আন্তর্জাতিক
বিশ্বের বড় জ্বালানি আমদানিকারক চীন
হরমুজ প্রণালী খোলা রাখতে চাপ চীনের
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় চীন ইরানকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত না করার জন্য এবং বিশেষ করে কাতারের জ্বালানি রপ্তানি বাধাগ্রস্ত না করতে চাপ দিচ্ছে। সূত্র: ব্লাম-বার্গ।
চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত গ্যাস কোম্পানিগুলোর কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নির্বাহী জানিয়েছেন, বেইজিং ইরানকে অনুরোধ করেছে যেন হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়া তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG)বাহী ট্যাংকারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু না করা হয় এবং কাতারের মতো গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি কেন্দ্রেও হামলা না চালানো হয়।
চীন ইরানের তেলের বড় অংশ কিনে থাকে, যা তেহরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সহায়তা। তবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জ্বালানি আমদানিকারক দেশ হিসেবে চীন পারস্য উপসাগর অঞ্চলের সরবরাহের ওপর আরও বিস্তৃতভাবে নির্ভরশীল, কারণ এই পথ দিয়েই বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও এলএনজি পরিবহন হয়। বিশেষ করে কাতার বৈশ্বিক এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ দেয় এবং চীনের এলএনজি আমদানির প্রায় ৩০ শতাংশ আসে এই দেশ থেকে। যুক্তরাষ্ট্রের পর কাতার বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এলএনজি উৎপাদক। বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান কে-প্লার এর তথ্য অনুযায়ী, কাতারের এলএনজি রপ্তানির ৮০ শতাংশেরও বেশি কিনে থাকে এশিয়ার দেশগুলো।
এদিকে রয়টার্স জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়া এবং কাতারের উৎপাদন থেমে যাওয়ার পর এশিয়ার দেশগুলো বিকল্প জ্বালানি উৎস খুঁজতে শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে ইন্ডিয়া গ্যাস ব্যবহারে রেশনিং চালু করেছে।
বাংলাদেশ সহ পাকিস্তান, জাপান ও তাইওয়ানের সরকারি কর্মকর্তা ও জ্বালানি খাতের নির্বাহীরা বলেছেন—তাৎক্ষণিক বড় প্রভাব তারা আশা করছেন না, কারণ এই মাসে আসার কথা থাকা কিছু কার্গো ইতিমধ্যে বন্দরে পৌঁছে গেছে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘ হলে তারা বিকল্প আমদানি উৎসের কথা চিন্তা করবেন এবং স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনার কথা ভাবছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং পরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর থেকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাংকার চলাচল অনেকটাই থমকে গেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানি কর্মকর্তাদের বক্তব্য সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালী এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়নি।
সোমবার ইরানের ড্রোন হামলার পর কাতারের "রাস লা-ফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি" এর উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় এলএনজি রপ্তানি কেন্দ্র এবং প্রায় তিন দশকের কার্যক্রমে এই প্রথম পুরোপুরি বন্ধ হলো। চীনের জ্বালানি আমদানিকারকদের বলা হয়েছে, বেইজিং চায় যেন হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল অব্যাহত থাকে। এ বিষয়ে প্রকাশ্যে চীন খুব সীমিত মন্তব্য করেছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই সোমবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি কে বলেন, বেইজিং ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে, তবে তেহরানকে প্রতিবেশী দেশগুলোর “যৌক্তিক উদ্বেগ”এর কথাও বিবেচনায় নিতে হবে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বলেছেন, সংঘাতের বিস্তার নিয়ে চীন “গভীরভাবে উদ্বিগ্ন”।
বিশ্লেষকদের মতে, স্বল্পমেয়াদে চীনের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা নাও লাগতে পারে। তবে তেলের দাম বাড়তে থাকলে তা দেশটির মুদ্রাস্ফীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করতে পারে।
উল্লেখ্য যে, মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, তিনি মার্কিন ইউ-এস ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স কর্পোরেশন কে পারস্য উপসাগর দিয়ে চলাচলকারী সামুদ্রিক বাণিজ্যের জন্য রাজনৈতিক ঝুঁকি বীমা ও গ্যারান্টি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রয়োজন হলে ট্যাংকারগুলোকে মার্কিন নৌবাহিনী এসকর্ট দেবে বলেও তিনি জানান।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় চীন ইরানকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত না করার জন্য এবং বিশেষ করে কাতারের জ্বালানি রপ্তানি বাধাগ্রস্ত না করতে চাপ দিচ্ছে। সূত্র: ব্লাম-বার্গ।
চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত গ্যাস কোম্পানিগুলোর কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নির্বাহী জানিয়েছেন, বেইজিং ইরানকে অনুরোধ করেছে যেন হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়া তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG)বাহী ট্যাংকারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু না করা হয় এবং কাতারের মতো গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি কেন্দ্রেও হামলা না চালানো হয়।
চীন ইরানের তেলের বড় অংশ কিনে থাকে, যা তেহরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সহায়তা। তবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জ্বালানি আমদানিকারক দেশ হিসেবে চীন পারস্য উপসাগর অঞ্চলের সরবরাহের ওপর আরও বিস্তৃতভাবে নির্ভরশীল, কারণ এই পথ দিয়েই বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও এলএনজি পরিবহন হয়। বিশেষ করে কাতার বৈশ্বিক এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ দেয় এবং চীনের এলএনজি আমদানির প্রায় ৩০ শতাংশ আসে এই দেশ থেকে। যুক্তরাষ্ট্রের পর কাতার বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এলএনজি উৎপাদক। বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান কে-প্লার এর তথ্য অনুযায়ী, কাতারের এলএনজি রপ্তানির ৮০ শতাংশেরও বেশি কিনে থাকে এশিয়ার দেশগুলো।
এদিকে রয়টার্স জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়া এবং কাতারের উৎপাদন থেমে যাওয়ার পর এশিয়ার দেশগুলো বিকল্প জ্বালানি উৎস খুঁজতে শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে ইন্ডিয়া গ্যাস ব্যবহারে রেশনিং চালু করেছে।
বাংলাদেশ সহ পাকিস্তান, জাপান ও তাইওয়ানের সরকারি কর্মকর্তা ও জ্বালানি খাতের নির্বাহীরা বলেছেন—তাৎক্ষণিক বড় প্রভাব তারা আশা করছেন না, কারণ এই মাসে আসার কথা থাকা কিছু কার্গো ইতিমধ্যে বন্দরে পৌঁছে গেছে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘ হলে তারা বিকল্প আমদানি উৎসের কথা চিন্তা করবেন এবং স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনার কথা ভাবছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং পরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর থেকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাংকার চলাচল অনেকটাই থমকে গেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানি কর্মকর্তাদের বক্তব্য সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালী এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়নি।
সোমবার ইরানের ড্রোন হামলার পর কাতারের "রাস লা-ফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি" এর উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় এলএনজি রপ্তানি কেন্দ্র এবং প্রায় তিন দশকের কার্যক্রমে এই প্রথম পুরোপুরি বন্ধ হলো। চীনের জ্বালানি আমদানিকারকদের বলা হয়েছে, বেইজিং চায় যেন হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল অব্যাহত থাকে। এ বিষয়ে প্রকাশ্যে চীন খুব সীমিত মন্তব্য করেছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই সোমবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি কে বলেন, বেইজিং ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে, তবে তেহরানকে প্রতিবেশী দেশগুলোর “যৌক্তিক উদ্বেগ”এর কথাও বিবেচনায় নিতে হবে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বলেছেন, সংঘাতের বিস্তার নিয়ে চীন “গভীরভাবে উদ্বিগ্ন”।
বিশ্লেষকদের মতে, স্বল্পমেয়াদে চীনের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা নাও লাগতে পারে। তবে তেলের দাম বাড়তে থাকলে তা দেশটির মুদ্রাস্ফীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করতে পারে।
উল্লেখ্য যে, মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, তিনি মার্কিন ইউ-এস ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স কর্পোরেশন কে পারস্য উপসাগর দিয়ে চলাচলকারী সামুদ্রিক বাণিজ্যের জন্য রাজনৈতিক ঝুঁকি বীমা ও গ্যারান্টি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রয়োজন হলে ট্যাংকারগুলোকে মার্কিন নৌবাহিনী এসকর্ট দেবে বলেও তিনি জানান।
লোড হচ্ছে...