জাতীয়
উজবেকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গভীর চায় বাংলাদেশ
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) বোর্ড অব গভর্নরসের বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে উজবেকিস্তানের সমরখন্দ সফর করছেন বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মঙ্গলবার (৫ মে) দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী জামশিদ খোদজায়েভের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।
বুধবার (৬ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে উজবেকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ও উজবেকিস্তানের মানুষের মধ্যকার ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বন্ধনের কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে বাণিজ্য, যোগাযোগ, কর্মসংস্থান, সংস্কৃতি, পর্যটন এবং গণযোগাযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
উভয় দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালুর বিষয়ে উপ-প্রধানমন্ত্রীকে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানান অর্থমন্ত্রী। বিশেষ করে ঢাকা-তাসখন্দ রুটে উজবেক এয়ারওয়েজের ফ্লাইট পুনরায় চালুর বিষয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে বাংলাদেশে উজবেকিস্তানের পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক মিশন খোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।
বৈঠকে মন্ত্রী বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ওষুধ ও পাটজাত পণ্যের জন্য উজবেকিস্তানের বাজারে সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণে উজবেক সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।
নতুন সরকার গঠনের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানানোয় উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শভকত মির্জিইয়োয়েভকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান অর্থমন্ত্রী। উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক সফরের গুরুত্ব উল্লেখ করে তিনি উজবেক প্রেসিডেন্টকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
উজবেকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী জামশিদ খোদজায়েভ বাংলাদেশের বস্ত্র ও ওষুধ শিল্পের অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তিনি জানান, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা যাচাই করতে শিগগিরই একটি উজবেক ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করবে। এছাড়া কৃষি ও পর্যটন খাতে ঝুলে থাকা দ্বিপাক্ষিক চুক্তিগুলো দ্রুত সম্পন্ন করার বিষয়েও তিনি আগ্রহ প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, গত ৩ মে শুরু হওয়া এডিবির এই বার্ষিক সম্মেলন ৬ মে শেষ হচ্ছে।
বুধবার (৬ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে উজবেকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ও উজবেকিস্তানের মানুষের মধ্যকার ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বন্ধনের কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে বাণিজ্য, যোগাযোগ, কর্মসংস্থান, সংস্কৃতি, পর্যটন এবং গণযোগাযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
উভয় দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালুর বিষয়ে উপ-প্রধানমন্ত্রীকে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানান অর্থমন্ত্রী। বিশেষ করে ঢাকা-তাসখন্দ রুটে উজবেক এয়ারওয়েজের ফ্লাইট পুনরায় চালুর বিষয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে বাংলাদেশে উজবেকিস্তানের পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক মিশন খোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।
বৈঠকে মন্ত্রী বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ওষুধ ও পাটজাত পণ্যের জন্য উজবেকিস্তানের বাজারে সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণে উজবেক সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।
নতুন সরকার গঠনের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানানোয় উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শভকত মির্জিইয়োয়েভকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান অর্থমন্ত্রী। উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক সফরের গুরুত্ব উল্লেখ করে তিনি উজবেক প্রেসিডেন্টকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
উজবেকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী জামশিদ খোদজায়েভ বাংলাদেশের বস্ত্র ও ওষুধ শিল্পের অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তিনি জানান, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা যাচাই করতে শিগগিরই একটি উজবেক ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করবে। এছাড়া কৃষি ও পর্যটন খাতে ঝুলে থাকা দ্বিপাক্ষিক চুক্তিগুলো দ্রুত সম্পন্ন করার বিষয়েও তিনি আগ্রহ প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, গত ৩ মে শুরু হওয়া এডিবির এই বার্ষিক সম্মেলন ৬ মে শেষ হচ্ছে।
লোড হচ্ছে...