রাজনীতিবন্দর
বন্দরের ওসি নির্দিষ্ট প্রার্থীর হয়ে কাজ করছেন: তারিকুল সুজন
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনের নির্বাচনি ময়দানে এবার প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সুজন। বন্দর থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) বিরুদ্ধে একটি নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে ‘বিশেষ তৎপরতা’ চালানোর অভিযোগ এনে তিনি বলেছেন, প্রশাসনের এমন আচরণ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্তরায়।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বন্দর এলাকায় নির্বাচনি গণসংযোগ ও পথসভাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তারিকুল ইসলাম সুজন বলেন, “নির্বাচনের সময় সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) নিশ্চিত করা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব। কিন্তু আমরা উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি, বন্দর থানার ওসি একজন বিশেষ প্রার্থীর স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ভয় ও শঙ্কা তৈরি হচ্ছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।”
প্রশাসনের এমন কর্মকাণ্ডকে সংবিধান ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনার পরিপন্থী উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “ওসি যদি জনগণের নিরাপত্তার বদলে কোনো প্রার্থীর পক্ষ নেন, তবে সেই নির্বাচন কখনোই গ্রহণযোগ্য হবে না। আমরা অবিলম্বে এই অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ওসির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন ও ঊর্ধ্বতন প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।”
বন্দরবাসীর উদ্দেশ্যে মাথাল প্রতীকের এই প্রার্থী বলেন, “গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো জনগণের শক্তি। কোনো প্রশাসনিক চাপ বা প্রভাবের কাছে নতিস্বীকার করবেন না। ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিন। ভোট হবে মানুষের ইচ্ছায়, কোনো অপশক্তির ইশারায় নয়।”
গণসংযোগকালে গণসংহতি আন্দোলনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনের নির্বাচনি ময়দানে এবার প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সুজন। বন্দর থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) বিরুদ্ধে একটি নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে ‘বিশেষ তৎপরতা’ চালানোর অভিযোগ এনে তিনি বলেছেন, প্রশাসনের এমন আচরণ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্তরায়।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বন্দর এলাকায় নির্বাচনি গণসংযোগ ও পথসভাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তারিকুল ইসলাম সুজন বলেন, “নির্বাচনের সময় সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) নিশ্চিত করা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব। কিন্তু আমরা উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি, বন্দর থানার ওসি একজন বিশেষ প্রার্থীর স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ভয় ও শঙ্কা তৈরি হচ্ছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।”
প্রশাসনের এমন কর্মকাণ্ডকে সংবিধান ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনার পরিপন্থী উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “ওসি যদি জনগণের নিরাপত্তার বদলে কোনো প্রার্থীর পক্ষ নেন, তবে সেই নির্বাচন কখনোই গ্রহণযোগ্য হবে না। আমরা অবিলম্বে এই অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ওসির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন ও ঊর্ধ্বতন প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।”
বন্দরবাসীর উদ্দেশ্যে মাথাল প্রতীকের এই প্রার্থী বলেন, “গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো জনগণের শক্তি। কোনো প্রশাসনিক চাপ বা প্রভাবের কাছে নতিস্বীকার করবেন না। ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিন। ভোট হবে মানুষের ইচ্ছায়, কোনো অপশক্তির ইশারায় নয়।”
গণসংযোগকালে গণসংহতি আন্দোলনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
লোড হচ্ছে...