আন্তর্জাতিক
ইরানের পরমাণু স্থাপনায় যৌথ হামলা
NHP NewsView

নিউজভিউ
ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সামরিক সংঘাত এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। গত রবিবার নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার সোমবারের (০২ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক আনবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) বোর্ড অব গভর্নরসের বৈঠকে ইরানের রাষ্ট্রদূত রেজা নাজাফি এই হামলার খবর নিশ্চিত করেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, নাতাঞ্জের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় গতকাল যৌথ অভিযান চালিয়েছে শত্রু পক্ষ। তবে হামলার ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি বা তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে এই হামলার কঠোর জবাব দিতে শুরু করেছে ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা ইতোমধ্যে প্রতিশোধমূলক হামলার ষষ্ঠ ধাপ শুরু করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ২৭টি সামরিক ঘাঁটিতে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
আইআরজিসি আরও দাবি করেছে যে, তারা ইসরায়েলের তেল নোফ বিমানঘাঁটি, তেল আবিবে অবস্থিত সামরিক কমান্ড সদরদপ্তর 'হা-কিরিয়া' এবং একটি বৃহৎ প্রতিরক্ষা শিল্প কমপ্লেক্সে সফলভাবে হামলা চালিয়েছে। তাদের বিবৃতিতে একে ‘পরপর আঘাত’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও কঠোর ও ভিন্নধর্মী প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
তবে দুই পক্ষের এসব দাবি এবং হামলার ফলে প্রাণহানি বা বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে এখনো স্বাধীন কোনো সূত্র থেকে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সামরিক সংঘাত এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। গত রবিবার নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার সোমবারের (০২ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক আনবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) বোর্ড অব গভর্নরসের বৈঠকে ইরানের রাষ্ট্রদূত রেজা নাজাফি এই হামলার খবর নিশ্চিত করেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, নাতাঞ্জের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় গতকাল যৌথ অভিযান চালিয়েছে শত্রু পক্ষ। তবে হামলার ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি বা তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে এই হামলার কঠোর জবাব দিতে শুরু করেছে ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা ইতোমধ্যে প্রতিশোধমূলক হামলার ষষ্ঠ ধাপ শুরু করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ২৭টি সামরিক ঘাঁটিতে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
আইআরজিসি আরও দাবি করেছে যে, তারা ইসরায়েলের তেল নোফ বিমানঘাঁটি, তেল আবিবে অবস্থিত সামরিক কমান্ড সদরদপ্তর 'হা-কিরিয়া' এবং একটি বৃহৎ প্রতিরক্ষা শিল্প কমপ্লেক্সে সফলভাবে হামলা চালিয়েছে। তাদের বিবৃতিতে একে ‘পরপর আঘাত’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও কঠোর ও ভিন্নধর্মী প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
তবে দুই পক্ষের এসব দাবি এবং হামলার ফলে প্রাণহানি বা বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে এখনো স্বাধীন কোনো সূত্র থেকে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
লোড হচ্ছে...