নারায়ণগঞ্জবন্দর
বন্দরে ডোবা থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত মরদেহের পরিচয় মিলেছে
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় ডোবা থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত যুবকের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহত যুবকের নাম আরমান (২৪)। তিনি কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার মধ্য কোনাগটা এলাকার মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে। পেশায় তিনি একজন দিনমজুর ছিলেন।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বন্দর থানায় এসে নিহতের বড় ভাই ফোরকান ও মামা মোস্তাক আহাম্মেদ মরদেহটি আরমানের বলে শনাক্ত করেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ধামগড় ইউনিয়নের ইস্ট টাউন হাউজিং এলাকার একটি ডোবা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ।
নিহতের বড় ভাই ফোরকান জানান, প্রায় তিন মাস আগে কাউকে কিছু না বলে আরমান বাড়ি থেকে চলে আসেন। মাঝে মাঝে ফোনে কথা হলেও তিনি কোথায় আছেন বা কী কাজ করছেন, তা পরিবারের কাছে গোপন রাখতেন। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) শবে বরাতের দিন পরিবারের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছিল। এরপর থেকে তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল।
ধামগড় ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহমুদ আলম জানান, লারিজ ফ্যাশনের পেছনের ডোবায় মরদেহটি ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশের সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন ও কাপড়-চোপড় জব্দ করে। পরবর্তীতে আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় ওই ফোনের কললিস্ট ও সিডিআর পর্যালোচনা করে নিহতের স্বজনদের খুঁজে বের করা হয় এবং পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
বন্দর থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, “নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে আমরা ইতিমধ্যে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদ্ঘাটন এবং এই ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ শুরু করেছি।”
বর্তমানে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় ডোবা থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত যুবকের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহত যুবকের নাম আরমান (২৪)। তিনি কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার মধ্য কোনাগটা এলাকার মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে। পেশায় তিনি একজন দিনমজুর ছিলেন।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বন্দর থানায় এসে নিহতের বড় ভাই ফোরকান ও মামা মোস্তাক আহাম্মেদ মরদেহটি আরমানের বলে শনাক্ত করেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ধামগড় ইউনিয়নের ইস্ট টাউন হাউজিং এলাকার একটি ডোবা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ।
নিহতের বড় ভাই ফোরকান জানান, প্রায় তিন মাস আগে কাউকে কিছু না বলে আরমান বাড়ি থেকে চলে আসেন। মাঝে মাঝে ফোনে কথা হলেও তিনি কোথায় আছেন বা কী কাজ করছেন, তা পরিবারের কাছে গোপন রাখতেন। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) শবে বরাতের দিন পরিবারের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছিল। এরপর থেকে তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল।
ধামগড় ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহমুদ আলম জানান, লারিজ ফ্যাশনের পেছনের ডোবায় মরদেহটি ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশের সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন ও কাপড়-চোপড় জব্দ করে। পরবর্তীতে আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় ওই ফোনের কললিস্ট ও সিডিআর পর্যালোচনা করে নিহতের স্বজনদের খুঁজে বের করা হয় এবং পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
বন্দর থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, “নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে আমরা ইতিমধ্যে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদ্ঘাটন এবং এই ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ শুরু করেছি।”
বর্তমানে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
লোড হচ্ছে...