রাজনীতি
শহীদ মানিক শাহরিকের কবর জিয়ারত করলো ছাত্র ফেডারেশন
NewsView

নিউজ ভিউ, নারায়ণগঞ্জ: আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণহত্যার রায় ঘোষণার একদিন পর, সরকারি তোলারাম কলেজের ছাত্র ও জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ মানিক মিয়া শাহরিকের কবর জিয়ারত করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা।
মঙ্গলবার ছাত্র ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি প্রতিনিধি দল শহীদ মানিক মিয়া শাহরিকের বাড়িতে গিয়ে তাঁর কবর জিয়ারত করেন এবং তাঁর পরিবারের প্রতি সংহতি জানান।
গত ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল জুলাই হত্যা মামলার রায়ে চানখারপুলে ছয়জন ছাত্র-জনতাকে হত্যার ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড এবং সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। নিহতদের মধ্যে সরকারি তোলারাম কলেজের ছাত্র মানিক মিয়া শাহরিক ছিলেন অন্যতম।
কবর জিয়ারতের পর শহীদ মানিক মিয়া শাহরিকের বাবা তাঁর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, "এই রায়ে আমি খুশি, তবে সন্তুষ্ট নই। কেননা এখনো গণহত্যাকারীদের দেশে ফিরিয়ে আনার কোনো ভূমিকা দেখি নি। আমার ছেলের হত্যাকারীরা এখনো দেশে-বিদেশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। যতদিন খুনীদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করা না হবে, যতদিন এই রায় কার্যকর না হবে ততদিন আমি সন্তুষ্ট হতে পারবো না। আমার ছেলের হত্যাকারী সহ সকল গণহত্যাকারীদের বিচার করার দাবি জানাই।"
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলার সহ-সভাপতি সৃজয় সাহার নেতৃত্বে ছাত্রনেতা শাহিন মৃধা, মুন্নি আক্তার প্রত্যাশা, মো. আমির ফয়সাল শান্ত ও আব্দুল্লাহ এই কার্যক্রমে অংশ নেন।
জেলা সহ-সভাপতি ছাত্রনেতা সৃজয় সাহা বলেন, "জুলাই গণহত্যার রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে বহুদিনের অপেক্ষার পর সত্য প্রতিষ্ঠার পথে একটি নতুন অধ্যায় খুলেছে। বিচার প্রক্রিয়ার সূচনা আমাদের ন্যায়বিচারের লড়াইকে আরও দৃঢ় করেছে। আমরা বিশ্বাস করি—এই বিচার আইনগতভাবে সঠিকভাবে কার্যকর হলে শহীদ মানিক মিয়াসহ সব শহীদের আত্মত্যাগ সম্মানিত হবে, আর ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশের পথ আরও প্রশস্ত হবে।"
তিনি অঙ্গীকার করেন, "শহীদদের স্বপ্ন পূরণের লড়াই চলবে—ন্যায়বিচারের বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার আমাদের অবিচল।"
মঙ্গলবার ছাত্র ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি প্রতিনিধি দল শহীদ মানিক মিয়া শাহরিকের বাড়িতে গিয়ে তাঁর কবর জিয়ারত করেন এবং তাঁর পরিবারের প্রতি সংহতি জানান।
গত ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল জুলাই হত্যা মামলার রায়ে চানখারপুলে ছয়জন ছাত্র-জনতাকে হত্যার ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড এবং সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। নিহতদের মধ্যে সরকারি তোলারাম কলেজের ছাত্র মানিক মিয়া শাহরিক ছিলেন অন্যতম।
কবর জিয়ারতের পর শহীদ মানিক মিয়া শাহরিকের বাবা তাঁর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, "এই রায়ে আমি খুশি, তবে সন্তুষ্ট নই। কেননা এখনো গণহত্যাকারীদের দেশে ফিরিয়ে আনার কোনো ভূমিকা দেখি নি। আমার ছেলের হত্যাকারীরা এখনো দেশে-বিদেশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। যতদিন খুনীদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করা না হবে, যতদিন এই রায় কার্যকর না হবে ততদিন আমি সন্তুষ্ট হতে পারবো না। আমার ছেলের হত্যাকারী সহ সকল গণহত্যাকারীদের বিচার করার দাবি জানাই।"
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলার সহ-সভাপতি সৃজয় সাহার নেতৃত্বে ছাত্রনেতা শাহিন মৃধা, মুন্নি আক্তার প্রত্যাশা, মো. আমির ফয়সাল শান্ত ও আব্দুল্লাহ এই কার্যক্রমে অংশ নেন।
জেলা সহ-সভাপতি ছাত্রনেতা সৃজয় সাহা বলেন, "জুলাই গণহত্যার রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে বহুদিনের অপেক্ষার পর সত্য প্রতিষ্ঠার পথে একটি নতুন অধ্যায় খুলেছে। বিচার প্রক্রিয়ার সূচনা আমাদের ন্যায়বিচারের লড়াইকে আরও দৃঢ় করেছে। আমরা বিশ্বাস করি—এই বিচার আইনগতভাবে সঠিকভাবে কার্যকর হলে শহীদ মানিক মিয়াসহ সব শহীদের আত্মত্যাগ সম্মানিত হবে, আর ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশের পথ আরও প্রশস্ত হবে।"
তিনি অঙ্গীকার করেন, "শহীদদের স্বপ্ন পূরণের লড়াই চলবে—ন্যায়বিচারের বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার আমাদের অবিচল।"
লোড হচ্ছে...