নারায়ণগঞ্জসদর
নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে রোডম্যাপ দিলেন মাসুদুজ্জামান
NewsView

নিউজ ভিউ
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও ক্রীড়ানুরাগী মাসুদুজ্জামান শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত ছাত্র-জনতার মুখোমুখি অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়ে তাঁর বিস্তৃত রোডম্যাপ তুলে ধরেছেন। অগণিত ছাত্র, যুবক, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও সাধারণ মানুষে পরিপূর্ণ মিলনায়তনে তিনি তাঁর রাজনৈতিক দর্শন, ব্যক্তিগত জীবনের সংগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জের প্রতি তাঁর আজীবনের দায়বদ্ধতার কথা তুলে ধরেন।
রবিবার (৭ ডিসেম্বর) এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে মাসুদুজ্জামান তাঁর শৈশবের শৃঙ্খলা এবং প্রবাসজীবনের সংগ্রামের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, "আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা এই নারায়ণগঞ্জের নগর খানপুরে। এই শহরই আমার পরিচয়, এই শহরই আমার শক্তি—তাই এটিকে আরও আধুনিক, উন্নত, নিরাপদ ও কর্মমুখী শহর হিসেবে গড়ে তোলাই আমার স্বপ্ন।"
তিনি নারায়ণগঞ্জের ব্যবসা, শিল্প, মানবিকতা ও দেশপ্রেমের ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করেন। উন্নয়ন পরিকল্পনায় তিনি বন্দরকে আধুনিক শিল্প ও লজিস্টিক্স হাবে রূপান্তর, নারায়ণগঞ্জকে শিক্ষার কেন্দ্র, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, যানজট নিরসন, পরিবেশ ও নদী রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।
মানবসেবা নিয়ে নিজের দর্শন ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত ইবাদত, আর রাজনীতি তাঁর কাছে ক্ষমতার হাতিয়ার নয়, এটি জনকল্যাণের মাধ্যম। তিনি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অঙ্গীকার করে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, "জনতা আগে, নেতা পরে"—এটাই তারেক রহমানের স্বপ্ন এবং তাঁর নিজের রাজনৈতিক নীতি।
অনুষ্ঠানে নগর ও বন্দরের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্যের শেষে মাসুদুজ্জামান সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করে বলেন, আজকের এই উপস্থিতি কেবল একটি অনুষ্ঠান নয়—এটি জনগণের সঙ্গে জবাবদিহিতা ও উন্নয়নের যাত্রার সূচনা।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও ক্রীড়ানুরাগী মাসুদুজ্জামান শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত ছাত্র-জনতার মুখোমুখি অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়ে তাঁর বিস্তৃত রোডম্যাপ তুলে ধরেছেন। অগণিত ছাত্র, যুবক, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও সাধারণ মানুষে পরিপূর্ণ মিলনায়তনে তিনি তাঁর রাজনৈতিক দর্শন, ব্যক্তিগত জীবনের সংগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জের প্রতি তাঁর আজীবনের দায়বদ্ধতার কথা তুলে ধরেন।
রবিবার (৭ ডিসেম্বর) এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে মাসুদুজ্জামান তাঁর শৈশবের শৃঙ্খলা এবং প্রবাসজীবনের সংগ্রামের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, "আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা এই নারায়ণগঞ্জের নগর খানপুরে। এই শহরই আমার পরিচয়, এই শহরই আমার শক্তি—তাই এটিকে আরও আধুনিক, উন্নত, নিরাপদ ও কর্মমুখী শহর হিসেবে গড়ে তোলাই আমার স্বপ্ন।"
তিনি নারায়ণগঞ্জের ব্যবসা, শিল্প, মানবিকতা ও দেশপ্রেমের ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করেন। উন্নয়ন পরিকল্পনায় তিনি বন্দরকে আধুনিক শিল্প ও লজিস্টিক্স হাবে রূপান্তর, নারায়ণগঞ্জকে শিক্ষার কেন্দ্র, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, যানজট নিরসন, পরিবেশ ও নদী রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।
মানবসেবা নিয়ে নিজের দর্শন ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত ইবাদত, আর রাজনীতি তাঁর কাছে ক্ষমতার হাতিয়ার নয়, এটি জনকল্যাণের মাধ্যম। তিনি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অঙ্গীকার করে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, "জনতা আগে, নেতা পরে"—এটাই তারেক রহমানের স্বপ্ন এবং তাঁর নিজের রাজনৈতিক নীতি।
অনুষ্ঠানে নগর ও বন্দরের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্যের শেষে মাসুদুজ্জামান সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করে বলেন, আজকের এই উপস্থিতি কেবল একটি অনুষ্ঠান নয়—এটি জনগণের সঙ্গে জবাবদিহিতা ও উন্নয়নের যাত্রার সূচনা।
লোড হচ্ছে...