বিনোদন
আবারও পেছালো সালমান শাহ হত্যা মামলার প্রতিবেদন
NHP NewsView

নিউজভিউ
ঢাকাই চলচ্চিত্রের ক্ষণজন্মা ও জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৪ মে নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তদন্ত কর্মকর্তা তা দাখিল করতে না পারায় আদালত এই নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
সালমান শাহর মৃত্যুর দীর্ঘ ২৭ বছর পর গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় এই হত্যা মামলাটি দায়ের করেন তার মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামীরা হকসহ মোট ১১ জনকে নামীয় আসামি করা হয়েছে। দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় দায়ের করা এই মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে এটিকে আত্মহত্যা বলে দাবি করা হলেও পরিবারের পক্ষ থেকে শুরু থেকেই এটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে অভিযোগ তোলা হয়।
এজাহারের বিবরণ অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিউ ইস্কাটনের নিজ বাসায় সালমান শাহকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল। পরে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরিবারের দাবি, সালমানের গলায় ফাঁসের দাগ ছাড়াও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল, যা হত্যাকাণ্ডের স্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে।
প্রাথমিকভাবে ঘটনার পরদিন একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হলেও দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে গত বছরের ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক মামলাটিকে হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। আদালতের সেই আদেশের পরদিনই ১১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে খুনের মামলা করা হয়।
মামলার আসামিদের তালিকায় রয়েছেন— সামীরা হক, আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ। বাদীপক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে যারা ইতোমধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন, প্রমাণ সাপেক্ষে তাদের নাম অব্যাহতি দেওয়া হতে পারে। বর্তমানে মামলাটির অধিকতর তদন্ত চলমান রয়েছে এবং ভক্তরা অধীর আগ্রহে প্রতীক্ষা করছেন প্রকৃত সত্য উন্মোচনের।
ঢাকাই চলচ্চিত্রের ক্ষণজন্মা ও জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৪ মে নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তদন্ত কর্মকর্তা তা দাখিল করতে না পারায় আদালত এই নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
সালমান শাহর মৃত্যুর দীর্ঘ ২৭ বছর পর গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় এই হত্যা মামলাটি দায়ের করেন তার মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামীরা হকসহ মোট ১১ জনকে নামীয় আসামি করা হয়েছে। দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় দায়ের করা এই মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে এটিকে আত্মহত্যা বলে দাবি করা হলেও পরিবারের পক্ষ থেকে শুরু থেকেই এটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে অভিযোগ তোলা হয়।
এজাহারের বিবরণ অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিউ ইস্কাটনের নিজ বাসায় সালমান শাহকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল। পরে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরিবারের দাবি, সালমানের গলায় ফাঁসের দাগ ছাড়াও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল, যা হত্যাকাণ্ডের স্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে।
প্রাথমিকভাবে ঘটনার পরদিন একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হলেও দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে গত বছরের ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক মামলাটিকে হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। আদালতের সেই আদেশের পরদিনই ১১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে খুনের মামলা করা হয়।
মামলার আসামিদের তালিকায় রয়েছেন— সামীরা হক, আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ। বাদীপক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে যারা ইতোমধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন, প্রমাণ সাপেক্ষে তাদের নাম অব্যাহতি দেওয়া হতে পারে। বর্তমানে মামলাটির অধিকতর তদন্ত চলমান রয়েছে এবং ভক্তরা অধীর আগ্রহে প্রতীক্ষা করছেন প্রকৃত সত্য উন্মোচনের।
লোড হচ্ছে...