রাজনীতি
শহীদ পরিবারের পাশে এনসিপি নেতা নিরব রায়হান, দিলেন ঈদ উপহার
NHP NewsView

নিউজভিউ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের ত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়ে তাঁদের পরিবারের মুখে হাসির ঝিলিক ফুটিয়েছে ‘জাতীয় যুবশক্তি’। আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংগঠক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক আহ্বায়ক নিরব রায়হানের নেতৃত্বে জেলার ৩২টি শহীদ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দিনব্যাপী নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় শহীদদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে এই উপহার পৌঁছে দেওয়া হয়। উপহার সামগ্রীর মধ্যে ছিল উৎসবের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য ও অন্যান্য সামগ্রী।
এ প্রসঙ্গে নিরব রায়হান বলেন, “জুলাই বিপ্লবের শহীদরা দেশের জন্য তাঁদের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ—জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাঁদের শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়। এই পরিবারগুলো কেবল সহানুভূতির পাত্র নয়, বরং আমাদের পরম শ্রদ্ধার। তাঁদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও জাতীয় দায়িত্ব। আমরা চাই ঈদের আনন্দ প্রতিটি শহীদ পরিবারে সমানভাবে পৌঁছে যাক।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, শহীদ পরিবারগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং আগামীতেও যেকোনো প্রয়োজনে জাতীয় যুবশক্তি তাঁদের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করছে।
উপহার হাতে পেয়ে শহীদ পরিবারের সদস্যরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁরা জানান, উৎসবের এই সময়ে তাঁদের সন্তানদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে কেউ পাশে দাঁড়ালে তা মানসিক প্রশান্তি জোগায়। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের জন্য প্রাণ দেওয়া বীরদের স্মৃতি ধরে রাখতে এবং তাঁদের পরিবারকে মর্যাদার আসনে বসাতে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের ত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়ে তাঁদের পরিবারের মুখে হাসির ঝিলিক ফুটিয়েছে ‘জাতীয় যুবশক্তি’। আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংগঠক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক আহ্বায়ক নিরব রায়হানের নেতৃত্বে জেলার ৩২টি শহীদ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দিনব্যাপী নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় শহীদদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে এই উপহার পৌঁছে দেওয়া হয়। উপহার সামগ্রীর মধ্যে ছিল উৎসবের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য ও অন্যান্য সামগ্রী।
এ প্রসঙ্গে নিরব রায়হান বলেন, “জুলাই বিপ্লবের শহীদরা দেশের জন্য তাঁদের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ—জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাঁদের শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়। এই পরিবারগুলো কেবল সহানুভূতির পাত্র নয়, বরং আমাদের পরম শ্রদ্ধার। তাঁদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও জাতীয় দায়িত্ব। আমরা চাই ঈদের আনন্দ প্রতিটি শহীদ পরিবারে সমানভাবে পৌঁছে যাক।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, শহীদ পরিবারগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং আগামীতেও যেকোনো প্রয়োজনে জাতীয় যুবশক্তি তাঁদের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করছে।
উপহার হাতে পেয়ে শহীদ পরিবারের সদস্যরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁরা জানান, উৎসবের এই সময়ে তাঁদের সন্তানদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে কেউ পাশে দাঁড়ালে তা মানসিক প্রশান্তি জোগায়। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের জন্য প্রাণ দেওয়া বীরদের স্মৃতি ধরে রাখতে এবং তাঁদের পরিবারকে মর্যাদার আসনে বসাতে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
লোড হচ্ছে...