নারায়ণগঞ্জ
ভাষা আন্দোলনে কমিউনিস্টদের অবদান নিয়ে লেখক সংঘের সভা
NewsView

নিউজভিউ
মহান ভাষা আন্দোলনে কমিউনিস্টদের ঐতিহাসিক ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে আলোচনা সভা করেছে বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা। বৃহস্পতিবার বিকেলে শহরের আলী আহাম্মদ চুনকা নগর পাঠাগার ও মিলনায়তনে সংগঠনের ৮৭তম সাহিত্য আড্ডায় এ সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ‘ভাষা আন্দোলনে কমিউনিস্টদের ভূমিকা’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনের জেলা সাধারণ সম্পাদক বিমল কান্তি দাস। আলোচনায় উঠে আসে যে, ১৯৪৮ সাল থেকেই কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য ও প্রগতিশীল ছাত্ররা ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গড়ে তুলে দেশব্যাপী আন্দোলন ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। বক্তারা বলেন, মোহাম্মদ তোয়াহা, রণেশ দাশগুপ্ত, শহিদুল্লাহ কায়সার এবং আব্দুল মতিনের মতো কমিউনিস্ট নেতৃবৃন্দ কারাবরণ ও হুলিয়া মাথায় নিয়ে আন্দোলনের সম্মুখভাগে ছিলেন। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা ভাঙার ক্ষেত্রে কমরেড আব্দুল মতিনের জ্বালাময়ী বক্তব্য ও সাধারণ ছাত্রদের সাহসিকতা আন্দোলনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল।
প্রগতি লেখক সংঘের জেলা শাখার সহ-সভাপতি শহিদুল আলম নান্নুর সভাপতিত্বে সভায় বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে কমিউনিস্টদের অবদানের কথা অনেক সময় যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয় না। অথচ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি ও তাদের প্রভাবিত ছাত্র নেতৃত্ব জীবন বাজি রেখে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা শাখার সভাপতি জাকির হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিন্টু, সদস্য দুলাল সাহা, রাজলক্ষ্মী, কবি সেলিম ভূঁইয়া, নারী নেত্রী অ্যাডভোকেট মুন্নি সরদার এবং ছাত্র নেতা অয়ন্ত প্রমুখ।
আলোচনা সভার পাশাপাশি কবি কণ্ঠে কবিতা পাঠ, আবৃত্তি ও সংগীতের আয়োজন করা হয়। স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন কবি হাবিব সিদ্দিকী, তিথি সুবর্ণা, মৃত্যুঞ্জয় দত্ত, কবি মিথুন খান, ইয়াদী মাহমুদ, পল্লবী প্রত্যাশা, মরিয়ম কবিতা ও রিতা রহমানসহ স্থানীয় কবিরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল সংগঠনের জেলা কমিটি।
মহান ভাষা আন্দোলনে কমিউনিস্টদের ঐতিহাসিক ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে আলোচনা সভা করেছে বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা। বৃহস্পতিবার বিকেলে শহরের আলী আহাম্মদ চুনকা নগর পাঠাগার ও মিলনায়তনে সংগঠনের ৮৭তম সাহিত্য আড্ডায় এ সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ‘ভাষা আন্দোলনে কমিউনিস্টদের ভূমিকা’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনের জেলা সাধারণ সম্পাদক বিমল কান্তি দাস। আলোচনায় উঠে আসে যে, ১৯৪৮ সাল থেকেই কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য ও প্রগতিশীল ছাত্ররা ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গড়ে তুলে দেশব্যাপী আন্দোলন ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। বক্তারা বলেন, মোহাম্মদ তোয়াহা, রণেশ দাশগুপ্ত, শহিদুল্লাহ কায়সার এবং আব্দুল মতিনের মতো কমিউনিস্ট নেতৃবৃন্দ কারাবরণ ও হুলিয়া মাথায় নিয়ে আন্দোলনের সম্মুখভাগে ছিলেন। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা ভাঙার ক্ষেত্রে কমরেড আব্দুল মতিনের জ্বালাময়ী বক্তব্য ও সাধারণ ছাত্রদের সাহসিকতা আন্দোলনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল।
প্রগতি লেখক সংঘের জেলা শাখার সহ-সভাপতি শহিদুল আলম নান্নুর সভাপতিত্বে সভায় বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে কমিউনিস্টদের অবদানের কথা অনেক সময় যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয় না। অথচ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি ও তাদের প্রভাবিত ছাত্র নেতৃত্ব জীবন বাজি রেখে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা শাখার সভাপতি জাকির হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিন্টু, সদস্য দুলাল সাহা, রাজলক্ষ্মী, কবি সেলিম ভূঁইয়া, নারী নেত্রী অ্যাডভোকেট মুন্নি সরদার এবং ছাত্র নেতা অয়ন্ত প্রমুখ।
আলোচনা সভার পাশাপাশি কবি কণ্ঠে কবিতা পাঠ, আবৃত্তি ও সংগীতের আয়োজন করা হয়। স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন কবি হাবিব সিদ্দিকী, তিথি সুবর্ণা, মৃত্যুঞ্জয় দত্ত, কবি মিথুন খান, ইয়াদী মাহমুদ, পল্লবী প্রত্যাশা, মরিয়ম কবিতা ও রিতা রহমানসহ স্থানীয় কবিরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল সংগঠনের জেলা কমিটি।
লোড হচ্ছে...