্গুর।
ইমদাদুল হক জানান, ইউটিউব দেখে তিনি আঙ্গুর চাষে আগ্রহী হন। তার নিজস্ব কোন জমি না থাকায় এক প্রবাসী বন্ধুর ২০ শতক জমি নিয়ে এই আঙ্গুরের চাষ করেন। প্রথমে চুয়াডাঙ্গা জেলা থেকে বাইকুনুর জাতের চারা সংগ্রহ করেন। চারা লাগানোর মাত্র ৯ মাসের মধ্যেই প্রতিটি গাছে ফল আসে।
তিনি বলেন, বর্তমানে নার্সারীতে নিজেই আঙ্গুর, কমলা, মালটা, রামভুটান, পারসিমন, এভোকাডোসহ বিভিন্ন বিদেশী ফলের চারা উৎপাদন করে বাণিজ্যিকভাবে বিক্রী শুরু হরেছেন। তার উৎপাদিত চারা ঢাকা, রাজশাহী, চাপাইসহ বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই তিনি প্রায় ১০ লাখ টাকার চারা বিক্রী করেছেন বলে জানান।
পার্শবর্তী কামারখন্দ উপজেলা থেকে আসা ইয়াসিন আলী জানান, লোক মুখে শুনে দেখার জন্য এখানে এসেছেন। বাস্তবে দেখে ভালো লাগলো। তিনি বলেন, আঙ্গুর খেতে বেশ স্বুসাধু। চিন্তা করছি এখান থেকে চারা নিয়ে নিজের জমিতে এই রকম বাগান করবো।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবর্না ইয়াসমিন সুমী বলেন, কৃষি উদ্যোক্তা ইমদাদুল হক আবাদি জমিতে আঙ্গুরের চাষ করে জেলা জুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। আবাদি জমি হলেও বেলে-দোঁয়াশ মাটি হওয়ায় আঙ্গুরের ফলন ও খেতে সুস্বাদু হয়েছে। এই প্রথম উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে আঙ্গুর চাষ করায় অনেকেই দেখার জন্য আসছেন বাগানে। অনেকেই তার কাছে বিভিন্ন জাতের আঙ্গুরসহ বিভিন্ন ফলের চারা সংগ্রহ করছেন। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে তাকে সর্বাত্নক সহযেগিতা করা হচ্ছে।
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় আবাদি জমিতে আঙ্গুরের বাণিজ্যিক চাষ হচ্ছে। উপজেলার কানসোনা গ্রামের কৃষক ইমদাদুল হক বাইকুনুর জাতের আঙ্গুর চাষে সফলতা পেয়েছেন। তার এই আঙ্গুরের চাষ জেলা জুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তার এই বাগান দেখার জন্য শুধু এলাকাই নয়, দূর-দূরান্ত থেকেও মানুষ আসছে দেখতে। বর্তমানে তার বাগানে থোকায় থোকায় ঝুলছে সুমিষ্ট আঙ্গুর।
ইমদাদুল হক জানান, ইউটিউব দেখে তিনি আঙ্গুর চাষে আগ্রহী হন। তার নিজস্ব কোন জমি না থাকায় এক প্রবাসী বন্ধুর ২০ শতক জমি নিয়ে এই আঙ্গুরের চাষ করেন। প্রথমে চুয়াডাঙ্গা জেলা থেকে বাইকুনুর জাতের চারা সংগ্রহ করেন। চারা লাগানোর মাত্র ৯ মাসের মধ্যেই প্রতিটি গাছে ফল আসে।
তিনি বলেন, বর্তমানে নার্সারীতে নিজেই আঙ্গুর, কমলা, মালটা, রামভুটান, পারসিমন, এভোকাডোসহ বিভিন্ন বিদেশী ফলের চারা উৎপাদন করে বাণিজ্যিকভাবে বিক্রী শুরু হরেছেন। তার উৎপাদিত চারা ঢাকা, রাজশাহী, চাপাইসহ বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই তিনি প্রায় ১০ লাখ টাকার চারা বিক্রী করেছেন বলে জানান।
পার্শবর্তী কামারখন্দ উপজেলা থেকে আসা ইয়াসিন আলী জানান, লোক মুখে শুনে দেখার জন্য এখানে এসেছেন। বাস্তবে দেখে ভালো লাগলো। তিনি বলেন, আঙ্গুর খেতে বেশ স্বুসাধু। চিন্তা করছি এখান থেকে চারা নিয়ে নিজের জমিতে এই রকম বাগান করবো।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবর্না ইয়াসমিন সুমী বলেন, কৃষি উদ্যোক্তা ইমদাদুল হক আবাদি জমিতে আঙ্গুরের চাষ করে জেলা জুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। আবাদি জমি হলেও বেলে-দোঁয়াশ মাটি হওয়ায় আঙ্গুরের ফলন ও খেতে সুস্বাদু হয়েছে। এই প্রথম উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে আঙ্গুর চাষ করায় অনেকেই দেখার জন্য আসছেন বাগানে। অনেকেই তার কাছে বিভিন্ন জাতের আঙ্গুরসহ বিভিন্ন ফলের চারা সংগ্রহ করছেন। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে তাকে সর্বাত্নক সহযেগিতা করা হচ্ছে।
লোড হচ্ছে...