জাতীয়
গানকে কোনো বিশেষ বিভাজনে বাঁধতে চাই না: অমল আকাশ
NewsView

নিউজভিউ
গানকে বিশেষ কোনো বিভাজনে বাঁধতে চাই না। আমি, আমাদের দল যে গান করে এটি তার সময়কেই ধারণ করে যায়। এটি বাংলা গান।
এমন মন্তব্যই করেছেন সময়ের শিল্পী অমল আকাশ।
কবি কাজল কাননের ‘একুশে একক বইমেলা (অনলাইন) উদ্বোধনীতে গানগাওয়াকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। একই মঞ্চে গানে করেছে সমগীতের কিশোরব্যান্ড গঙ্গাফড়িং।
১ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৫টায় নারায়ণগঞ্জের আলী আহাম্মদ চুনকা নগর পাঠাগার ও মিলনায়তনে কাজলকানন ডটকম (kajalkanan.com) এই উদ্বোধনী আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে অমল আকাশ তার একটি নতুন গান করেন, যেটি তিনি মঞ্চে প্রথম করেন। ‘হদয় মাঝে হৃদয় লয়ে বসে আছো তুমি’- গানটি শ্রোতাদের মনে গান হয়েই যেন মিশেছে। গানচলাকালে তেমন মুগ্ধতা ছিল হলঘরে। নারী, পুরুষ, শিশু সবাই কেউ কথায় কেউ তালে কেউ সুরে ছিলেন।
এছাড়া গঙ্গাফড়িংয়ের পরিবেশা ছিলো খুবই ড্যাশিং। দুর্দান্ত প্রলয় তুলে এই কিশোরদল মাতিয়েছেন শ্রোতাদের। তাদের গনা ও কথার অভিনবত্ব বাংলা সংগীতচিন্তার আরও একটি মুখ হয়ে উঠতে পারে।
আয়োজনের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করেন কাজল কানন।
মেলা উদ্বোধন করেন গার্মেন্টস শ্রমিক সুমা বেগম সুমি। সম্মান গ্রহণ করেন ফুটপাতের বইদোকানি- উৎফল রায়, দেলোয়ার হোসেন ও আব্দুল মজিদ। তাদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন অনুষ্ঠানের সভাপতি শিল্পী ও জনচিন্তক রফিউর রাব্বি।
‘ফুটপাতের বইওয়ালf’ বিষয়ে আলোচনা করেন লেখক ও সাংবাদিক জাহাঙ্গীর সুর। অনুষ্ঠানে গান করেন সময়ের শিল্পী অমল আকাশ ও কিশোর ব্যান্ড গঙ্গাফড়িং।
অনুষ্ঠানে কাজল কাননের নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘রূহের ভিতর বহিছে তার দিদার’পাঠ উন্মোচিত হয়। বইটির প্রচ্ছদ করেছেন,শিল্পী খন্দকার নাছির আহাম্মদ।
সভাপতির বক্তব্যে রফিউর রাব্বি বলেন, “অনলাইনে এই বই মেলা ও এমন অফলাইন আয়োজন ব্যতিক্রম। আমাদের দেশে বা বিশ্বে এর আগে কখনো হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। এটা কাজল কাননের একটি নির্বাচিতসহ দশম বই।
তিনি বলেন, ‘আজকের দুঃখজনক বিষয় হলো, আমাদের সংস্কৃতির একটা বড় অংশ হয়ে উঠেছিলো একুশে বই মেলা। আমাদের অপেক্ষা থাকতো এই বই মেলার জন্য। এটা এবার যথা সময়ে হচ্ছে না নির্বাচনের দোহাই দিয়ে। ‘‘কাজল কানন তার আলোচনায় বলেছেন, নির্বাচনের কারণে কোনো কিছুই বন্ধ নেই। তাহলে বই মেলা বন্ধ হওয়ার কারণ কী?’’ আসলে এটার যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই। রাজনৈতিক কারণে গ্রন্থ মেলার চরিত্রটি নষ্ট হয়ে গেছে।’ যোগ করেন তিনি।
আলোচক জাহাঙ্গীর সুর বলেন, ‘ফুটপাতের বই বিক্রেতাদের সঙ্গে আমার একটা প্রেম আছে। ২০১১ সালের পর থেকে আমার ব্যক্তিত্ব বিনির্মাণে যাদের ভূমিকা আছে তাদের মধ্যে বই বিক্রেতার ভূমিকা আমার শ্রেণিশিক্ষকের সমতুল্য। আমার লাইফে একটা ইচ্ছা আছে আমি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করবো, কিন্তু ২য় ডিগ্রিটা করবো ফুটপাতের বই ওয়ালাদের নিয়ে।’ স্বাগত বক্তব্য রাখেন, শ্রুতির সভাপতি ধীমান সাহা জুয়েল, আরও আলোচনা করেন কবি ও শিল্পী আহমেদ বাবলু।
