নারায়ণগঞ্জসোনারগাঁও
সোনারগাঁয়ে প্রতিবন্ধী চালক হত্যায় ৫ জন গ্রেপ্তার করলো পিবিআই
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী অটোরিকশা চালক সোহেলকে শ্বাসরোধ করে হত্যা ও রিকশা ছিনতাইয়ের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িত মূল দুই হোতাসহ মোট ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ছিনতাইকৃত অটোরিকশাটি।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোস্তফা কামাল রাশেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মো. সুজন মিয়া ও মো. শফিকুল ইসলাম হীরা। এছাড়াও ছিনতাইকৃত রিকশা কেনাবেচায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন মো. দুলাল মিয়া, মো. আব্দুর রহিম মিয়া ও মো. আবুল কাশেম।
পুলিশ সুপার মোস্তফা কামাল রাশেদ জানায়, গত ১৯ জানুয়ারি দুপুরে প্রতিদিনের মতো অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন সোহেল। কিন্তু রাতে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরদিন সকালে সোনারগাঁও উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের মুছারচর এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের নাক, মুখ ও হাতে স্কচটেপ পেঁচানো ছিল। এ ঘটনায় সোনারগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হলে ছায়া তদন্ত শুরু করে পিবিআই।
তদন্তে জানা যায়, সুজন ও হীরা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী সোহেলকে লক্ষ্যবস্তু বানায়। ১৯ জানুয়ারি বিকেলে নানাখীবাজার থেকে আনন্দবাজার যাওয়ার কথা বলে তারা সোহেলের রিকশাটি ভাড়া করে। পথে একটি দোকানে বসে তারা কৌশলে সোহেলকে পানীয়র সঙ্গে অতিরিক্ত কাশির সিরাপ মিশিয়ে খাইয়ে দেয়। এতে সোহেল তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়লে সন্ধ্যার দিকে মুছারচরের নির্জন এলাকায় তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় এবং মরদেহ ফেলে ঘাতকরা রিকশা নিয়ে পালিয়ে যায়।
হত্যাকাণ্ডের পর রিকশাটি রূপগঞ্জের একটি গ্যারেজে লুকিয়ে রাখা হয় এবং পরদিন তা বিক্রি করে দেওয়া হয়। পিবিআই জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত দুলাল, আব্দুর রহিম ও আবুল কাশেম দীর্ঘদিন ধরে চোরাই অটোরিকশা কেনাবেচার সিন্ডিকেট পরিচালনা করে আসছে। তাদের হেফাজত থেকেই নিহত সোহেলের অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়েছে।
পিবিআই পুলিশ সুপার বলেন, “প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুজন ও হীরা হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। বাকি তিনজন চোরাই রিকশা কেনাবেচার কথা স্বীকার করলেও হত্যাকাণ্ডে তাদের কোনো ইন্ধন ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী অটোরিকশা চালক সোহেলকে শ্বাসরোধ করে হত্যা ও রিকশা ছিনতাইয়ের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িত মূল দুই হোতাসহ মোট ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ছিনতাইকৃত অটোরিকশাটি।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোস্তফা কামাল রাশেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মো. সুজন মিয়া ও মো. শফিকুল ইসলাম হীরা। এছাড়াও ছিনতাইকৃত রিকশা কেনাবেচায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন মো. দুলাল মিয়া, মো. আব্দুর রহিম মিয়া ও মো. আবুল কাশেম।
পুলিশ সুপার মোস্তফা কামাল রাশেদ জানায়, গত ১৯ জানুয়ারি দুপুরে প্রতিদিনের মতো অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন সোহেল। কিন্তু রাতে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরদিন সকালে সোনারগাঁও উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের মুছারচর এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের নাক, মুখ ও হাতে স্কচটেপ পেঁচানো ছিল। এ ঘটনায় সোনারগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হলে ছায়া তদন্ত শুরু করে পিবিআই।
তদন্তে জানা যায়, সুজন ও হীরা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী সোহেলকে লক্ষ্যবস্তু বানায়। ১৯ জানুয়ারি বিকেলে নানাখীবাজার থেকে আনন্দবাজার যাওয়ার কথা বলে তারা সোহেলের রিকশাটি ভাড়া করে। পথে একটি দোকানে বসে তারা কৌশলে সোহেলকে পানীয়র সঙ্গে অতিরিক্ত কাশির সিরাপ মিশিয়ে খাইয়ে দেয়। এতে সোহেল তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়লে সন্ধ্যার দিকে মুছারচরের নির্জন এলাকায় তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় এবং মরদেহ ফেলে ঘাতকরা রিকশা নিয়ে পালিয়ে যায়।
হত্যাকাণ্ডের পর রিকশাটি রূপগঞ্জের একটি গ্যারেজে লুকিয়ে রাখা হয় এবং পরদিন তা বিক্রি করে দেওয়া হয়। পিবিআই জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত দুলাল, আব্দুর রহিম ও আবুল কাশেম দীর্ঘদিন ধরে চোরাই অটোরিকশা কেনাবেচার সিন্ডিকেট পরিচালনা করে আসছে। তাদের হেফাজত থেকেই নিহত সোহেলের অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়েছে।
পিবিআই পুলিশ সুপার বলেন, “প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুজন ও হীরা হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। বাকি তিনজন চোরাই রিকশা কেনাবেচার কথা স্বীকার করলেও হত্যাকাণ্ডে তাদের কোনো ইন্ধন ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
লোড হচ্ছে...