নারায়ণগঞ্জ
নারীবান্ধব বাজেটের দাবিতে সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের স্মারকলিপি
NewsView5

নিউজভিউ
সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে গৃহস্থালি কাজের আর্থিক মূল্য রাষ্ট্রীয়ভাবে নিরূপণ ও স্বীকৃতি, সরকারি উদ্যোগে ডে কেয়ার সেন্টার ও কর্মজীবী নারী হোস্টেল নির্মাণ, মা ও শিশু হাসপাতাল স্থাপন, নিরাপদ গণপরিবহন ও স্বাস্থ্যসম্মত পাবলিক টয়লেট নির্মাণে জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে অর্থমন্ত্রী বরাবর এ স্মারকলিপি পেশ করা হয়। কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন সংগঠনটির নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আক্তার।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুন্নাহার, দপ্তর সম্পাদক খাইরুন্নাহার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সুইটি বেগম, সদস্য মোর্শেদা আক্তার এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সাবেক সভাপতি মুন্নী সরদার।
নেতৃবৃন্দ বলেন, জাতীয় বাজেটে নারীদের জন্য উত্থাপিত দাবিগুলো বাস্তবায়ন করা হলে প্রকৃত অর্থে নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। তারা অভিযোগ করেন, শিক্ষা ও সংস্কৃতির অবক্ষয়, পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা এবং বিচারহীনতার কারণে নারীরা এখনও সমাজে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
বক্তারা আরও বলেন, দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। ধর্ষণ মামলার অধিকাংশেরই বিচার না হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবার আরও অসহায় হয়ে পড়ে। বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতার কারণেও অনেক অপরাধী পার পেয়ে যায়।
তারা দাবি করেন, নারীর শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে গৃহস্থালি কাজকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। একই সঙ্গে আসন্ন বাজেটে নারীবান্ধব খাতে বিশেষ বরাদ্দ নিশ্চিত করা এবং নারী-শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সারাদেশে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে অর্থমন্ত্রী বরাবর এ স্মারকলিপি পেশ করা হয়। কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন সংগঠনটির নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আক্তার।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুন্নাহার, দপ্তর সম্পাদক খাইরুন্নাহার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সুইটি বেগম, সদস্য মোর্শেদা আক্তার এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সাবেক সভাপতি মুন্নী সরদার।
নেতৃবৃন্দ বলেন, জাতীয় বাজেটে নারীদের জন্য উত্থাপিত দাবিগুলো বাস্তবায়ন করা হলে প্রকৃত অর্থে নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। তারা অভিযোগ করেন, শিক্ষা ও সংস্কৃতির অবক্ষয়, পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা এবং বিচারহীনতার কারণে নারীরা এখনও সমাজে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
বক্তারা আরও বলেন, দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। ধর্ষণ মামলার অধিকাংশেরই বিচার না হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবার আরও অসহায় হয়ে পড়ে। বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতার কারণেও অনেক অপরাধী পার পেয়ে যায়।
তারা দাবি করেন, নারীর শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে গৃহস্থালি কাজকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। একই সঙ্গে আসন্ন বাজেটে নারীবান্ধব খাতে বিশেষ বরাদ্দ নিশ্চিত করা এবং নারী-শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সারাদেশে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ।
লোড হচ্ছে...