সারা দেশ
শরীয়তপুরে স্বামীকে হত্যার পর মরদেহ টুকরো
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে নৃশংশভাবে হত্যার পর মরদেহ টুকরা করে নদী ও ডোবায় ফেলেছেন স্ত্রী। শরীয়তপুর সদর উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জিয়া উদ্দিন সরদার (৪৫) সদর উপজেলার দক্ষিণ মাহমুদপুর এলাকার আবদুর রাজ্জাক সরদারের ছেলে। তিনি মালয়েশিয়া প্রবাসী ছিলেন। আসমার সঙ্গে তার আট বছর আগে বিয়ে হয়।
পালং মডেল থানা সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে জিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে পরিচয়ের পর জিয়া ও আসমা আগের সংসার থেকে বের হয়ে নতুন সংসার করেন। দুজনের সংসারে দুটি করে সন্তান ছিল। গত বছরের মে মাসে জিয়া মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে ফেরার পর তাঁদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য ও ঝগড়া হতে থাকে।
শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম গণমাধ্যমকে বলেন, আসমা আক্তার গত মঙ্গলবার (১২ মে) তার স্বামীকে হত্যার করে। এরপর মরদেহ থেকে হাত–পা টুকরা করে মাংস আলাদা করে কিছু অংশ তিনি পদ্মায় ফেলে দেন, কিছু অংশ একটি সড়কের পাশের ডোবায় ফেলেন। কিছু অংশ একটি ড্রামে ভরে আরেক বাসার ফ্রিজে রাখে। দুর্গন্ধ পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। শুক্রবার (১৫ মে) রাতে পুলিশ আসমাকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সমস্ত ঘটনার দায় স্বীকার করেন।
ওসি শাহ আলম আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও লোহার রড এবং ডোবা থেকে মাথাসহ হাড় উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে।
পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে নৃশংশভাবে হত্যার পর মরদেহ টুকরা করে নদী ও ডোবায় ফেলেছেন স্ত্রী। শরীয়তপুর সদর উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জিয়া উদ্দিন সরদার (৪৫) সদর উপজেলার দক্ষিণ মাহমুদপুর এলাকার আবদুর রাজ্জাক সরদারের ছেলে। তিনি মালয়েশিয়া প্রবাসী ছিলেন। আসমার সঙ্গে তার আট বছর আগে বিয়ে হয়।
পালং মডেল থানা সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে জিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে পরিচয়ের পর জিয়া ও আসমা আগের সংসার থেকে বের হয়ে নতুন সংসার করেন। দুজনের সংসারে দুটি করে সন্তান ছিল। গত বছরের মে মাসে জিয়া মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে ফেরার পর তাঁদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য ও ঝগড়া হতে থাকে।
শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম গণমাধ্যমকে বলেন, আসমা আক্তার গত মঙ্গলবার (১২ মে) তার স্বামীকে হত্যার করে। এরপর মরদেহ থেকে হাত–পা টুকরা করে মাংস আলাদা করে কিছু অংশ তিনি পদ্মায় ফেলে দেন, কিছু অংশ একটি সড়কের পাশের ডোবায় ফেলেন। কিছু অংশ একটি ড্রামে ভরে আরেক বাসার ফ্রিজে রাখে। দুর্গন্ধ পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। শুক্রবার (১৫ মে) রাতে পুলিশ আসমাকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সমস্ত ঘটনার দায় স্বীকার করেন।
ওসি শাহ আলম আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও লোহার রড এবং ডোবা থেকে মাথাসহ হাড় উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে।
লোড হচ্ছে...