নারায়ণগঞ্জ
গ্রেপ্তার ৬
ফতুল্লায় ব্যবসায়ী হত্যার আড়াই বছর পর রহস্য উদঘাটন
NewsView5

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বিকাশ ব্যবসায়ী আতিকুল ইসলাম হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুইজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পিবিআই সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর আলীগঞ্জ রেললাইন সংলগ্ন একটি মাছের খামারের পুকুর থেকে আতিকুল ইসলামের (৩৯) ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে নিহতের চাচা জসীমউদ্দিন বাদী হয়ে ফতুল্লা পুলিশ স্টেশনে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
প্রাথমিক তদন্ত শেষে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে মামলার তদন্তভার পিবিআই নারায়ণগঞ্জের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মামলাটির তদন্ত করছেন পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাহাবুবুর রহমান।
তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৩ মে ২০২৬ আলীগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে মামলার মূল আসামি শান্ত হোসেনকে (২৭) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতভর অভিযান চালিয়ে আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। তারা হলেন— আহাদ আলী (২৩), রুবেল (৩২), আশিক (২৩), জুম্মন (২৩) ও জাহিদ হাসান শুভ (২৫)।
তদন্তে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৯ নভেম্বর রাতে আলী সম্রাট নামের এক ব্যক্তি পাওনা ৫০ হাজার টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে আতিকুল ইসলামকে আলীগঞ্জ রেললাইনে ডেকে নেন। সেখানে আগে থেকেই ওঁৎ পেতে থাকা আসামিরা আতিকুল ইসলামের কাছ থেকে ওই টাকা ও তার কাছে থাকা আরও অর্থ ছিনিয়ে নেয়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পেটে, বুকে ও ঘাড়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে পাশের মাছের খামারের পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়।
পুলিশ রিমান্ড শেষে গত রোববার (১৭ মে) আদালতে হাজির করা হলে প্রধান আসামি শান্ত হোসেন ও আহাদ আলী ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
পিবিআই জানিয়েছে, মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুইজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পিবিআই সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর আলীগঞ্জ রেললাইন সংলগ্ন একটি মাছের খামারের পুকুর থেকে আতিকুল ইসলামের (৩৯) ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে নিহতের চাচা জসীমউদ্দিন বাদী হয়ে ফতুল্লা পুলিশ স্টেশনে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
প্রাথমিক তদন্ত শেষে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে মামলার তদন্তভার পিবিআই নারায়ণগঞ্জের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মামলাটির তদন্ত করছেন পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাহাবুবুর রহমান।
তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৩ মে ২০২৬ আলীগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে মামলার মূল আসামি শান্ত হোসেনকে (২৭) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতভর অভিযান চালিয়ে আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। তারা হলেন— আহাদ আলী (২৩), রুবেল (৩২), আশিক (২৩), জুম্মন (২৩) ও জাহিদ হাসান শুভ (২৫)।
তদন্তে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৯ নভেম্বর রাতে আলী সম্রাট নামের এক ব্যক্তি পাওনা ৫০ হাজার টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে আতিকুল ইসলামকে আলীগঞ্জ রেললাইনে ডেকে নেন। সেখানে আগে থেকেই ওঁৎ পেতে থাকা আসামিরা আতিকুল ইসলামের কাছ থেকে ওই টাকা ও তার কাছে থাকা আরও অর্থ ছিনিয়ে নেয়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পেটে, বুকে ও ঘাড়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে পাশের মাছের খামারের পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়।
পুলিশ রিমান্ড শেষে গত রোববার (১৭ মে) আদালতে হাজির করা হলে প্রধান আসামি শান্ত হোসেন ও আহাদ আলী ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
পিবিআই জানিয়েছে, মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে।
লোড হচ্ছে...