রাজনীতি
২৪ ঘণ্টার মাথায় সিদ্ধান্ত বদল, সেন্টুর বহিষ্কারাদেশ বহাল রাখল বিএনপি
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মনিরুল আলম সেন্টুর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে বিএনপি। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) এক সংশোধনী বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাঁর বহিষ্কারাদেশ পুনরায় বহাল রাখার ঘোষণা দেয় দলটি।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ভুলবশত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মনিরুল আলম সেন্টুর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছিল। তবে সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো হচ্ছে যে, সেন্টুর বহিষ্কারাদেশ আগের মতোই বহাল থাকবে।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামী লীগের তৎকালীন সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের পক্ষে সরাসরি নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে সেন্টুর বিরুদ্ধে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে সে বছরই বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পদ থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
পরবর্তীতে ২০২১ সালের ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনিরুল আলম সেন্টু আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে নৌকা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। একজন ‘নৌকা মার্কার’ চেয়ারম্যানকে পুনরায় বিএনপিতে ফিরিয়ে নেওয়ার খবরটি গত বৃহস্পতিবার প্রকাশ হওয়ার পর স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় বিএনপিতে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে। তৃণমূল নেতাকর্মীদের ক্ষোভের মুখে মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে তাঁর বহিষ্কারাদেশ বহাল রাখার নতুন সিদ্ধান্ত জানানো হলো।
নারায়ণগঞ্জ জেলা ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ নেতাকর্মীদের মতে, ৫ আগস্ট পরবর্তী প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে দলে ফেরানো হলে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হতো। কেন্দ্রীয় বিএনপির এই দ্রুত সংশোধনী সিদ্ধান্তকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে স্বাগত জানানো হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মনিরুল আলম সেন্টুর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে বিএনপি। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) এক সংশোধনী বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাঁর বহিষ্কারাদেশ পুনরায় বহাল রাখার ঘোষণা দেয় দলটি।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ভুলবশত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মনিরুল আলম সেন্টুর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছিল। তবে সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো হচ্ছে যে, সেন্টুর বহিষ্কারাদেশ আগের মতোই বহাল থাকবে।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামী লীগের তৎকালীন সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের পক্ষে সরাসরি নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে সেন্টুর বিরুদ্ধে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে সে বছরই বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পদ থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
পরবর্তীতে ২০২১ সালের ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনিরুল আলম সেন্টু আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে নৌকা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। একজন ‘নৌকা মার্কার’ চেয়ারম্যানকে পুনরায় বিএনপিতে ফিরিয়ে নেওয়ার খবরটি গত বৃহস্পতিবার প্রকাশ হওয়ার পর স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় বিএনপিতে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে। তৃণমূল নেতাকর্মীদের ক্ষোভের মুখে মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে তাঁর বহিষ্কারাদেশ বহাল রাখার নতুন সিদ্ধান্ত জানানো হলো।
নারায়ণগঞ্জ জেলা ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ নেতাকর্মীদের মতে, ৫ আগস্ট পরবর্তী প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে দলে ফেরানো হলে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হতো। কেন্দ্রীয় বিএনপির এই দ্রুত সংশোধনী সিদ্ধান্তকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে স্বাগত জানানো হয়েছে।
লোড হচ্ছে...