স্বাস্থ্য
তীব্র গরমে সুস্থ থাকার কার্যকরী উপায়
NewsView4

নিউজভিউ ডেস্ক
হৃদুয়ান ইসলাম রেজা
গরমের তীব্রতার কারণে আমাদের নানান ভোগান্তি পোহাতে হয়। প্রচণ্ড গরমে সাধারণ ক্লান্তি থেকে শুরু করে হিটস্ট্রোকের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিতে পারে। তাই শরীর ঠান্ডা রাখা এবং সুস্থ থাকাটা এখনকার সময়ে বেশ বড় চ্যালেঞ্জ। তবে একটু সচেতনতা এবং জীবনযাত্রায় সামান্য পরিবর্তন আনলে আমরা সহজেই নিজেকে সতেজ ও কর্মক্ষম রাখতে পারি।
নিচে তীব্র গরমে সুস্থ থাকার ১০টি কার্যকরী উপায় দেওয়া হলো:
১. পর্যাপ্ত পানি পান করুন
গরমে শরীর থেকে প্রচুর ঘাম বের হয়ে যায়, যা পানিশূন্যতা তৈরি করে। তৃষ্ণা না পেলেও দিনে অন্তত ৩-৪ লিটার পানি পান করার চেষ্টা করুন। ডাবের পানি, লেবুর শরবত, জিরা পানি বা স্যালাইন শরীরের জন্য বেশ উপকারী।
২. বাইরে বের হওয়ার প্রস্তুতি
খুব জরুরি কাজ না থাকলে বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বাইরে না যাওয়াই ভালো। এ সময় সূর্যের তাপ ও আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মির তীব্রতা সবচেয়ে বেশি থাকে। বাইরে বের হলে অবশ্যই ছাতা, টুপি বা সানগ্লাস এবং ত্বকের সুরক্ষায় সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।
৩. পোশাক নির্বাচনে সচেতনতা
গরমে আঁটসাঁট বা সিন্থেটিক কাপড় এড়িয়ে চলুন। হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতি কাপড় পরুন যা ঘাম শুষে নেয় এবং শরীরে বাতাস চলাচলে সাহায্য করে। মনে রাখবেন, হালকা রঙের পোশাক তাপ কম শোষণ করে।
৪. খাবারের দিকে নজর দিন
সহজে হজম হয় এমন টাটকা খাবার খান। অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার, ভাজাপোড়া এবং বাসি খাবার পুরোপুরি এড়িয়ে চলুন। খাদ্যতালিকায় শসা, তরমুজ, বাঙ্গি এবং লাউয়ের মতো পানিজাতীয় ফল ও সবজি বেশি করে রাখার চেষ্টা করুন।
৫. চা ও কফি এড়িয়ে চলুন
অতিরিক্ত চা বা কফি শরীরে পানিশূন্যতা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই গরমে ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়গুলো যতটা সম্ভব কম পান করা ভালো। এর বদলে ডাব বা প্রাকৃতিক ফলের রস বেছে নিন।
৬. বাইরের খাবার ও পানীয় বর্জন
রাস্তার ধারে বিক্রি হওয়া শরবত, কাটা ফল, খোলা পানি বা বেভারেজ ইত্যাদি এড়িয়ে চলুন। এগুলো তাৎক্ষণিকভাবে স্বস্তির মনে হলেও অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর এবং পানিবাহিত রোগের প্রধান কারণ।
৭. নিয়মিত গোসল ও পরিচ্ছন্নতা
অতিরিক্ত গরমে ঘামাচি ও ত্বকের সমস্যা বাড়ে। এ থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন অন্তত দুবার গোসল করা প্রয়োজন। শরীর জীবাণুমুক্ত রাখতে প্রতিদিন অন্তত একবার গোসলের সময় সাবান ব্যবহার করুন।
৮. পর্যাপ্ত বিশ্রাম
গরমে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যায়। তাই রাতে অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করুন। দিনে খুব বেশি পরিশ্রমের কাজ একটানা না করে মাঝে মাঝে বিরতি নিন এবং ছায়াযুক্ত স্থানে বিশ্রাম নিন।
৯. হিটস্ট্রোকের লক্ষণ বুঝুন
মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, তীব্র মাথাব্যথা বা শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে দ্রুত ঠান্ডা জায়গায় চলে যান এবং মাথায় পানি দিন। অবস্থা গুরুতর মনে হলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।
১০. শরীরের তাপমাত্রার দিকে খেয়াল রাখা
প্রচণ্ড রোদ থেকে এসেই সাথে সাথে গোসল করবেন না বা এসির নিচে বসবেন না। আগে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় শরীরকে মানিয়ে নিতে দিন, তারপর ঠান্ডা হওয়ার ব্যবস্থা করুন।
