জাতীয়
শেরপুরে ভোট কারচুপির অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর
NewsView

নিউজভিউ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-১ (সদর) আসনের ফলাফল বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই দাবি উত্থাপন করেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম, ভোট জালিয়াতি এবং প্রশাসনিক অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে এই সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ডা. প্রিয়াঙ্কা অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দিন পরিকল্পিতভাবে তাঁর প্রতীক ‘ধানের শীষ’-এর ভোট কমিয়ে দেখানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বেশ কিছু ভোটকেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারের সিল এবং পোলিং এজেন্টের স্বাক্ষর ছাড়াই ফলাফল তৈরি করা হয়েছে। প্রিয়াঙ্কার ভাষ্যমতে, “নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের একাংশ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার পরিবেশ তৈরি করেছিলেন। বিশেষ করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার অসহযোগিতা কারচুপির পথকে আরও সহজ করেছে।”
বিএনপি প্রার্থীর অভিযোগ অনুযায়ী, নির্বাচনের দিন ১৪৫টি ভোটকেন্দ্রের অধিকাংশ জায়গাতেই বিএনপির এজেন্টদের হুমকি ও চাপের মুখে রাখা হয়েছিল। ডা. প্রিয়াঙ্কা আরও বলেন, “ভোট গ্রহণের গতি কমিয়ে কৃত্রিম জট তৈরি করা হয়েছিল যাতে ভোটাররা দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে বিরক্ত হয়ে ফিরে যান এবং সেই সুযোগে ব্যালটে অবৈধভাবে সিল মারা যায়। এমনকি হিন্দু ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী ভোটারদের ভোটদানে সরাসরি বাধা দেওয়া হয়েছে।”
ডা. প্রিয়াঙ্কা অভিযোগ করে বলেন, লাঙল প্রতীকের প্রার্থীর এজেন্টরা কর্মকর্তাদের সাথে অনৈতিক সমঝোতা করে জামায়াত এবং বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছে। সংবাদ সম্মেলন শেষে তিনি নিজের দাবির সপক্ষে কিছু ভিডিও চিত্র ও তথ্যচিত্র সাংবাদিকদের সামনে প্রদর্শন করেন।
উল্লেখ্য যে, ১৩ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, শেরপুর-১ আসনে ১ লাখ ২৭ হাজার ৮১১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. রাশেদুল ইসলাম। ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা ৭৮ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। তবে বিপুল ভোটের এই ব্যবধানকে ‘জালিয়াতি’ আখ্যা দিয়ে ডা. প্রিয়াঙ্কা নির্বাচন কমিশনের কাছে ফলাফল স্থগিতের আবেদন জানিয়েছেন এবং প্রয়োজনে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-১ (সদর) আসনের ফলাফল বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই দাবি উত্থাপন করেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম, ভোট জালিয়াতি এবং প্রশাসনিক অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে এই সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ডা. প্রিয়াঙ্কা অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দিন পরিকল্পিতভাবে তাঁর প্রতীক ‘ধানের শীষ’-এর ভোট কমিয়ে দেখানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বেশ কিছু ভোটকেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারের সিল এবং পোলিং এজেন্টের স্বাক্ষর ছাড়াই ফলাফল তৈরি করা হয়েছে। প্রিয়াঙ্কার ভাষ্যমতে, “নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের একাংশ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার পরিবেশ তৈরি করেছিলেন। বিশেষ করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার অসহযোগিতা কারচুপির পথকে আরও সহজ করেছে।”
বিএনপি প্রার্থীর অভিযোগ অনুযায়ী, নির্বাচনের দিন ১৪৫টি ভোটকেন্দ্রের অধিকাংশ জায়গাতেই বিএনপির এজেন্টদের হুমকি ও চাপের মুখে রাখা হয়েছিল। ডা. প্রিয়াঙ্কা আরও বলেন, “ভোট গ্রহণের গতি কমিয়ে কৃত্রিম জট তৈরি করা হয়েছিল যাতে ভোটাররা দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে বিরক্ত হয়ে ফিরে যান এবং সেই সুযোগে ব্যালটে অবৈধভাবে সিল মারা যায়। এমনকি হিন্দু ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী ভোটারদের ভোটদানে সরাসরি বাধা দেওয়া হয়েছে।”
ডা. প্রিয়াঙ্কা অভিযোগ করে বলেন, লাঙল প্রতীকের প্রার্থীর এজেন্টরা কর্মকর্তাদের সাথে অনৈতিক সমঝোতা করে জামায়াত এবং বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছে। সংবাদ সম্মেলন শেষে তিনি নিজের দাবির সপক্ষে কিছু ভিডিও চিত্র ও তথ্যচিত্র সাংবাদিকদের সামনে প্রদর্শন করেন।
উল্লেখ্য যে, ১৩ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, শেরপুর-১ আসনে ১ লাখ ২৭ হাজার ৮১১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. রাশেদুল ইসলাম। ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা ৭৮ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। তবে বিপুল ভোটের এই ব্যবধানকে ‘জালিয়াতি’ আখ্যা দিয়ে ডা. প্রিয়াঙ্কা নির্বাচন কমিশনের কাছে ফলাফল স্থগিতের আবেদন জানিয়েছেন এবং প্রয়োজনে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
লোড হচ্ছে...