নারায়ণগঞ্জ
ক্যামেরার জাদুতে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি
ইম্পেরিয়াল ফটোজার্নালিস্ট অ্যাওয়ার্ড জিতলেন সাংবাদিক সবুজ
NewsView

নিউজভিউ
লেন্সের পেছনের কারিগররা বরাবরই অন্তরালে থাকেন, কিন্তু তাদের তোলা একটি স্থিরচিত্র কখনো কখনো হাজারো শব্দের চেয়েও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। নারায়ণগঞ্জের সংবাদচিত্র অঙ্গনের তেমনই এক লড়াকু নাম মনিরুল ইসলাম সবুজ। দীর্ঘ তিন দশকের নিরবচ্ছিন্ন সাধনা আর ক্যামেরার চোখে জীবনকে দেখার অদম্য স্পৃহা তাকে এনে দিয়েছে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের গৌরব।
শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর এক অভিজাত অনুষ্ঠানে ‘ইম্পেরিয়াল ফটোজার্নালিস্ট অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড-২৬’ সম্মাননায় ভূষিত হলেন এই গুণী আলোকচিত্রী।
রাজধানীর ইম্পেরিয়াল হোটেল ইন্টারন্যাশনালে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এবং নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি।
বাংলাদেশ ও নেপালের মোট ৩৭ জন নির্বাচিত আলোকচিত্রীর তালিকায় জায়গা করে নিয়ে সবুজের হাতে ওঠে এই সম্মাননা। রয়টার্স, প্রথম আলোসহ দুই দেশের শীর্ষ সংবাদমাধ্যমের তুখোড় সব আলোকচিত্রীদের পাশে নারায়ণগঞ্জের সবুজের এই অর্জন জেলার সাংবাদিকতা অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
১৯৯২ সালে মাত্র ১২ বছর বয়সে শখের বসে ক্যামেরা হাতে নিলেও পরবর্তীতে এটিই হয়ে ওঠে সবুজের নেশা ও পেশা। সাংবাদিক পরিবারে বেড়ে ওঠা সবুজ ২০০৭ সাল থেকে পেশাদার ফটোসাংবাদিকতায় যাত্রা শুরু করেন। বর্তমানে তিনি জাতীয় দৈনিক ‘নয়া দিগন্ত’-এ কর্মরত এবং বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজেএ) নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক। ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবে রাজপথে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি সরাসরি আহত হয়েছিলেন, যা তার সাহসিকতার এক জলন্ত প্রমাণ।
অনুষ্ঠানে নেপাল ও বাংলাদেশের বরেণ্য সাংবাদিক ও আলোকচিত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগেও দেশের বাইরে ‘এশিয়ান প্রফেশনাল অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ জিতেছিলেন তিনি।
নতুন এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি কেবল তার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং নারায়ণগঞ্জের পুরো সাংবাদিক সমাজের জন্য এক বিশাল প্রাপ্তি। পেশাদারিত্ব আর সাহসিকতার এই মেলবন্ধন আগামীর তরুণ আলোকচিত্রীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
লেন্সের পেছনের কারিগররা বরাবরই অন্তরালে থাকেন, কিন্তু তাদের তোলা একটি স্থিরচিত্র কখনো কখনো হাজারো শব্দের চেয়েও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। নারায়ণগঞ্জের সংবাদচিত্র অঙ্গনের তেমনই এক লড়াকু নাম মনিরুল ইসলাম সবুজ। দীর্ঘ তিন দশকের নিরবচ্ছিন্ন সাধনা আর ক্যামেরার চোখে জীবনকে দেখার অদম্য স্পৃহা তাকে এনে দিয়েছে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের গৌরব।
শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর এক অভিজাত অনুষ্ঠানে ‘ইম্পেরিয়াল ফটোজার্নালিস্ট অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড-২৬’ সম্মাননায় ভূষিত হলেন এই গুণী আলোকচিত্রী।
রাজধানীর ইম্পেরিয়াল হোটেল ইন্টারন্যাশনালে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এবং নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি।
বাংলাদেশ ও নেপালের মোট ৩৭ জন নির্বাচিত আলোকচিত্রীর তালিকায় জায়গা করে নিয়ে সবুজের হাতে ওঠে এই সম্মাননা। রয়টার্স, প্রথম আলোসহ দুই দেশের শীর্ষ সংবাদমাধ্যমের তুখোড় সব আলোকচিত্রীদের পাশে নারায়ণগঞ্জের সবুজের এই অর্জন জেলার সাংবাদিকতা অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
১৯৯২ সালে মাত্র ১২ বছর বয়সে শখের বসে ক্যামেরা হাতে নিলেও পরবর্তীতে এটিই হয়ে ওঠে সবুজের নেশা ও পেশা। সাংবাদিক পরিবারে বেড়ে ওঠা সবুজ ২০০৭ সাল থেকে পেশাদার ফটোসাংবাদিকতায় যাত্রা শুরু করেন। বর্তমানে তিনি জাতীয় দৈনিক ‘নয়া দিগন্ত’-এ কর্মরত এবং বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজেএ) নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক। ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবে রাজপথে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি সরাসরি আহত হয়েছিলেন, যা তার সাহসিকতার এক জলন্ত প্রমাণ।
অনুষ্ঠানে নেপাল ও বাংলাদেশের বরেণ্য সাংবাদিক ও আলোকচিত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগেও দেশের বাইরে ‘এশিয়ান প্রফেশনাল অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ জিতেছিলেন তিনি।
নতুন এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি কেবল তার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং নারায়ণগঞ্জের পুরো সাংবাদিক সমাজের জন্য এক বিশাল প্রাপ্তি। পেশাদারিত্ব আর সাহসিকতার এই মেলবন্ধন আগামীর তরুণ আলোকচিত্রীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
লোড হচ্ছে...