নারায়ণগঞ্জ
শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নারায়ণগঞ্জে ১৩ পশুর হাটের ইজারা সম্পন্ন
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
আগের বছরগুলোতে কোরবানির পশুর হাটের ইজারা নিয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এমনকি গুলিবর্ষণের ঘটনাও ঘটেছিল। তবে এবার কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ছাড়াই ১৩টি পশুর হাটের দরপত্র উন্মুক্ত ও ইজারা কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেলে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম ফয়েজ উদ্দিন তার কার্যালয়ে দরপত্র খুলে সর্বোচ্চ দরদাতাদের নাম ঘোষণা করেন।
দরপত্র উন্মুক্তকরণকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই উপজেলা পরিষদ এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পুলিশ, র্যাব ও আনসার সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা যায়। বিশৃঙ্খলা এড়াতে পরিষদে প্রবেশের একাধিক পথ বন্ধ রেখে একটি মাত্র গেট খোলা রাখা হয়।
দিনজুড়ে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। বিএনপির কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাকে ইউএনও’র কক্ষে একাধিকবার যাতায়াত করতে দেখা যায়। পাশাপাশি এনসিপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরাও পরিষদ এলাকায় অবস্থান নেন। তবে উত্তেজনার আশঙ্কা থাকলেও কোথাও কোনো সংঘর্ষ বা বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেনি।
এর আগে চলতি বছরের ২১ এপ্রিল বক্তাবলী খেয়াঘাটের ইজারা নিয়ে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও মারামারিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হয়েছিল।
এছাড়া গত বছরের ২৫ মে পশুর হাটের দরপত্র কেনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হন।
প্রশাসন জানায়, পশুর হাট ইজারা কার্যক্রমকে ঘিরে যাতে কোনো ধরনের উত্তেজনা বা অনিয়ম না ঘটে, সেজন্য শুরু থেকেই বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হয়। দরপত্র গ্রহণ থেকে শুরু করে যাচাই-বাছাই ও উন্মুক্তকরণের পুরো প্রক্রিয়া কঠোর নজরদারির মধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, ঈদকে সামনে রেখে হাট ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি সরকারি রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে নিয়ম মেনেই ইজারা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, হাটগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার, যানজট নিয়ন্ত্রণ ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেলে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম ফয়েজ উদ্দিন তার কার্যালয়ে দরপত্র খুলে সর্বোচ্চ দরদাতাদের নাম ঘোষণা করেন।
দরপত্র উন্মুক্তকরণকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই উপজেলা পরিষদ এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পুলিশ, র্যাব ও আনসার সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা যায়। বিশৃঙ্খলা এড়াতে পরিষদে প্রবেশের একাধিক পথ বন্ধ রেখে একটি মাত্র গেট খোলা রাখা হয়।
দিনজুড়ে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। বিএনপির কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাকে ইউএনও’র কক্ষে একাধিকবার যাতায়াত করতে দেখা যায়। পাশাপাশি এনসিপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরাও পরিষদ এলাকায় অবস্থান নেন। তবে উত্তেজনার আশঙ্কা থাকলেও কোথাও কোনো সংঘর্ষ বা বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেনি।
এর আগে চলতি বছরের ২১ এপ্রিল বক্তাবলী খেয়াঘাটের ইজারা নিয়ে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও মারামারিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হয়েছিল।
এছাড়া গত বছরের ২৫ মে পশুর হাটের দরপত্র কেনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হন।
প্রশাসন জানায়, পশুর হাট ইজারা কার্যক্রমকে ঘিরে যাতে কোনো ধরনের উত্তেজনা বা অনিয়ম না ঘটে, সেজন্য শুরু থেকেই বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হয়। দরপত্র গ্রহণ থেকে শুরু করে যাচাই-বাছাই ও উন্মুক্তকরণের পুরো প্রক্রিয়া কঠোর নজরদারির মধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, ঈদকে সামনে রেখে হাট ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি সরকারি রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে নিয়ম মেনেই ইজারা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, হাটগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার, যানজট নিয়ন্ত্রণ ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
লোড হচ্ছে...