নারায়ণগঞ্জসোনারগাঁও
কাইকারটেকে অঞ্জন দাস
‘চাঁদাবাজির রাজনীতির ভারে জর্জরিত’
NewsView

নিউজ ভিউ
নারায়ণগঞ্জ–০৩ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থী অঞ্জন দাস আজ সোনারগাঁয়ের কাইকারটেক হাটে এক প্রাণবন্ত হাটসভা পরিচালনা করেন। হাটের ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী মানুষ এবং সাধারণ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই সভাটি ব্যাপক সাড়া ফেলে। এই সভায় তিনি তাঁর প্রতীক ‘মাথাল’ মার্কায় বিকল্প জনরাজনীতির ডাক দেন।
হাটসভায় বক্তব্যে গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপ্রধান অঞ্জন দাস বলেন, নারায়ণগঞ্জ–০৩ আসন আজ বেকারত্ব, শ্রমিক নিপীড়ন, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, শিক্ষা-স্বাস্থ্যের অব্যবস্থাপনা এবং দখল চাঁদাবাজির রাজনীতির ভারে জর্জরিত। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তির একমাত্র পথ হলো জনমানুষের অধিকারভিত্তিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করা।
অঞ্জন দাস তাঁর দলের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, গণসংহতি আন্দোলন কোনো লুটেরা গোষ্ঠীর রাজনীতি করে না। তিনি শ্রমিক, কৃষক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও তরুণদের কণ্ঠস্বর হয়ে সংসদে কথা বলার অঙ্গীকার করেন।
তিনি বলেন, ‘মাথাল’ মার্কা মানে মাথা উঁচু করে বাঁচার প্রতীক—শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, কৃষকের ন্যায্য দাম, নারীর মর্যাদা ও যুবসমাজের কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা। তিনি জনগণকে ভয় না পেয়ে সংগঠিত শক্তির পথে এগিয়ে আসার এবং আগামী নির্বাচনকে গণমানুষের অধিকার পুনরুদ্ধারের গণভোটে পরিণত করার আহ্বান জানান।
হাটসভায় উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ মহানগরের নির্বাহী সমন্বয়কারী পপি রাণী সরকার, নারী সংহতি জেলা আহ্বায়ক নাজমা বেগম, সোনারগাঁও থানার আহ্বায়ক মোমেন হাসান প্রান্ত ও সম্পাদক মো: মোবাশ্বির হোসাইন, বাংলাদেশ যুব ফেডারেশন জেলার প্রচার সম্পাদক শাকিব সানি ও সদস্য রাতুল দেওয়ানসহ গণসংহতি আন্দোলন ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
নারায়ণগঞ্জ–০৩ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থী অঞ্জন দাস আজ সোনারগাঁয়ের কাইকারটেক হাটে এক প্রাণবন্ত হাটসভা পরিচালনা করেন। হাটের ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী মানুষ এবং সাধারণ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই সভাটি ব্যাপক সাড়া ফেলে। এই সভায় তিনি তাঁর প্রতীক ‘মাথাল’ মার্কায় বিকল্প জনরাজনীতির ডাক দেন।
হাটসভায় বক্তব্যে গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপ্রধান অঞ্জন দাস বলেন, নারায়ণগঞ্জ–০৩ আসন আজ বেকারত্ব, শ্রমিক নিপীড়ন, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, শিক্ষা-স্বাস্থ্যের অব্যবস্থাপনা এবং দখল চাঁদাবাজির রাজনীতির ভারে জর্জরিত। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তির একমাত্র পথ হলো জনমানুষের অধিকারভিত্তিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করা।
অঞ্জন দাস তাঁর দলের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, গণসংহতি আন্দোলন কোনো লুটেরা গোষ্ঠীর রাজনীতি করে না। তিনি শ্রমিক, কৃষক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও তরুণদের কণ্ঠস্বর হয়ে সংসদে কথা বলার অঙ্গীকার করেন।
তিনি বলেন, ‘মাথাল’ মার্কা মানে মাথা উঁচু করে বাঁচার প্রতীক—শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, কৃষকের ন্যায্য দাম, নারীর মর্যাদা ও যুবসমাজের কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা। তিনি জনগণকে ভয় না পেয়ে সংগঠিত শক্তির পথে এগিয়ে আসার এবং আগামী নির্বাচনকে গণমানুষের অধিকার পুনরুদ্ধারের গণভোটে পরিণত করার আহ্বান জানান।
হাটসভায় উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ মহানগরের নির্বাহী সমন্বয়কারী পপি রাণী সরকার, নারী সংহতি জেলা আহ্বায়ক নাজমা বেগম, সোনারগাঁও থানার আহ্বায়ক মোমেন হাসান প্রান্ত ও সম্পাদক মো: মোবাশ্বির হোসাইন, বাংলাদেশ যুব ফেডারেশন জেলার প্রচার সম্পাদক শাকিব সানি ও সদস্য রাতুল দেওয়ানসহ গণসংহতি আন্দোলন ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
লোড হচ্ছে...