নারায়ণগঞ্জ
না.গঞ্জে নিয়ন্ত্রণহীন ডেঙ্গু, ২৪ ঘণ্টায় ১৭ জন আক্রান্ত
NewsView

নারায়ণগঞ্জ জেলায় ডেঙ্গু জ্বরের তাণ্ডব এখন জনস্বাস্থ্যের চরম বিপর্যয় ডেকে এনেছে। বর্ষা মৌসুম বিদায় নিলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্বাস্থ্য বিভাগ কার্যত ব্যর্থ হয়েছে। এর মধ্যেই জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে, যা জেলাবাসীর উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে রীতিমতো কাঁপিয়ে দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার, ৭ নভেম্বর পর্যন্ত) জেলায় রেকর্ড সংখ্যক ১৭ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এক দিনের এই বিস্ফোরণের ফলে চলতি বছরে মোট আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে উদ্বেগজনক ১ হাজার ১৯১৫ জনে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দৈনিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি নভেম্বর মাসেই এখন পর্যন্ত মোট ১৬৭ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তবে গত চব্বিশ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কোনো নতুন মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেনি স্বাস্থ্য বিভাগ।
বিশেষজ্ঞরা গভীর আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, মশা নিধন কার্যক্রমের দুর্বলতা এবং শুষ্ক মৌসুমেও রোগের এই ঊর্ধ্বগতি চরম বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে মশার উপদ্রব অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
নতুন শনাক্ত হওয়া রোগীরা নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতাল, সদর জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। হাসপাতালে রোগীর চাপ ক্রমশ বাড়ছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্ক করে জানিয়েছে, "দ্রুত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।"
যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন (মোট সুস্থ ১ হাজার ৮৪৩ জন), তবুও হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে রীতিমতো কাঁপিয়ে দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার, ৭ নভেম্বর পর্যন্ত) জেলায় রেকর্ড সংখ্যক ১৭ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এক দিনের এই বিস্ফোরণের ফলে চলতি বছরে মোট আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে উদ্বেগজনক ১ হাজার ১৯১৫ জনে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দৈনিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি নভেম্বর মাসেই এখন পর্যন্ত মোট ১৬৭ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তবে গত চব্বিশ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কোনো নতুন মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেনি স্বাস্থ্য বিভাগ।
বিশেষজ্ঞরা গভীর আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, মশা নিধন কার্যক্রমের দুর্বলতা এবং শুষ্ক মৌসুমেও রোগের এই ঊর্ধ্বগতি চরম বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে মশার উপদ্রব অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
নতুন শনাক্ত হওয়া রোগীরা নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতাল, সদর জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। হাসপাতালে রোগীর চাপ ক্রমশ বাড়ছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্ক করে জানিয়েছে, "দ্রুত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।"
যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন (মোট সুস্থ ১ হাজার ৮৪৩ জন), তবুও হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।
লোড হচ্ছে...