নারায়ণগঞ্জবন্দর
কিশোরী আলিফাকে ধর্ষণের সময় চিৎকার করায় হত্যা করা হয়
NewsView

নিউজ ভিউ
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলিফা আক্তার রোজামনিকে (১৩) নৃশংসভাবে হত্যার লোমহর্ষক ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। অপহরণের পর ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এই ঘটনায় জড়িত প্রতিবেশী তিন মাদকাসক্ত যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গত রোববার বিকেল ৪টার দিকে দড়ি সোনাকান্দা এলাকার রিকশা চালক মো. আলীর কন্যা আলিফা বাড়ির সামনে থেকে নিখোঁজ হয়। পরদিন সকালে পাশের একটি বাড়ির সামনে থেকে তাঁর নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় বন্দর থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ, র্যাব ও পিবিআই যৌথ তদন্ত শুরু করে।
তদন্তের ভিত্তিতে বুধবার তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন—ফয়সাল ওরফে বাদশা (২৯), ইসমাইল (৪০) ও ইমন (২৫)।
বন্দর থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) গোলাম মুক্তার আশরাফ জানান, গ্রেফতারকৃতরা শিশুটিকে বাড়ির সামনে থেকে অপহরণ করে একটি নির্জন কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হলে শিশুটি চিৎকার শুরু করে। ধরা পড়ার ভয়ে ঘাতকরা তাকে গলা টিপে হত্যা করে। আসামিরা সবাই মাদকাসক্ত এবং তারা নিহতের পরিবারের প্রতিবেশী ছিল।
গ্রেফতারকৃত ফয়সাল বুধবার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ইয়াসির আরাফাতের আদালতে এই হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতা ঘাতকদের বাড়িঘরে ভাঙচুর চালায়।
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলিফা আক্তার রোজামনিকে (১৩) নৃশংসভাবে হত্যার লোমহর্ষক ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। অপহরণের পর ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এই ঘটনায় জড়িত প্রতিবেশী তিন মাদকাসক্ত যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গত রোববার বিকেল ৪টার দিকে দড়ি সোনাকান্দা এলাকার রিকশা চালক মো. আলীর কন্যা আলিফা বাড়ির সামনে থেকে নিখোঁজ হয়। পরদিন সকালে পাশের একটি বাড়ির সামনে থেকে তাঁর নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় বন্দর থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ, র্যাব ও পিবিআই যৌথ তদন্ত শুরু করে।
তদন্তের ভিত্তিতে বুধবার তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন—ফয়সাল ওরফে বাদশা (২৯), ইসমাইল (৪০) ও ইমন (২৫)।
বন্দর থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) গোলাম মুক্তার আশরাফ জানান, গ্রেফতারকৃতরা শিশুটিকে বাড়ির সামনে থেকে অপহরণ করে একটি নির্জন কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হলে শিশুটি চিৎকার শুরু করে। ধরা পড়ার ভয়ে ঘাতকরা তাকে গলা টিপে হত্যা করে। আসামিরা সবাই মাদকাসক্ত এবং তারা নিহতের পরিবারের প্রতিবেশী ছিল।
গ্রেফতারকৃত ফয়সাল বুধবার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ইয়াসির আরাফাতের আদালতে এই হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতা ঘাতকদের বাড়িঘরে ভাঙচুর চালায়।
লোড হচ্ছে...