নারায়ণগঞ্জসদর
ফতুল্লায় বাবুর্চিকে কুপিয়ে হত্যা
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক বাবুর্চিকে সড়কের ওপর নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে আটটার দিকে ইসদাইর রেললাইন এলাকায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত রায়হান মোল্লা (৫০) শহরের জামতলা এলাকার হীরা কমিউনিটি সেন্টারে বাবুর্চির কাজ করতেন। তিনি তিন ছেলেকে নিয়ে তল্লা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
নিহতের মেজো ছেলে মো. সাব্বির অভিযোগ করেন, তার বাবা চাষাঢ়া রেলস্টেশনে একটি অস্থায়ী খাবারের দোকান দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু স্থানীয় রাজ্জাক নামে এক ব্যক্তি সেখানে বাধা দেন এবং দোকান বসাতে হলে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেন। এই নিয়ে তর্কের জেরে আগেও রাজ্জাক তার বাবাকে ছুরিকাঘাত করেছিলেন।
সাব্বির আরও বলেন, "রাজ্জাক মাদক ব্যবসায়ী। তার অনেক লোকজন আছে যারা নিয়মিত মাদক সেবন করে। আমরা ঝামেলা এড়াতে বাবাকে ওর সাথে কথা বলতে নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু ওই শত্রুতার জেরেই রাজ্জাক তার লোকজন নিয়ে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে।"
ঘটনার পর ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু রায়হান জানান, কয়েকজন ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র দিয়ে রায়হান মোল্লাকে রাস্তার ওপর এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ফতুল্লা মডেল থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) আব্দুল মান্নান বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা নিশ্চিত যে ঘটনাটি পূর্ব শত্রুতার জেরে হয়েছে। নিহতের পরিবার নির্দিষ্ট কয়েকজনের নাম বলেছে, আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছি। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল ও আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। এই ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক বাবুর্চিকে সড়কের ওপর নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে আটটার দিকে ইসদাইর রেললাইন এলাকায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত রায়হান মোল্লা (৫০) শহরের জামতলা এলাকার হীরা কমিউনিটি সেন্টারে বাবুর্চির কাজ করতেন। তিনি তিন ছেলেকে নিয়ে তল্লা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
নিহতের মেজো ছেলে মো. সাব্বির অভিযোগ করেন, তার বাবা চাষাঢ়া রেলস্টেশনে একটি অস্থায়ী খাবারের দোকান দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু স্থানীয় রাজ্জাক নামে এক ব্যক্তি সেখানে বাধা দেন এবং দোকান বসাতে হলে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেন। এই নিয়ে তর্কের জেরে আগেও রাজ্জাক তার বাবাকে ছুরিকাঘাত করেছিলেন।
সাব্বির আরও বলেন, "রাজ্জাক মাদক ব্যবসায়ী। তার অনেক লোকজন আছে যারা নিয়মিত মাদক সেবন করে। আমরা ঝামেলা এড়াতে বাবাকে ওর সাথে কথা বলতে নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু ওই শত্রুতার জেরেই রাজ্জাক তার লোকজন নিয়ে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে।"
ঘটনার পর ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু রায়হান জানান, কয়েকজন ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র দিয়ে রায়হান মোল্লাকে রাস্তার ওপর এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ফতুল্লা মডেল থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) আব্দুল মান্নান বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা নিশ্চিত যে ঘটনাটি পূর্ব শত্রুতার জেরে হয়েছে। নিহতের পরিবার নির্দিষ্ট কয়েকজনের নাম বলেছে, আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছি। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল ও আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। এই ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
লোড হচ্ছে...