অনুষ্ঠানে কাজল কাননের কবিতা থেকে আবৃত্তি করেন সৌরি ছোঁয়া,গান পরিবেশন করেন শিল্পী অমল আকাশ ও কিশোর ব্যান্ড দল ‘গঙ্গাফড়িং।’ গানের ফাঁকে কাজল কানন ও আয়োজন সম্পর্কে কথাও বলেন অমল আকাশ। গানে গানে শেষ হয় আয়োজন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন চিত্রশিল্পী সুমনা আক্তার।
আয়োজকরা জানান, এই মেলার বইয়ের পিডিএফ কেনা যাবে kajalkanan.com থেকে।
ব্যতিক্রমী উদ্বোধনে
কাজল কাননের ‘একুশে একক অনলাইন বইমেলা’শুরু
নিউজভিউ
এক ব্যতিক্রমী আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদ্বোধন হলো কবি কাজল কাননের ‘একুশে একক বইমেলা (অনলাইন)। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টায় নারায়ণগঞ্জের আলী আহাম্মদ চুনকা নগর পাঠাগার ও মিলনায়তনে কাজলকানন ডটকম (kajalkanan.com) এই উদ্বোধনীর আয়োজন করে।
মেলা উদ্বোধন করেন গার্মেন্টস শ্রমিক সুমা বেগম সুমি। সম্মান গ্রহণ করেন ফুটপাতের বইদোকানি- উৎফল রায়, দেলোয়ার হোসেন ও আব্দুল মজিদ। তাদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন অনুষ্ঠানের সভাপতি শিল্পী ও জনচিন্তক রফিউর রাব্বি।
‘ফুটপাতের বইওয়াল’ বিষয়ে আলোচনা করেন লেখক ও সাংবাদিক জাহাঙ্গীর সুর।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কাজল কাননের নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘রূহের ভিতর বহিছে তার দিদার’-এর পাঠ উন্মোচন হয়। বইটির প্রচ্ছদ করেছেন, শিল্পী খন্দকার নাছির আহাম্মদ।
সভাপতির বক্তব্যে রফিউর রাব্বি বলেন, “অনলাইনে বই মেলা একটি ও এ ধরনের অফলাইন আয়োজন ব্যতিক্রম। আমাদের দেশে বা বিশ্বে এর আগে কখনো হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। এটা কাজল কাননের একটি নির্বাচিতসহ দশম বই।
তিনি বলেন, আজকের দুঃখজনক বিষয় হলো আমাদের সংস্কৃতির একটা বড় অংশ হয়ে উঠেছিলো একুশে বই মেলা। আমাদের অপেক্ষা থাকতো এই বই মেলার। এটা এবার যথা সময়ে হচ্ছে না নির্বাচনের দোহাই দিয়ে। ‘কাজল কানন তার আলোচনায় বলেছেন, নির্বাচনের কারণে কোনো কিছুই বন্ধ নেই। তাহলে বই মেলা বন্ধ হওয়ার কারণ কী? আসলে এটার যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই। রাজনৈতিক কারণে গ্রন্থ মেলার চরিত্রটি নষ্ট হয়ে গেছে।”
আলোচক জাহাঙ্গীর সুর বলেন, “ফুটপাতের বই বিক্রেতাদের সঙ্গে আমার একটা প্রেম আছে। ২০১১ সালের পর থেকে আমার ব্যক্তিত্ব বিনির্মাণে যাদের ভূমিকা আছে তাদের মধ্যে বই বিক্রেতার ভূমিকা আমার শ্রেণিশিক্ষকের সমতুল্য। আমার লাইফে একটা ইচ্ছা আছে আমি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করবো, কিন্তু ২য় ডিগ্রিটা করবো ফুটপাতের বই ওয়ালাদের নিয়ে। ” স্বাগত বক্তব্য রাখেন, শ্রুতির সভাপতি ধীমান সাহা জুয়েল, আরও আলোচনা করেন, কবি ও শিল্পী আহমেদ বাবলু।
অনুষ্ঠানে কাজল কাননের কবিতা থেকে আবৃত্তি করেন সৌরি ছোঁয়া,গান পরিবেশন করেন শিল্পী অমল আকাশ ও কিশোর ব্যান্ড দল ‘গঙ্গাফড়িং।’ এ সময় গানের ফাঁকে কাজল কানন ও আয়োজন সম্পর্কে কথাও বলেন অমল আকাশ। গানে গানে শেষ হয় আয়োজন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন চিত্রশিল্পী সুমনা আক্তার।
আয়োজকরা জানান, এই মেলার বইয়ের পিডিএফ কেনা যাবে kajalkanan.com থেকে।
