নারায়ণগঞ্জ
বরেণ্য শিল্পী সমীরণ চৌধুরী আর নেই
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের শিল্পচর্চার পথিকৃৎ, বিশিষ্ট জলরং ও প্রতিকৃতি শিল্পী এবং নারায়ণগঞ্জ চারুকলা ইনস্টিটিউট (আর্ট কলেজ)-এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ সমীরণ চৌধুরী আর নেই। শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর প্রয়াণে নারায়ণগঞ্জের শিল্প-সংস্কৃতি অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় শিল্পী সমীরণ চৌধুরীর মরদেহ শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য নারায়ণগঞ্জ চারুকলা ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়। সেখানে তাঁর প্রিয় প্রাক্তন ছাত্র, বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ, নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে তাঁর কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বিনম্র শ্রদ্ধা জানানো হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাতে মাসদাইর মহাশ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে।
শিল্পী সমীরণ চৌধুরী ১৯৬২ সালের ২০ নভেম্বর আড়াইহাজার উপজেলার গোপালদী উলুকান্দী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউট (বর্তমানে চারুকলা অনুষদ) থেকে ১৯৮৫ সালে বিএফএ এবং ১৯৮৭ সালে ‘ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং’ বিভাগ থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। ছাত্রাবস্থায় জলরঙে বিশেষ দক্ষতার জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন।
দীর্ঘ বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি প্রায় ২২ হাজারেরও বেশি ছবি এঁকেছেন। দেশে ও বিদেশে তাঁর ১৮টি একক চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, ফ্রান্সসহ বিশ্বের বহু দেশের সংগ্রহশালা ও ব্যক্তিগত সংগ্রাহকদের কাছে তাঁর শিল্পকর্ম সংরক্ষিত রয়েছে। ভারত, জাপান ও নরওয়েসহ বিভিন্ন দেশে আন্তর্জাতিক কর্মশালায় তিনি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
বরেণ্য এই শিল্পীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ৪ জানুয়ারি রবিবার নারায়ণগঞ্জ চারুকলা ইনস্টিটিউটের সকল ক্লাস ও কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া আগামী ৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার বিকেল চারটায় কলেজ প্রাঙ্গণে সমীরণ চৌধুরীর স্মরণে এক শোকসভার আয়োজন করা হয়েছে।
শিল্পী সমীরণ চৌধুরীর মৃত্যুতে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জের শিল্পচর্চার পথিকৃৎ, বিশিষ্ট জলরং ও প্রতিকৃতি শিল্পী এবং নারায়ণগঞ্জ চারুকলা ইনস্টিটিউট (আর্ট কলেজ)-এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ সমীরণ চৌধুরী আর নেই। শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর প্রয়াণে নারায়ণগঞ্জের শিল্প-সংস্কৃতি অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় শিল্পী সমীরণ চৌধুরীর মরদেহ শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য নারায়ণগঞ্জ চারুকলা ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়। সেখানে তাঁর প্রিয় প্রাক্তন ছাত্র, বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ, নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে তাঁর কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বিনম্র শ্রদ্ধা জানানো হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাতে মাসদাইর মহাশ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে।
শিল্পী সমীরণ চৌধুরী ১৯৬২ সালের ২০ নভেম্বর আড়াইহাজার উপজেলার গোপালদী উলুকান্দী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউট (বর্তমানে চারুকলা অনুষদ) থেকে ১৯৮৫ সালে বিএফএ এবং ১৯৮৭ সালে ‘ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং’ বিভাগ থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। ছাত্রাবস্থায় জলরঙে বিশেষ দক্ষতার জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন।
দীর্ঘ বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি প্রায় ২২ হাজারেরও বেশি ছবি এঁকেছেন। দেশে ও বিদেশে তাঁর ১৮টি একক চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, ফ্রান্সসহ বিশ্বের বহু দেশের সংগ্রহশালা ও ব্যক্তিগত সংগ্রাহকদের কাছে তাঁর শিল্পকর্ম সংরক্ষিত রয়েছে। ভারত, জাপান ও নরওয়েসহ বিভিন্ন দেশে আন্তর্জাতিক কর্মশালায় তিনি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
বরেণ্য এই শিল্পীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ৪ জানুয়ারি রবিবার নারায়ণগঞ্জ চারুকলা ইনস্টিটিউটের সকল ক্লাস ও কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া আগামী ৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার বিকেল চারটায় কলেজ প্রাঙ্গণে সমীরণ চৌধুরীর স্মরণে এক শোকসভার আয়োজন করা হয়েছে।
শিল্পী সমীরণ চৌধুরীর মৃত্যুতে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
লোড হচ্ছে...