জাতীয়
রংপুরের চার খুনে বন্ধুর জবানবন্দি
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামির বন্ধু সীমান্ত চন্দ্র দাস আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। তার বক্তব্যে হত্যাকাণ্ডের রাতে আসামিদের ইয়াবা সেবনের বিষয়টি উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রংপুরের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের কাছে সীমান্তের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। পরে তাকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক জিন্নাত আলী জানান, সীমান্তের দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে গ্রেপ্তার মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসের জবানবন্দির মিল পাওয়া গেছে। আসামিরা হত্যার রাতে সীমান্তের বাসায় গিয়ে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে যে তথ্য দিয়েছিলেন, সীমান্তও আদালতে একই তথ্য জানিয়েছেন।
সীমান্ত চন্দ্র দাস নগরের মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকার সুবাস চন্দ্র দাসের ছেলে। তিনি মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের বন্ধু। নগরের একটি মার্কেটে কাপড়ের দোকানে বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন।
এর আগে রোববার সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবদুল মাবুদ জানিয়েছিলেন, হত্যাকাণ্ডের রাতে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ সীমান্তের বাসায় গিয়ে ইয়াবা সেবন করেছিলেন।
এদিকে গ্রেপ্তার দুই আসামির ডোপ টেস্টের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা জানান, ডোপ টেস্টের জন্য সোমবার ডকেট পাওয়া গেছে এবং পরীক্ষার জন্য আবেদন করা হয়েছে। বুধবার তা কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।
তদন্ত নিয়ে ওঠা বিভিন্ন প্রশ্ন ও পুলিশের বক্তব্যের অসঙ্গতি প্রসঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলী বলেন, হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে মানুষের মনে থাকা প্রশ্নগুলোর উত্তর তদন্তের মাধ্যমেই বের করা হবে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনায় রোববার নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। একই দিন রাতে গ্রেপ্তার মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার তদন্ত প্রথমে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জীর কাছে ছিল। পরদিন তদন্তভার মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে পরিদর্শক জিন্নাত আলীকে নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।
রংপুর জিলা স্কুলের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে অবসরে যান। নগরের মাছুয়াপাড়া এলাকায় নিজের জমিতে নির্মাণাধীন দোতলা বাড়ির দ্বিতীয় তলায় স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন তিনি। অবসরের পর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হিসেবেও রোগী দেখতেন।
শনিবার রাতে ওই বাসা থেকে গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) এবং ছেলে আয়ুস চক্রবর্তী প্রীয়মের (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, চারজনকেই শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
রোববার ভোরে একই এলাকা থেকে মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাসকে (১৯) আটক করা হয়। ওইদিন ময়নাতদন্ত শেষে চারজনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রাতে নগরের দখিগঞ্জ শ্মশানে তাদের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রংপুরের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের কাছে সীমান্তের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। পরে তাকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক জিন্নাত আলী জানান, সীমান্তের দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে গ্রেপ্তার মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসের জবানবন্দির মিল পাওয়া গেছে। আসামিরা হত্যার রাতে সীমান্তের বাসায় গিয়ে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে যে তথ্য দিয়েছিলেন, সীমান্তও আদালতে একই তথ্য জানিয়েছেন।
সীমান্ত চন্দ্র দাস নগরের মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকার সুবাস চন্দ্র দাসের ছেলে। তিনি মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের বন্ধু। নগরের একটি মার্কেটে কাপড়ের দোকানে বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন।
এর আগে রোববার সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবদুল মাবুদ জানিয়েছিলেন, হত্যাকাণ্ডের রাতে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ সীমান্তের বাসায় গিয়ে ইয়াবা সেবন করেছিলেন।
এদিকে গ্রেপ্তার দুই আসামির ডোপ টেস্টের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা জানান, ডোপ টেস্টের জন্য সোমবার ডকেট পাওয়া গেছে এবং পরীক্ষার জন্য আবেদন করা হয়েছে। বুধবার তা কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।
তদন্ত নিয়ে ওঠা বিভিন্ন প্রশ্ন ও পুলিশের বক্তব্যের অসঙ্গতি প্রসঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলী বলেন, হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে মানুষের মনে থাকা প্রশ্নগুলোর উত্তর তদন্তের মাধ্যমেই বের করা হবে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনায় রোববার নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। একই দিন রাতে গ্রেপ্তার মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার তদন্ত প্রথমে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জীর কাছে ছিল। পরদিন তদন্তভার মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে পরিদর্শক জিন্নাত আলীকে নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।
রংপুর জিলা স্কুলের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে অবসরে যান। নগরের মাছুয়াপাড়া এলাকায় নিজের জমিতে নির্মাণাধীন দোতলা বাড়ির দ্বিতীয় তলায় স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন তিনি। অবসরের পর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হিসেবেও রোগী দেখতেন।
শনিবার রাতে ওই বাসা থেকে গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) এবং ছেলে আয়ুস চক্রবর্তী প্রীয়মের (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, চারজনকেই শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
রোববার ভোরে একই এলাকা থেকে মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাসকে (১৯) আটক করা হয়। ওইদিন ময়নাতদন্ত শেষে চারজনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রাতে নগরের দখিগঞ্জ শ্মশানে তাদের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
লোড হচ্ছে...