গানকে বিশেষ কোনো বিভাজনে বাঁধতে চাই না। আমি, আমাদের দল যে গান করে এটি তার সময়কেই ধারণ করে যায়। এটি বাংলা গান।
এমন মন্তব্যই করেছেন সময়ের শিল্পী অমল আকাশ।
কবি কাজল কাননের ‘একুশে একক বইমেলা (অনলাইন) উদ্বোধনীতে গানগাওয়াকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। একই মঞ্চে গানে করেছে সমগীতের কিশোরব্যান্ড গঙ্গাফড়িং।
১ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৫টায় নারায়ণগঞ্জের আলী আহাম্মদ চুনকা নগর পাঠাগার ও মিলনায়তনে কাজলকানন ডটকম (kajalkanan.com) এই উদ্বোধনী আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে অমল আকাশ তার একটি নতুন গান করেন, যেটি তিনি মঞ্চে প্রথম করেন। ‘হদয় মাঝে হৃদয় লয়ে বসে আছো তুমি’- গানটি শ্রোতাদের মনে গান হয়েই যেন মিশেছে। গানচলাকালে তেমন মুগ্ধতা ছিল হলঘরে। নারী, পুরুষ, শিশু সবাই কেউ কথায় কেউ তালে কেউ সুরে ছিলেন।
এছাড়া গঙ্গাফড়িংয়ের পরিবেশা ছিলো খুবই ড্যাশিং। দুর্দান্ত প্রলয় তুলে এই কিশোরদল মাতিয়েছেন শ্রোতাদের। তাদের গনা ও কথার অভিনবত্ব বাংলা সংগীতচিন্তার আরও একটি মুখ হয়ে উঠতে পারে।
আয়োজনের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করেন কাজল কানন।
মেলা উদ্বোধন করেন গার্মেন্টস শ্রমিক সুমা বেগম সুমি। সম্মান গ্রহণ করেন ফুটপাতের বইদোকানি- উৎফল রায়, দেলোয়ার হোসেন ও আব্দুল মজিদ। তাদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন অনুষ্ঠানের সভাপতি শিল্পী ও জনচিন্তক রফিউর রাব্বি।
‘ফুটপাতের বইওয়ালf’ বিষয়ে আলোচনা করেন লেখক ও সাংবাদিক জাহাঙ্গীর সুর। অনুষ্ঠানে গান করেন সময়ের শিল্পী অমল আকাশ ও কিশোর ব্যান্ড গঙ্গাফড়িং।
অনুষ্ঠানে কাজল কাননের নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘রূহের ভিতর বহিছে তার দিদার’পাঠ উন্মোচিত হয়। বইটির প্রচ্ছদ করেছেন,শিল্পী খন্দকার নাছির আহাম্মদ।
সভাপতির বক্তব্যে রফিউর রাব্বি বলেন, “অনলাইনে এই বই মেলা ও এমন অফলাইন আয়োজন ব্যতিক্রম। আমাদের দেশে বা বিশ্বে এর আগে কখনো হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। এটা কাজল কাননের একটি নির্বাচিতসহ দশম বই।
তিনি বলেন, ‘আজকের দুঃখজনক বিষয় হলো, আমাদের সংস্কৃতির একটা বড় অংশ হয়ে উঠেছিলো একুশে বই মেলা। আমাদের অপেক্ষা থাকতো এই বই মেলার জন্য। এটা এবার যথা সময়ে হচ্ছে না নির্বাচনের দোহাই দিয়ে। ‘‘কাজল কানন তার আলোচনায় বলেছেন, নির্বাচনের কারণে কোনো কিছুই বন্ধ নেই। তাহলে বই মেলা বন্ধ হওয়ার কারণ কী?’’ আসলে এটার যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই। রাজনৈতিক কারণে গ্রন্থ মেলার চরিত্রটি নষ্ট হয়ে গেছে।’ যোগ করেন তিনি।
আলোচক জাহাঙ্গীর সুর বলেন, ‘ফুটপাতের বই বিক্রেতাদের সঙ্গে আমার একটা প্রেম আছে। ২০১১ সালের পর থেকে আমার ব্যক্তিত্ব বিনির্মাণে যাদের ভূমিকা আছে তাদের মধ্যে বই বিক্রেতার ভূমিকা আমার শ্রেণিশিক্ষকের সমতুল্য। আমার লাইফে একটা ইচ্ছা আছে আমি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করবো, কিন্তু ২য় ডিগ্রিটা করবো ফুটপাতের বই ওয়ালাদের নিয়ে।’ স্বাগত বক্তব্য রাখেন, শ্রুতির সভাপতি ধীমান সাহা জুয়েল, আরও আলোচনা করেন কবি ও শিল্পী আহমেদ বাবলু।
