আন্তর্জাতিক
ভিডিও দেখার সময় নেই: শিক্ষার্থী নির্যাতন মামলায় ভারতের প্রধান বিচারপতি
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে চলমান ছাত্র আন্দোলন ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের ওপর দিল্লি পুলিশের হামলার অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে জরুরি শুনানির আবেদন করা হলেও প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
বুধবার সুপ্রিম কোর্টে শিক্ষার্থীদের পক্ষে এক আইনজীবী দাবি করেন, পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের ভিডিও তাঁদের কাছে রয়েছে এবং আদালতকে তা দেখার অনুরোধ জানান। জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমাদের সময় নষ্ট করবেন না এবং নিজের সময়ও নষ্ট করবেন না।” পরে তিনি আরও বলেন, “ভিডিও দেখার সময় আমাদের নেই।”
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) নামে একটি তরুণদের সংগঠন। সংগঠনটি ২০২৬ সালের মে মাসে গঠিত হয়। এর আগে এক শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বেকার ও রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় তরুণদের ‘ককরোচ’ বা তেলাপোকা এবং ‘পরজীবী’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। সেই মন্তব্যকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে নিজেদের পরিচয়ে ব্যবহার করে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ সংগঠনটি গড়ে তোলেন।
শিক্ষার্থীদের পক্ষের আইনজীবী আদালতে বলেন, আন্দোলনকারীরা ‘নিট’ পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিচালনা এবং ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরছেন। তবে তাঁর বক্তব্যের মাঝপথেই প্রধান বিচারপতি তাঁকে থামিয়ে দেন।
এর একদিন আগে দিল্লি হাইকোর্টও একই ধরনের একটি আবেদনের জরুরি শুনানি করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেছিল, “আদালতকে এর মধ্যে টানবেন না।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে দিল্লি পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ, লাঠিচার্জ এবং প্লাস্টিকের ব্যাটন ব্যবহার করেছে। এসব অভিযোগ নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনা বাড়ছে।
প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যার প্রতিবাদে রাজধানীর যন্তর মন্তর এলাকায় অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে সিজেপির সমর্থকেরা। সংসদ অভিমুখে পদযাত্রায় হাজার হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেন। গত সোমবার সংসদ অধিবেশন শুরুর আগে কিছু ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার পর নিরাপত্তা বাহিনী আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ ওঠে।
গত এক দশকে দিল্লিতে এটিকে সবচেয়ে বড় ছাত্র বিক্ষোভ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কংগ্রেসসহ বিভিন্ন বিরোধী দল আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই আন্দোলন এখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের জন্য বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে।
বুধবার সুপ্রিম কোর্টে শিক্ষার্থীদের পক্ষে এক আইনজীবী দাবি করেন, পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের ভিডিও তাঁদের কাছে রয়েছে এবং আদালতকে তা দেখার অনুরোধ জানান। জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমাদের সময় নষ্ট করবেন না এবং নিজের সময়ও নষ্ট করবেন না।” পরে তিনি আরও বলেন, “ভিডিও দেখার সময় আমাদের নেই।”
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) নামে একটি তরুণদের সংগঠন। সংগঠনটি ২০২৬ সালের মে মাসে গঠিত হয়। এর আগে এক শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বেকার ও রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় তরুণদের ‘ককরোচ’ বা তেলাপোকা এবং ‘পরজীবী’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। সেই মন্তব্যকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে নিজেদের পরিচয়ে ব্যবহার করে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ সংগঠনটি গড়ে তোলেন।
শিক্ষার্থীদের পক্ষের আইনজীবী আদালতে বলেন, আন্দোলনকারীরা ‘নিট’ পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিচালনা এবং ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরছেন। তবে তাঁর বক্তব্যের মাঝপথেই প্রধান বিচারপতি তাঁকে থামিয়ে দেন।
এর একদিন আগে দিল্লি হাইকোর্টও একই ধরনের একটি আবেদনের জরুরি শুনানি করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেছিল, “আদালতকে এর মধ্যে টানবেন না।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে দিল্লি পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ, লাঠিচার্জ এবং প্লাস্টিকের ব্যাটন ব্যবহার করেছে। এসব অভিযোগ নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনা বাড়ছে।
প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যার প্রতিবাদে রাজধানীর যন্তর মন্তর এলাকায় অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে সিজেপির সমর্থকেরা। সংসদ অভিমুখে পদযাত্রায় হাজার হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেন। গত সোমবার সংসদ অধিবেশন শুরুর আগে কিছু ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার পর নিরাপত্তা বাহিনী আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ ওঠে।
গত এক দশকে দিল্লিতে এটিকে সবচেয়ে বড় ছাত্র বিক্ষোভ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কংগ্রেসসহ বিভিন্ন বিরোধী দল আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই আন্দোলন এখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের জন্য বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে।
লোড হচ্ছে...