জাতীয়
ভুটানের সঙ্গে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ বাণিজ্যমন্ত্রীর
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাশো কর্মা হামু দর্জি। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সচিবালয়ে মন্ত্রীর নিজ দপ্তরে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিশেষ করে সৌর ও জলবিদ্যুৎ খাতে যৌথ উদ্যোগের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সম্মিলিত জিডিপি প্রায় ৫৯ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার হলেও পারস্পরিক বাণিজ্য মাত্র ১ শতাংশের কাছাকাছি, যা সম্ভাবনার তুলনায় অত্যন্ত কম। এ অবস্থায় প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তোলা জরুরি।
খন্দকার মুক্তাদির বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কার্যকর অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে আঞ্চলিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ। সীমান্তবর্তী এলাকায় স্বল্প দূরত্বে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন পারস্পরিকভাবে লাভজনক হতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ভুটানের রাষ্ট্রদূত খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে বাণিজ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভুটানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। বুড়িমারি সীমান্ত থেকে ভুটানের দূরত্ব মাত্র ১০০ কিলোমিটার হওয়ায় দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের চমৎকার পরিবেশ রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের মেডিকেল কলেজগুলোতে ভুটানি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় আরও সুদৃঢ় হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) আয়েশা আক্তার এবং ভুটানের মিনিস্টার কাউন্সিলর (ট্রেড) দাওয়া শেরিং উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিশেষ করে সৌর ও জলবিদ্যুৎ খাতে যৌথ উদ্যোগের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সম্মিলিত জিডিপি প্রায় ৫৯ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার হলেও পারস্পরিক বাণিজ্য মাত্র ১ শতাংশের কাছাকাছি, যা সম্ভাবনার তুলনায় অত্যন্ত কম। এ অবস্থায় প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তোলা জরুরি।
খন্দকার মুক্তাদির বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কার্যকর অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে আঞ্চলিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ। সীমান্তবর্তী এলাকায় স্বল্প দূরত্বে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন পারস্পরিকভাবে লাভজনক হতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ভুটানের রাষ্ট্রদূত খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে বাণিজ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভুটানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। বুড়িমারি সীমান্ত থেকে ভুটানের দূরত্ব মাত্র ১০০ কিলোমিটার হওয়ায় দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের চমৎকার পরিবেশ রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের মেডিকেল কলেজগুলোতে ভুটানি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় আরও সুদৃঢ় হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) আয়েশা আক্তার এবং ভুটানের মিনিস্টার কাউন্সিলর (ট্রেড) দাওয়া শেরিং উপস্থিত ছিলেন।
লোড হচ্ছে...