অনুষ্ঠানে কাজল কাননের কবিতা থেকে আবৃত্তি করেন সৌরি ছোঁয়া,গান পরিবেশন করেন শিল্পী অমল আকাশ ও কিশোর ব্যান্ড দল ‘গঙ্গাফড়িং।’ গানের ফাঁকে কাজল কানন ও আয়োজন সম্পর্কে কথাও বলেন অমল আকাশ। গানে গানে শেষ হয় আয়োজন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন চিত্রশিল্পী সুমনা আক্তার।
আয়োজকরা জানান, এই মেলার বইয়ের পিডিএফ কেনা যাবে kajalkanan.com থেকে।
ব্যতিক্রমী উদ্বোধনে
কাজল কাননের ‘একুশে একক অনলাইন বইমেলা’শুরু
নিউজভিউ
এক ব্যতিক্রমী আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদ্বোধন হলো কবি কাজল কাননের ‘একুশে একক বইমেলা (অনলাইন)। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টায় নারায়ণগঞ্জের আলী আহাম্মদ চুনকা নগর পাঠাগার ও মিলনায়তনে কাজলকানন ডটকম (kajalkanan.com) এই উদ্বোধনীর আয়োজন করে।
মেলা উদ্বোধন করেন গার্মেন্টস শ্রমিক সুমা বেগম সুমি। সম্মান গ্রহণ করেন ফুটপাতের বইদোকানি- উৎফল রায়, দেলোয়ার হোসেন ও আব্দুল মজিদ। তাদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন অনুষ্ঠানের সভাপতি শিল্পী ও জনচিন্তক রফিউর রাব্বি।
‘ফুটপাতের বইওয়াল’ বিষয়ে আলোচনা করেন লেখক ও সাংবাদিক জাহাঙ্গীর সুর।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কাজল কাননের নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘রূহের ভিতর বহিছে তার দিদার’-এর পাঠ উন্মোচন হয়। বইটির প্রচ্ছদ করেছেন, শিল্পী খন্দকার নাছির আহাম্মদ।
সভাপতির বক্তব্যে রফিউর রাব্বি বলেন, “অনলাইনে বই মেলা একটি ও এ ধরনের অফলাইন আয়োজন ব্যতিক্রম। আমাদের দেশে বা বিশ্বে এর আগে কখনো হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। এটা কাজল কাননের একটি নির্বাচিতসহ দশম বই।
তিনি বলেন, আজকের দুঃখজনক বিষয় হলো আমাদের সংস্কৃতির একটা বড় অংশ হয়ে উঠেছিলো একুশে বই মেলা। আমাদের অপেক্ষা থাকতো এই বই মেলার। এটা এবার যথা সময়ে হচ্ছে না নির্বাচনের দোহাই দিয়ে। ‘কাজল কানন তার আলোচনায় বলেছেন, নির্বাচনের কারণে কোনো কিছুই বন্ধ নেই। তাহলে বই মেলা বন্ধ হওয়ার কারণ কী? আসলে এটার যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই। রাজনৈতিক কারণে গ্রন্থ মেলার চরিত্রটি নষ্ট হয়ে গেছে।”
আলোচক জাহাঙ্গীর সুর বলেন, “ফুটপাতের বই বিক্রেতাদের সঙ্গে আমার একটা প্রেম আছে। ২০১১ সালের পর থেকে আমার ব্যক্তিত্ব বিনির্মাণে যাদের ভূমিকা আছে তাদের মধ্যে বই বিক্রেতার ভূমিকা আমার শ্রেণিশিক্ষকের সমতুল্য। আমার লাইফে একটা ইচ্ছা আছে আমি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করবো, কিন্তু ২য় ডিগ্রিটা করবো ফুটপাতের বই ওয়ালাদের নিয়ে। ” স্বাগত বক্তব্য রাখেন, শ্রুতির সভাপতি ধীমান সাহা জুয়েল, আরও আলোচনা করেন, কবি ও শিল্পী আহমেদ বাবলু।
অনুষ্ঠানে কাজল কাননের কবিতা থেকে আবৃত্তি করেন সৌরি ছোঁয়া,গান পরিবেশন করেন শিল্পী অমল আকাশ ও কিশোর ব্যান্ড দল ‘গঙ্গাফড়িং।’ এ সময় গানের ফাঁকে কাজল কানন ও আয়োজন সম্পর্কে কথাও বলেন অমল আকাশ। গানে গানে শেষ হয় আয়োজন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন চিত্রশিল্পী সুমনা আক্তার।
আয়োজকরা জানান, এই মেলার বইয়ের পিডিএফ কেনা যাবে kajalkanan.com থেকে।
লোড হচ্ছে...