স্বাস্থ্য
হামের প্রকোপে দেশে শয্যা বাড়ানোর জরুরি আদেশ
NHP NewsView

নিউজভিউ
দেশজুড়ে হামের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব এবং রোগীর অস্বাভাবিক চাপের মুখে দেশের সকল সরকারি হাসপাতালকে বিশেষ সতর্কবার্তা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এখন থেকে কোনো হাসপাতালই শয্যা খালি নেই অজুহাতে হাম আক্রান্ত রোগীদের ফেরত পাঠাতে পারবে না। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়।
নির্দেশনায় স্পষ্ট বলা হয়েছে যে হাসপাতালে শয্যা পূর্ণ থাকলেও প্রয়োজনে মেঝেতে বা অতিরিক্ত বেডের বিকল্প ব্যবস্থা করে রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে হবে। কোনোভাবেই সাধারণ রোগীদের ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না। শুধুমাত্র রোগীর অবস্থা অত্যন্ত জটিল হলে এবং সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসার পর্যাপ্ত সুবিধা না থাকলে নির্ধারিত রেফারাল চেইন বা নিয়ম মেনে অন্য হাসপাতালে পাঠানো যাবে। উপজেলা পর্যায় থেকে শুরু করে বিশেষায়িত হাসপাতাল পর্যন্ত এই নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং এর ব্যতিক্রম ঘটলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে ব্যক্তিগতভাবে দায়ভার বহন করতে হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। গত ১৫ মার্চ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে ৩৮ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৯০ জন শিশু মারা গেছে বলে জানা গেছে। এই সময়ের মধ্যে ২৭ হাজার ১৬৪ জন শিশুর শরীরে রোগের লক্ষণ দেখা দেয় যার মধ্যে প্রায় ১৮ হাজার শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আক্রান্তদের মধ্যে ৩ হাজার ৯৩৪ জনের হাম শনাক্ত হলেও ১৪ হাজার ৮৯২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করেছে। গত ৫ এপ্রিল থেকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ৩০টি উপজেলায় জরুরি ভিত্তিতে টিকা দেওয়া শুরু হয়। পরবর্তীতে ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা মহানগরীসহ চার সিটি করপোরেশন এবং ২০ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী গণ-টিকাদান কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা শিশুদের দ্রুত টিকা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি সামান্য উপসর্গ দেখা দিলেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
দেশজুড়ে হামের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব এবং রোগীর অস্বাভাবিক চাপের মুখে দেশের সকল সরকারি হাসপাতালকে বিশেষ সতর্কবার্তা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এখন থেকে কোনো হাসপাতালই শয্যা খালি নেই অজুহাতে হাম আক্রান্ত রোগীদের ফেরত পাঠাতে পারবে না। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়।
নির্দেশনায় স্পষ্ট বলা হয়েছে যে হাসপাতালে শয্যা পূর্ণ থাকলেও প্রয়োজনে মেঝেতে বা অতিরিক্ত বেডের বিকল্প ব্যবস্থা করে রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে হবে। কোনোভাবেই সাধারণ রোগীদের ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না। শুধুমাত্র রোগীর অবস্থা অত্যন্ত জটিল হলে এবং সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসার পর্যাপ্ত সুবিধা না থাকলে নির্ধারিত রেফারাল চেইন বা নিয়ম মেনে অন্য হাসপাতালে পাঠানো যাবে। উপজেলা পর্যায় থেকে শুরু করে বিশেষায়িত হাসপাতাল পর্যন্ত এই নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং এর ব্যতিক্রম ঘটলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে ব্যক্তিগতভাবে দায়ভার বহন করতে হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। গত ১৫ মার্চ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে ৩৮ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৯০ জন শিশু মারা গেছে বলে জানা গেছে। এই সময়ের মধ্যে ২৭ হাজার ১৬৪ জন শিশুর শরীরে রোগের লক্ষণ দেখা দেয় যার মধ্যে প্রায় ১৮ হাজার শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আক্রান্তদের মধ্যে ৩ হাজার ৯৩৪ জনের হাম শনাক্ত হলেও ১৪ হাজার ৮৯২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করেছে। গত ৫ এপ্রিল থেকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ৩০টি উপজেলায় জরুরি ভিত্তিতে টিকা দেওয়া শুরু হয়। পরবর্তীতে ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা মহানগরীসহ চার সিটি করপোরেশন এবং ২০ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী গণ-টিকাদান কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা শিশুদের দ্রুত টিকা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি সামান্য উপসর্গ দেখা দিলেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
লোড হচ্ছে...