নারায়ণগঞ্জবন্দর
তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুকে ‘শহীদ শরীফ ওসমান হাদী সেতু’ নামকরণের দাবী
NewsView

নিউজ ভিউ
চব্বিশের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের অন্যতম বীর শহীদ এবং সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শরীফ ওসমান হাদী হত্যার বিচার এবং তাঁর স্মৃতিকে অম্লান করে রাখার দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে বন্দর।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেলে সহস্রাধিক ছাত্র-জনতার অংশগ্রহণে আয়োজিত এক বিক্ষোভ মিছিল থেকে ফরাজিকান্দা এলাকায় অবস্থিত ‘তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু’কে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘শহীদ শরীফ ওসমান হাদী সেতু’ হিসেবে নামকরণের ঘোষণা দেওয়া হয়।
শহীদ শরীফ ওসমান হাদীর খুনিদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে শুক্রবার বিকেলে বন্দরের শাহী মসজিদ এলাকা থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ফরাজিকান্দা সংলগ্ন তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর মোহনায় এসে শেষ হয়।
সেখানে সমবেত ছাত্র-জনতা সর্বসম্মতিক্রমে সেতুটির নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ শরীফ ওসমান হাদী সেতু’ হিসেবে ঘোষণা করেন।
সমাবেশে জুলাই আন্দোলনে আহত এবং এনসিপি বন্দর উপজেলার যুগ্ম সমন্বয়ক সোয়াইব রহমান বলেন, “শহীদ শরীফ ওসমান হাদী ছিলেন ১৮ কোটি মানুষের ভালোবাসার মানুষ। তাঁর বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর এ দেশের মানুষকে সত্য বলতে শিখিয়েছে। এমন একজন জাতীয় সম্পদকে যারা প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যা করেছে, তাদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। তাঁর ত্যাগের সম্মানেই আজ আমরা এই সেতুর নামকরণ করলাম।”
সমাবেশে জুলাই আন্দোলনে আহত নেতা রিদওয়ানুল ইসলাম শুভ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “প্রকাশ্য দিবালোকে একজন এমপি প্রার্থীকে গুলি করে হত্যা করা হলো, অথচ আজ পর্যন্ত খুনিরা ধরা পড়ল না। প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলছি, অবিলম্বে খুনিদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনুন। আমাদের রাজপথের এই আন্দোলন থামবে না।”
বিক্ষোভ মিছিলে চব্বিশের ছাত্র আন্দোলনের সম্মুখসারির নেতা মো. ফয়সাল, বন্দর থানা ছাত্র শিবিরের সাবেক আহ্বায়ক মো. আল হাসান, মো. সাগর, মো. নাদিম, ‘আপ বাংলাদেশ’ মহানগর নেতা মো. সাদিউর রহমান, মো. আশরাফুল এবং মো. রাসেলসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ ছাত্র ও জনতা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ শেষে উপস্থিত জনতা শহীদ হাদীর রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন।
চব্বিশের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের অন্যতম বীর শহীদ এবং সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শরীফ ওসমান হাদী হত্যার বিচার এবং তাঁর স্মৃতিকে অম্লান করে রাখার দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে বন্দর।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেলে সহস্রাধিক ছাত্র-জনতার অংশগ্রহণে আয়োজিত এক বিক্ষোভ মিছিল থেকে ফরাজিকান্দা এলাকায় অবস্থিত ‘তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু’কে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘শহীদ শরীফ ওসমান হাদী সেতু’ হিসেবে নামকরণের ঘোষণা দেওয়া হয়।
শহীদ শরীফ ওসমান হাদীর খুনিদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে শুক্রবার বিকেলে বন্দরের শাহী মসজিদ এলাকা থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ফরাজিকান্দা সংলগ্ন তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর মোহনায় এসে শেষ হয়।
সেখানে সমবেত ছাত্র-জনতা সর্বসম্মতিক্রমে সেতুটির নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ শরীফ ওসমান হাদী সেতু’ হিসেবে ঘোষণা করেন।
সমাবেশে জুলাই আন্দোলনে আহত এবং এনসিপি বন্দর উপজেলার যুগ্ম সমন্বয়ক সোয়াইব রহমান বলেন, “শহীদ শরীফ ওসমান হাদী ছিলেন ১৮ কোটি মানুষের ভালোবাসার মানুষ। তাঁর বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর এ দেশের মানুষকে সত্য বলতে শিখিয়েছে। এমন একজন জাতীয় সম্পদকে যারা প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যা করেছে, তাদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। তাঁর ত্যাগের সম্মানেই আজ আমরা এই সেতুর নামকরণ করলাম।”
সমাবেশে জুলাই আন্দোলনে আহত নেতা রিদওয়ানুল ইসলাম শুভ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “প্রকাশ্য দিবালোকে একজন এমপি প্রার্থীকে গুলি করে হত্যা করা হলো, অথচ আজ পর্যন্ত খুনিরা ধরা পড়ল না। প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলছি, অবিলম্বে খুনিদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনুন। আমাদের রাজপথের এই আন্দোলন থামবে না।”
বিক্ষোভ মিছিলে চব্বিশের ছাত্র আন্দোলনের সম্মুখসারির নেতা মো. ফয়সাল, বন্দর থানা ছাত্র শিবিরের সাবেক আহ্বায়ক মো. আল হাসান, মো. সাগর, মো. নাদিম, ‘আপ বাংলাদেশ’ মহানগর নেতা মো. সাদিউর রহমান, মো. আশরাফুল এবং মো. রাসেলসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ ছাত্র ও জনতা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ শেষে উপস্থিত জনতা শহীদ হাদীর রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন।
লোড হচ্ছে...