সারা দেশ
ধর্ষণের অভিযোগে সাবেক ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
শেরপুরে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে জেলা ছাত্রদলের সাবেক এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (২৩ মে) রাতে বিক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে তাকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়।
গ্রেপ্তারকৃত এনামুল হোসেন (৪০) শহরের সজবরখিলা মহল্লার মোবারক মিয়ার ছেলে। তিনি জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় রবিবার (২৪ মে) দুপুরে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। অন্যদিকে, ভুক্তভোগীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য জেলা সদর হাসপাতালের ওসিসি (ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস) সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। এদিকে ঘটনার পর অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবিতে শহরে বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী।
মামলার অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী তার স্বামীকে নিয়ে গত ৫ মাস ধরে এনামুলের বাড়িতে ভাড়া থাকছিলেন। অভিযুক্ত এনামুল দীর্ঘদিন ধরে ওই গৃহবধূকে মেসেঞ্জারে নানা কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। এ নিয়ে সম্প্রতি ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে একটি সালিশ বৈঠকও হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শনিবার দুপুরে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন এনামুল। রাতে বিষয়টি জানাজানি হলে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী এনামুলকে আটকে গণপিটুনি দেয়।
এ বিষয়ে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাসরিন আক্তার বলেন, "ধর্ষণের ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্তকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।"
গ্রেপ্তারকৃত এনামুল হোসেন (৪০) শহরের সজবরখিলা মহল্লার মোবারক মিয়ার ছেলে। তিনি জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় রবিবার (২৪ মে) দুপুরে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। অন্যদিকে, ভুক্তভোগীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য জেলা সদর হাসপাতালের ওসিসি (ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস) সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। এদিকে ঘটনার পর অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবিতে শহরে বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী।
মামলার অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী তার স্বামীকে নিয়ে গত ৫ মাস ধরে এনামুলের বাড়িতে ভাড়া থাকছিলেন। অভিযুক্ত এনামুল দীর্ঘদিন ধরে ওই গৃহবধূকে মেসেঞ্জারে নানা কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। এ নিয়ে সম্প্রতি ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে একটি সালিশ বৈঠকও হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শনিবার দুপুরে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন এনামুল। রাতে বিষয়টি জানাজানি হলে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী এনামুলকে আটকে গণপিটুনি দেয়।
এ বিষয়ে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাসরিন আক্তার বলেন, "ধর্ষণের ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্তকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।"
লোড হচ্ছে...