রাজনীতিসদর
শহীদ জিয়া হল পুনর্নির্মাণ হলে শিল্পী-সাংস্কৃতিক কর্মীদের একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি হবে: এমপি দিপু
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় অবস্থিত জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত ‘শহীদ জিয়া হল’ ভেঙে একটি আধুনিক কমপ্লেক্স নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কার্যালয়ে দেওয়া এক লিখিত পত্রে তিনি এই স্থাপনাটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং বর্তমান নাজুক পরিস্থিতি তুলে ধরে দ্রুত সংস্কারের জন্য সদয় হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করেন।
লিখিত আবেদনে সংসদ সদস্য উল্লেখ করেন, চাষাঢ়ার এই স্থাপনাটি কেবল একটি ভবন নয়, বরং এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের এক অবিচ্ছেদ্য স্মারক। তথ্যানুযায়ী, ১৯৭৮ সালের ১০ মার্চ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই হলটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৮১ সালের ১৯ জুলাই তৎকালীন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার এটি ‘শহীদ জিয়া হল’ নামে উদ্বোধন করেন। ভবনটির নামকরণ নিয়ে দীর্ঘ সময় আইনি জটিলতা ও দেওয়ানি মামলা চললেও আদালতের রায়ে শেষ পর্যন্ত মূল নামটিই সংরক্ষিত থাকে।
মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া তার আবেদনে বর্তমানে ভবনটির কাঠামোগত ঝুঁকির বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেছেন। দীর্ঘকাল সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভবনটি এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা বা ধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিত্যক্ত এই জমিটির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে সেখানে একটি আধুনিক বহুমুখী কমপ্লেক্স স্থাপনের প্রস্তাব করেছেন তিনি।
আবেদনে আরও বলা হয়েছে, শহীদ জিয়া হল পুনর্নির্মাণ করা হলে নারায়ণগঞ্জের শিল্পী, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম তৈরি হবে। একটি আধুনিক বিনোদন ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র জেলার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করবে এবং নতুন প্রজন্মকে সুস্থ সাংস্কৃতিক ধারার সাথে সম্পৃক্ত করবে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত ও কার্যকর নির্দেশনা প্রত্যাশা করেছেন নারায়ণগঞ্জের এই সংসদ সদস্য।
নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় অবস্থিত জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত ‘শহীদ জিয়া হল’ ভেঙে একটি আধুনিক কমপ্লেক্স নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কার্যালয়ে দেওয়া এক লিখিত পত্রে তিনি এই স্থাপনাটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং বর্তমান নাজুক পরিস্থিতি তুলে ধরে দ্রুত সংস্কারের জন্য সদয় হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করেন।
লিখিত আবেদনে সংসদ সদস্য উল্লেখ করেন, চাষাঢ়ার এই স্থাপনাটি কেবল একটি ভবন নয়, বরং এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের এক অবিচ্ছেদ্য স্মারক। তথ্যানুযায়ী, ১৯৭৮ সালের ১০ মার্চ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই হলটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৮১ সালের ১৯ জুলাই তৎকালীন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার এটি ‘শহীদ জিয়া হল’ নামে উদ্বোধন করেন। ভবনটির নামকরণ নিয়ে দীর্ঘ সময় আইনি জটিলতা ও দেওয়ানি মামলা চললেও আদালতের রায়ে শেষ পর্যন্ত মূল নামটিই সংরক্ষিত থাকে।
মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া তার আবেদনে বর্তমানে ভবনটির কাঠামোগত ঝুঁকির বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেছেন। দীর্ঘকাল সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভবনটি এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা বা ধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিত্যক্ত এই জমিটির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে সেখানে একটি আধুনিক বহুমুখী কমপ্লেক্স স্থাপনের প্রস্তাব করেছেন তিনি।
আবেদনে আরও বলা হয়েছে, শহীদ জিয়া হল পুনর্নির্মাণ করা হলে নারায়ণগঞ্জের শিল্পী, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম তৈরি হবে। একটি আধুনিক বিনোদন ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র জেলার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করবে এবং নতুন প্রজন্মকে সুস্থ সাংস্কৃতিক ধারার সাথে সম্পৃক্ত করবে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত ও কার্যকর নির্দেশনা প্রত্যাশা করেছেন নারায়ণগঞ্জের এই সংসদ সদস্য।
লোড হচ্ছে...