রাজনীতিসদর
কুতুবপুরে বিএনপি-এনসিপি দ্বন্দ্বে উত্তেজনা, নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নে স্থানীয় প্রভাব ও চাঁদাবাজির অভিযোগকে কেন্দ্র করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে রসুলপুর এলাকায় সংগঠিত এই বিরোধের জেরে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ন্ত্রণে পরবর্তীতে সেনাবাহিনী ও পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুতুবপুর ইউনিয়নের রসুলপুর এলাকায় সকালে দুই পক্ষের সমর্থকরা মুখোমুখি হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় একে অপরকে ‘চাঁদাবাজ’ আখ্যা দিয়ে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে মারমুখী অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে।
বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এনসিপির প্রার্থী বিজয়ী হওয়ার পর থেকে ওই এলাকার এনসিপি সমর্থকরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন এবং বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন। তবে এই অভিযোগকে ‘প্রপাগান্ডা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে এনসিপি। এনসিপির সদর উপজেলা যুগ্ম সমন্বয়কারী নূর জামালের ভাষ্যমতে, আগের রাতে এক নির্বাচনী এজেন্টের সঙ্গে স্থানীয় এক ব্যক্তির ব্যক্তিগত তর্কাতর্কি হয়েছিল। পরদিন সকালে ওই এজেন্টকে হেনস্তা করার চেষ্টা করা হলে নেতাকর্মীরা তার প্রতিবাদ জানান।
সকাল থেকে চলা এই উত্তেজনা দুপুরের দিকে তীব্র আকার ধারণ করলে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বেলা ২টার দিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে দুই পক্ষ পিছু হটলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
ফতুল্লা মডেল থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) মো. আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, নির্বাচন পরবর্তী রেষারেষি এবং ব্যক্তিগত বিরোধ থেকেই এই ঘটনার উৎপত্তি। সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিবাদমান দুই পক্ষকে শান্ত করে। পরবর্তীতে স্থানীয় মুরুব্বি ও প্রশাসনের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষ বিষয়টি নিজেদের মধ্যে মীমাংসা করে নিয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক সহাবস্থান বজায় রাখতে কুতুবপুর এলাকায় টহল জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
নারায়ণগঞ্জের সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নে স্থানীয় প্রভাব ও চাঁদাবাজির অভিযোগকে কেন্দ্র করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে রসুলপুর এলাকায় সংগঠিত এই বিরোধের জেরে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ন্ত্রণে পরবর্তীতে সেনাবাহিনী ও পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুতুবপুর ইউনিয়নের রসুলপুর এলাকায় সকালে দুই পক্ষের সমর্থকরা মুখোমুখি হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় একে অপরকে ‘চাঁদাবাজ’ আখ্যা দিয়ে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে মারমুখী অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে।
বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এনসিপির প্রার্থী বিজয়ী হওয়ার পর থেকে ওই এলাকার এনসিপি সমর্থকরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন এবং বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন। তবে এই অভিযোগকে ‘প্রপাগান্ডা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে এনসিপি। এনসিপির সদর উপজেলা যুগ্ম সমন্বয়কারী নূর জামালের ভাষ্যমতে, আগের রাতে এক নির্বাচনী এজেন্টের সঙ্গে স্থানীয় এক ব্যক্তির ব্যক্তিগত তর্কাতর্কি হয়েছিল। পরদিন সকালে ওই এজেন্টকে হেনস্তা করার চেষ্টা করা হলে নেতাকর্মীরা তার প্রতিবাদ জানান।
সকাল থেকে চলা এই উত্তেজনা দুপুরের দিকে তীব্র আকার ধারণ করলে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বেলা ২টার দিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে দুই পক্ষ পিছু হটলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
ফতুল্লা মডেল থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) মো. আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, নির্বাচন পরবর্তী রেষারেষি এবং ব্যক্তিগত বিরোধ থেকেই এই ঘটনার উৎপত্তি। সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিবাদমান দুই পক্ষকে শান্ত করে। পরবর্তীতে স্থানীয় মুরুব্বি ও প্রশাসনের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষ বিষয়টি নিজেদের মধ্যে মীমাংসা করে নিয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক সহাবস্থান বজায় রাখতে কুতুবপুর এলাকায় টহল জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
লোড হচ্ছে...