জাতীয়
নির্বাচন ও গণভোটই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ: প্রধান উপদেষ্টা
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
আসন্ন ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে দেশের ভবিষ্যতের জন্য ‘টার্নিং পয়েন্ট’ হিসেবে অভিহিত করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ নিয়ে আয়োজিত দক্ষিণ এশীয় সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “শিক্ষাকে শুধু চাকরি পাওয়ার মাধ্যম হিসেবে দেখলে এর প্রকৃত উদ্দেশ্য সফল হবে না। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের সৃজনশীলতা জাগ্রত করা। শিক্ষার্থীদের শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, বরং চাকরি সৃষ্টিকারী বা উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।” তিনি তরুণদের কল্পনাশক্তি ও নতুন কিছু তৈরির সাহস অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তরুণদের নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “তরুণদের নিজস্ব রাজনৈতিক চিন্তা ও দল রয়েছে। আমি প্রত্যাশা করি, তাদের মধ্য থেকে অনেকে আসন্ন নির্বাচনে জয়ী হয়ে দেশের নেতৃত্বে আসবেন।” তিনি এ সময় দেশের তরুণ প্রজন্মকে বড় স্বপ্ন দেখার এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সাহসী হওয়ার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত এই সম্মেলনে দক্ষিণ এশিয়ার সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরা হয়। প্রধান উপদেষ্টা উল্লেখ করেন যে, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ভুল নীতির কারণে এই অঞ্চলের সম্ভাবনাগুলো অনেক সময় থমকে যায়। তবে সঠিক শিক্ষার মাধ্যমেই তরুণরা এই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে পারে।
বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে ‘হিট’ প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এই সম্মেলনে যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের মোট ৩০ জন আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন। আগামী তিন দিন উচ্চশিক্ষার রূপান্তর ও বৈশ্বিক মানদণ্ড নিয়ে এই সম্মেলনে বিস্তারিত আলোচনা চলবে।
আসন্ন ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে দেশের ভবিষ্যতের জন্য ‘টার্নিং পয়েন্ট’ হিসেবে অভিহিত করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ নিয়ে আয়োজিত দক্ষিণ এশীয় সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “শিক্ষাকে শুধু চাকরি পাওয়ার মাধ্যম হিসেবে দেখলে এর প্রকৃত উদ্দেশ্য সফল হবে না। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের সৃজনশীলতা জাগ্রত করা। শিক্ষার্থীদের শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, বরং চাকরি সৃষ্টিকারী বা উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।” তিনি তরুণদের কল্পনাশক্তি ও নতুন কিছু তৈরির সাহস অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তরুণদের নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “তরুণদের নিজস্ব রাজনৈতিক চিন্তা ও দল রয়েছে। আমি প্রত্যাশা করি, তাদের মধ্য থেকে অনেকে আসন্ন নির্বাচনে জয়ী হয়ে দেশের নেতৃত্বে আসবেন।” তিনি এ সময় দেশের তরুণ প্রজন্মকে বড় স্বপ্ন দেখার এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সাহসী হওয়ার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত এই সম্মেলনে দক্ষিণ এশিয়ার সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরা হয়। প্রধান উপদেষ্টা উল্লেখ করেন যে, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ভুল নীতির কারণে এই অঞ্চলের সম্ভাবনাগুলো অনেক সময় থমকে যায়। তবে সঠিক শিক্ষার মাধ্যমেই তরুণরা এই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে পারে।
বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে ‘হিট’ প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এই সম্মেলনে যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের মোট ৩০ জন আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন। আগামী তিন দিন উচ্চশিক্ষার রূপান্তর ও বৈশ্বিক মানদণ্ড নিয়ে এই সম্মেলনে বিস্তারিত আলোচনা চলবে।
লোড হচ্ছে...