নারায়ণগঞ্জসদর
আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে তিনি যেই হোন, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: জেলা প্রশাসক
NewsView

নিউজভিউ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বিষয়ক ঐতিহাসিক গণভোটকে অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর করতে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন। রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এই বার্তা দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির জানান, জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে আয়োজিত গণভোটে ব্যালট পেপারে মোট চারটি প্রশ্ন থাকবে। ভোটাররা প্রতিটি প্রশ্নের বিপরীতে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন যেন হাটবাজার, ফেরিঘাট, হোটেল-রেস্তোরাঁ ও ধর্মীয় উপাসনালয়সহ জনসমাগমস্থলে এই গণভোটের প্রচার-প্রচারণা জোরদার করা হয়। জেলা প্রশাসকের আহ্বান— ‘গণভোট ও সংসদ নির্বাচন—দেশের চাবি আপনার হাতে’, এই বার্তাটি যেন তৃণমূলের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।
নির্বাচনী আচরণবিধি প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “নির্বাচনের স্বার্থে আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে তিনি যেই হোন না কেন, আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা একটি ঐতিহাসিক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে বদ্ধপরিকর।”
সভায় জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী বলেন, “নির্বাচনী পরিবেশ নির্বিঘ্ন রাখতে মাদক, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাং দমনে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। শহরের যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তবে জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন।”
আইন-শৃঙ্খলা কমিটির এই সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, ছিনতাই প্রতিরোধ, অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং পলাতক ফ্যাসিস্ট দোসরদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাইমা ইসলাম, র্যাব-১১ এর কোম্পানি কমান্ডার আ. রশিদ, এনএসআই-এর যুগ্ম পরিচালক দাদন মুন্সী, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা মইনউদ্দিন আহমাদ, মহানগর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার এবং এনসিপি জেলা সমন্বয়কারী আব্দুল্লাহ আল আমিনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বিষয়ক ঐতিহাসিক গণভোটকে অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর করতে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন। রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এই বার্তা দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির জানান, জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে আয়োজিত গণভোটে ব্যালট পেপারে মোট চারটি প্রশ্ন থাকবে। ভোটাররা প্রতিটি প্রশ্নের বিপরীতে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন যেন হাটবাজার, ফেরিঘাট, হোটেল-রেস্তোরাঁ ও ধর্মীয় উপাসনালয়সহ জনসমাগমস্থলে এই গণভোটের প্রচার-প্রচারণা জোরদার করা হয়। জেলা প্রশাসকের আহ্বান— ‘গণভোট ও সংসদ নির্বাচন—দেশের চাবি আপনার হাতে’, এই বার্তাটি যেন তৃণমূলের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।
নির্বাচনী আচরণবিধি প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “নির্বাচনের স্বার্থে আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে তিনি যেই হোন না কেন, আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা একটি ঐতিহাসিক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে বদ্ধপরিকর।”
সভায় জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী বলেন, “নির্বাচনী পরিবেশ নির্বিঘ্ন রাখতে মাদক, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাং দমনে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। শহরের যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তবে জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন।”
আইন-শৃঙ্খলা কমিটির এই সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, ছিনতাই প্রতিরোধ, অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং পলাতক ফ্যাসিস্ট দোসরদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাইমা ইসলাম, র্যাব-১১ এর কোম্পানি কমান্ডার আ. রশিদ, এনএসআই-এর যুগ্ম পরিচালক দাদন মুন্সী, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা মইনউদ্দিন আহমাদ, মহানগর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার এবং এনসিপি জেলা সমন্বয়কারী আব্দুল্লাহ আল আমিনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা।
লোড হচ্ছে...