নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জে ডেঙ্গু আক্রান্ত বেড়ে ৩২০ জন
NewsView

ডেঙ্গু জ্বরের তাণ্ডবে নারায়ণগঞ্জ জেলা এখন জনস্বাস্থ্যের চরম বিপর্যয়ের মুখে। বর্ষাকাল বিদায় নিলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হওয়ায় উদ্বেগ চরমে পৌঁছেছে। নভেম্বর মাসের প্রথম দুই সপ্তাহেই (১৪ দিনে) ৩২০ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন, যা স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগকে রীতিমতো কাঁপিয়ে দিয়েছে।
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দৈনিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক ১০ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একদিনের এই উল্লম্ফনের ফলে চলতি বছরে জেলায় মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে উদ্বেগজনক ১ হাজার ২০৬৮ জনে।
স্বাস্থ্য বিভাগ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে জেলায় প্রথম মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করার পর থেকেই জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোনো মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেনি স্বাস্থ্য বিভাগ, তবুও অনিয়ন্ত্রিত এই দাপটে জেলাবাসী কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, শুষ্ক মৌসুমেও রোগের এই অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি চরম বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে মশার উপদ্রব অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। তাঁরা মশা নিধন কার্যক্রমে দুর্বলতাকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন।
নতুন শনাক্ত হওয়া রোগীরা নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতাল, সদর জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর চাপ ক্রমশ বাড়ছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও, মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা এখন ২ হাজার ২২ জন। স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্ক করে জানিয়েছে, দ্রুত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দৈনিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক ১০ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একদিনের এই উল্লম্ফনের ফলে চলতি বছরে জেলায় মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে উদ্বেগজনক ১ হাজার ২০৬৮ জনে।
স্বাস্থ্য বিভাগ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে জেলায় প্রথম মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করার পর থেকেই জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোনো মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেনি স্বাস্থ্য বিভাগ, তবুও অনিয়ন্ত্রিত এই দাপটে জেলাবাসী কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, শুষ্ক মৌসুমেও রোগের এই অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি চরম বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে মশার উপদ্রব অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। তাঁরা মশা নিধন কার্যক্রমে দুর্বলতাকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন।
নতুন শনাক্ত হওয়া রোগীরা নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতাল, সদর জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর চাপ ক্রমশ বাড়ছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও, মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা এখন ২ হাজার ২২ জন। স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্ক করে জানিয়েছে, দ্রুত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
লোড হচ্ছে...