একটি বোনাস টিপস: ফ্রিজের একদম বরফ ঠান্ডা পানি সরাসরি পান না করে সাধারণ তাপমাত্রার পানির সাথে মিশিয়ে পান করা শরীরের জন্য বেশি নিরাপদ। এটি গলাব্যথা বা হঠাৎ ঠান্ডার হাত থেকে রক্ষা করে।
নিচে তীব্র গরমে সুস্থ থাকার ১০টি কার্যকরী উপায় দেওয়া হলো:
১. পর্যাপ্ত পানি পান করুন
গরমে শরীর থেকে প্রচুর ঘাম বের হয়ে যায়, যা পানিশূন্যতা তৈরি করে। তৃষ্ণা না পেলেও দিনে অন্তত ৩-৪ লিটার পানি পান করার চেষ্টা করুন। ডাবের পানি, লেবুর শরবত, জিরা পানি বা স্যালাইন শরীরের জন্য বেশ উপকারী।
২. বাইরে বের হওয়ার প্রস্তুতি
খুব জরুরি কাজ না থাকলে বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বাইরে না যাওয়াই ভালো। এ সময় সূর্যের তাপ ও আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মির তীব্রতা সবচেয়ে বেশি থাকে। বাইরে বের হলে অবশ্যই ছাতা, টুপি বা সানগ্লাস এবং ত্বকের সুরক্ষায় সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।
৩. পোশাক নির্বাচনে সচেতনতা
গরমে আঁটসাঁট বা সিন্থেটিক কাপড় এড়িয়ে চলুন। হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতি কাপড় পরুন যা ঘাম শুষে নেয় এবং শরীরে বাতাস চলাচলে সাহায্য করে। মনে রাখবেন, হালকা রঙের পোশাক তাপ কম শোষণ করে।
৪. খাবারের দিকে নজর দিন
সহজে হজম হয় এমন টাটকা খাবার খান। অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার, ভাজাপোড়া এবং বাসি খাবার পুরোপুরি এড়িয়ে চলুন। খাদ্যতালিকায় শসা, তরমুজ, বাঙ্গি এবং লাউয়ের মতো পানিজাতীয় ফল ও সবজি বেশি করে রাখার চেষ্টা করুন।
৫. চা ও কফি এড়িয়ে চলুন
অতিরিক্ত চা বা কফি শরীরে পানিশূন্যতা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই গরমে ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়গুলো যতটা সম্ভব কম পান করা ভালো। এর বদলে ডাব বা প্রাকৃতিক ফলের রস বেছে নিন।
৬. বাইরের খাবার ও পানীয় বর্জন
রাস্তার ধারে বিক্রি হওয়া শরবত, কাটা ফল, খোলা পানি বা বেভারেজ ইত্যাদি এড়িয়ে চলুন। এগুলো তাৎক্ষণিকভাবে স্বস্তির মনে হলেও অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর এবং পানিবাহিত রোগের প্রধান কারণ।
৭. নিয়মিত গোসল ও পরিচ্ছন্নতা
অতিরিক্ত গরমে ঘামাচি ও ত্বকের সমস্যা বাড়ে। এ থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন অন্তত দুবার গোসল করা প্রয়োজন। শরীর জীবাণুমুক্ত রাখতে প্রতিদিন অন্তত একবার গোসলের সময় সাবান ব্যবহার করুন।
৮. পর্যাপ্ত বিশ্রাম
গরমে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যায়। তাই রাতে অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করুন। দিনে খুব বেশি পরিশ্রমের কাজ একটানা না করে মাঝে মাঝে বিরতি নিন এবং ছায়াযুক্ত স্থানে বিশ্রাম নিন।
৯. হিটস্ট্রোকের লক্ষণ বুঝুন
মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, তীব্র মাথাব্যথা বা শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে দ্রুত ঠান্ডা জায়গায় চলে যান এবং মাথায় পানি দিন। অবস্থা গুরুতর মনে হলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।
১০. শরীরের তাপমাত্রার দিকে খেয়াল রাখা
প্রচণ্ড রোদ থেকে এসেই সাথে সাথে গোসল করবেন না বা এসির নিচে বসবেন না। আগে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় শরীরকে মানিয়ে নিতে দিন, তারপর ঠান্ডা হওয়ার ব্যবস্থা করুন।
একটি বোনাস টিপস: ফ্রিজের একদম বরফ ঠান্ডা পানি সরাসরি পান না করে সাধারণ তাপমাত্রার পানির সাথে মিশিয়ে পান করা শরীরের জন্য বেশি নিরাপদ। এটি গলাব্যথা বা হঠাৎ ঠান্ডার হাত থেকে রক্ষা করে।
হৃদুয়ান ইসলাম রেজা
লোড হচ্ছে...