নারায়ণগঞ্জরূপগঞ্জ
কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, আত্মহত্যা নাকি অত্যাচার?
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলে এক কিশোরী আত্মহত্যা করেছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের সাওঘাট এলাকায় রফিক মীরের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। তবে নিছক আত্মহত্যা নাকি দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত কোনো যন্ত্রণার বহিঃপ্রকাশ— তা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মেয়েটি দীর্ঘদিন ধরে পর্দার আড়ালে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছিল।
নিহতের নাম ইমা (১৪)। সে সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ থানার তেরোহাল উত্তর পাড়া এলাকার রইচ মিয়ার মেয়ে। তারা সাওঘাট এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করত।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভেতর থেকে ঘরের দরজা বন্ধ দেখে এবং ইমার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। খবর পেয়ে ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে জানালার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করেন এবং ইমাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পুলিশ মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল ( ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
এদিকে ঘটনাটি কেবল আত্মহত্যা হিসেবে মানতে নারাজ প্রতিবেশীরা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই বাড়ির এক ভাড়াটিয়া জানান, দীর্ঘদিন ধরে মেয়েটির ওপর গোপনে শারীরিক নির্যাতন চালানো হচ্ছিল। সেই অমানবিক নির্যাতন সইতে না পেরেই কিশোরীটি চরম এই পথ বেছে নিয়েছে বলে তারা ধারণা করছেন। নির্যাতনের এই অভিযোগটি এখন এলাকাবাসীর মুখে মুখে ফিরছে।
রূপগঞ্জ থানার ভুলতা ফাঁড়ির এসআই আনোয়ার হোসাইন সংবাদমাধ্যমকে জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে মনে করা হচ্ছে। তবে স্থানীয়দের দাবি এবং অন্য কোনো প্ররোচনা আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। বর্তমানে এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলাসহ আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলে এক কিশোরী আত্মহত্যা করেছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের সাওঘাট এলাকায় রফিক মীরের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। তবে নিছক আত্মহত্যা নাকি দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত কোনো যন্ত্রণার বহিঃপ্রকাশ— তা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মেয়েটি দীর্ঘদিন ধরে পর্দার আড়ালে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছিল।
নিহতের নাম ইমা (১৪)। সে সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ থানার তেরোহাল উত্তর পাড়া এলাকার রইচ মিয়ার মেয়ে। তারা সাওঘাট এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করত।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভেতর থেকে ঘরের দরজা বন্ধ দেখে এবং ইমার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। খবর পেয়ে ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে জানালার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করেন এবং ইমাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পুলিশ মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল ( ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
এদিকে ঘটনাটি কেবল আত্মহত্যা হিসেবে মানতে নারাজ প্রতিবেশীরা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই বাড়ির এক ভাড়াটিয়া জানান, দীর্ঘদিন ধরে মেয়েটির ওপর গোপনে শারীরিক নির্যাতন চালানো হচ্ছিল। সেই অমানবিক নির্যাতন সইতে না পেরেই কিশোরীটি চরম এই পথ বেছে নিয়েছে বলে তারা ধারণা করছেন। নির্যাতনের এই অভিযোগটি এখন এলাকাবাসীর মুখে মুখে ফিরছে।
রূপগঞ্জ থানার ভুলতা ফাঁড়ির এসআই আনোয়ার হোসাইন সংবাদমাধ্যমকে জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে মনে করা হচ্ছে। তবে স্থানীয়দের দাবি এবং অন্য কোনো প্ররোচনা আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। বর্তমানে এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলাসহ আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
লোড হচ্ছে...