সারা দেশ
বেদখলে গারো পাহাড়ের হাজার একর জমি
NewsView6

ঝিনাইগাতী উপজেলার রাংটিয়া ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসের ভেতরে বনের জমির ওপর গড়ে ওঠা জনবসতি।
নিউজভিউ ডেস্ক
শেরপুরের সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ে হাজার একর জমি বেদখল হয়ে পড়েছে। পশুপাখির খাদ্য উৎপাদনকারী দেশীয় প্রজাতীর গাছ উজাড় হওয়ায় কমছে বন্যপ্রাণীর বিচরণ। বনের জমি বেদখল হওয়ায় গারো পাহাড়ের সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্যের বিলুপ্তি ঘটেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৯৪৭ সালে দেশে জমিদারি প্রথা প্রচলিত থাকাকালে জমিদাররা শেরপুর জেলার তিনটি উপজেলার সীমান্তে ৪০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ২১ হাজার একর বনের জমিবনসহ বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করে। সে সময় গারো পাহাড়ের বনাঞ্চলে শালগজারিসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় বৃক্ষে ভরপুর ছিল। এসব বৃক্ষের ফলফলাদি খেতে গারো পাহাড়ে বিভিন্ন জাতের পশুপাখি ও বন্যপ্রাণীর দেখা মিলত। কিন্তু কালের পরিক্রমায় দেশীয় প্রজাতির গাছ উজাড় ও বনের জমি বেদখল হওয়ায় বন্যপ্রাণীরও এখন দেখা মেলে না।
জানা গেছে, ১৯৯১ সালে গারো পাহাড়ের পরিবেশবান্ধব গাছ নিধন করে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে সামাজিক বন বাগান (উডলড) সৃজন করা হয়। যেসব গাছে কোনো ফল না হওয়ায় পশুপাখি পর্যন্তও বসে না। অভিযোগ রয়েছে, সামাজিক বনের অংশীদারদের কারণে বনের জমি দখল প্রক্রিয়া বৃদ্ধি পায়। কিন্তু বনের এসব বেদখলীয় জমি উদ্ধারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না বন বিভাগের পক্ষ থেকে। ফলে একদিকে যেমন বনের জমি দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে, অন্যদিকে সরকার প্রতি বছর বিপুল পরিমাণের রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পাশাপাশি গারো পাহাড়ের জীববৈচিত্র্য হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়রা জানান, জবরদখলকারীরা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসে বনের জমি দখল করে ঘর-বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করে আসছে। শতশত একর বনের জমিতে গড়ে তোলা হয়েছে জনবসতি। বনের জমিতে বসবাসকারীদের পরিবারের সদস্যসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় দিন দিন বাড়ছে দখলের পরিধি। অথচ এসব জমির খাজনা পরিশোধ করতে হচ্ছে বন বিভাগকে।
বেদখলীয় এলাকাগুলো হচ্ছেÑসন্ধ্যাকুড়, গোমড়া, হলদীগ্রাম, গজারীকুড়া, গিলাগাছা, ভালুকা, গান্দিগাঁও, বাকাকুড়াসহ বিভিন্ন এলাকা।
বনবিভাগ একটি সূত্র জানায়, বনের ২১ হাজার একর জমির মধ্যে প্রায় ১ হাজার একর জমিই এখন জবর দখলদারদের হাতে। তবে বেসরকারি মতে এর পরিমাণ আরো বেশি হবে। বন বিভাগের পক্ষ থেকে বনের এসব জমি উদ্ধারের বিষয়ে প্রতি বছর শুধু তালিকা তৈরি করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরক করা হচ্ছে। কিন্তু বনের জমি উদ্ধার হচ্ছে না। ফলে আবাস ও খাদ্যসংকটে পড়েছে হাতিরদল। এতে মানুষ-হাতির দ্বন্দ্ব এখন প্রকট আকার ধারণ করেছে।
রাংটিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল করিম বলেন, গত বছর ৫০ একর জমি উদ্ধার করা হয়েছে। বালিজুরি রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সুমন সিয়া বলেন, গত এক বছরে বনের প্রায় এক একর বেদখলীয় জমি উদ্ধার করে দেশীয় প্রজাতির বৃক্ষ সৃজন করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বেদখলীয় পুরো জমি উদ্ধার করে দেশীয় প্রজাতির বৃক্ষ সৃজন করা হলে মানুষ-হাতির দ্বন্দ্ব কমিয়ে আনা সম্ভব।
ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মো. নুরুল করিম জানান, বনের বেদখলীয় জমি উদ্ধারের বিষয়ে শীঘ্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শেরপুরের সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ে হাজার একর জমি বেদখল হয়ে পড়েছে। পশুপাখির খাদ্য উৎপাদনকারী দেশীয় প্রজাতীর গাছ উজাড় হওয়ায় কমছে বন্যপ্রাণীর বিচরণ। বনের জমি বেদখল হওয়ায় গারো পাহাড়ের সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্যের বিলুপ্তি ঘটেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৯৪৭ সালে দেশে জমিদারি প্রথা প্রচলিত থাকাকালে জমিদাররা শেরপুর জেলার তিনটি উপজেলার সীমান্তে ৪০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ২১ হাজার একর বনের জমিবনসহ বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করে। সে সময় গারো পাহাড়ের বনাঞ্চলে শালগজারিসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় বৃক্ষে ভরপুর ছিল। এসব বৃক্ষের ফলফলাদি খেতে গারো পাহাড়ে বিভিন্ন জাতের পশুপাখি ও বন্যপ্রাণীর দেখা মিলত। কিন্তু কালের পরিক্রমায় দেশীয় প্রজাতির গাছ উজাড় ও বনের জমি বেদখল হওয়ায় বন্যপ্রাণীরও এখন দেখা মেলে না।
জানা গেছে, ১৯৯১ সালে গারো পাহাড়ের পরিবেশবান্ধব গাছ নিধন করে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে সামাজিক বন বাগান (উডলড) সৃজন করা হয়। যেসব গাছে কোনো ফল না হওয়ায় পশুপাখি পর্যন্তও বসে না। অভিযোগ রয়েছে, সামাজিক বনের অংশীদারদের কারণে বনের জমি দখল প্রক্রিয়া বৃদ্ধি পায়। কিন্তু বনের এসব বেদখলীয় জমি উদ্ধারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না বন বিভাগের পক্ষ থেকে। ফলে একদিকে যেমন বনের জমি দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে, অন্যদিকে সরকার প্রতি বছর বিপুল পরিমাণের রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পাশাপাশি গারো পাহাড়ের জীববৈচিত্র্য হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়রা জানান, জবরদখলকারীরা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসে বনের জমি দখল করে ঘর-বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করে আসছে। শতশত একর বনের জমিতে গড়ে তোলা হয়েছে জনবসতি। বনের জমিতে বসবাসকারীদের পরিবারের সদস্যসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় দিন দিন বাড়ছে দখলের পরিধি। অথচ এসব জমির খাজনা পরিশোধ করতে হচ্ছে বন বিভাগকে।
বেদখলীয় এলাকাগুলো হচ্ছেÑসন্ধ্যাকুড়, গোমড়া, হলদীগ্রাম, গজারীকুড়া, গিলাগাছা, ভালুকা, গান্দিগাঁও, বাকাকুড়াসহ বিভিন্ন এলাকা।
বনবিভাগ একটি সূত্র জানায়, বনের ২১ হাজার একর জমির মধ্যে প্রায় ১ হাজার একর জমিই এখন জবর দখলদারদের হাতে। তবে বেসরকারি মতে এর পরিমাণ আরো বেশি হবে। বন বিভাগের পক্ষ থেকে বনের এসব জমি উদ্ধারের বিষয়ে প্রতি বছর শুধু তালিকা তৈরি করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরক করা হচ্ছে। কিন্তু বনের জমি উদ্ধার হচ্ছে না। ফলে আবাস ও খাদ্যসংকটে পড়েছে হাতিরদল। এতে মানুষ-হাতির দ্বন্দ্ব এখন প্রকট আকার ধারণ করেছে।
রাংটিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল করিম বলেন, গত বছর ৫০ একর জমি উদ্ধার করা হয়েছে। বালিজুরি রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সুমন সিয়া বলেন, গত এক বছরে বনের প্রায় এক একর বেদখলীয় জমি উদ্ধার করে দেশীয় প্রজাতির বৃক্ষ সৃজন করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বেদখলীয় পুরো জমি উদ্ধার করে দেশীয় প্রজাতির বৃক্ষ সৃজন করা হলে মানুষ-হাতির দ্বন্দ্ব কমিয়ে আনা সম্ভব।
ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মো. নুরুল করিম জানান, বনের বেদখলীয় জমি উদ্ধারের বিষয়ে শীঘ্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
লোড হচ্ছে...