নারায়ণগঞ্জসদর
ওসমান হাদী হত্যাচেষ্টা: ফয়সল মাসুদের সহযোগী 'দাঁতভাঙ্গা কবির' নারায়ণগঞ্জে গ্রেপ্তার
NewsView

নিউজ ভিউ
ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যপ্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদীর উপর গুলি চালিয়ে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী কবির ওরফে 'দাঁতভাঙ্গা কবির'কে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) র্যাব-১১ নারায়ণগঞ্জ এর অভিযানে ফতুল্লা পাগলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স-কালভার্ট রোডে বিজয়নগর এলাকায় রিকশায় থাকা 'ইনকিলাব মঞ্চের' আহ্বায়ক ওসমান বিন হাদিকে লক্ষ্য করে মোটরসাইকেল আরোহী দুজন আততায়ী গুলি করে পালিয়ে যায়। গুলিতে হাদি মাথায় গুরুতর আঘাত পান। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী গুলি চালানোর সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকে শনাক্ত করে— তারা হলেন প্রধান সন্দেহভাজন শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান এবং বাইক চালক আলমগীর হোসেন। এই ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হলে দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য র্যাব-১১ গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে র্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত কবির (৩০) এই হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গত ৪ ডিসেম্বর আসামি কবির ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারে ফয়সাল করিম মাসুদের সাথে বেশ কয়েকবার প্রবেশ করেছিলেন। হামলার পরপরই অভিযুক্ত কবির, ফয়সাল এবং আলমগীর গ্রেপ্তার এড়ানোর উদ্দেশ্যে আত্মগোপন করেন।
গ্রেপ্তারকৃত কবিরের পিতার নাম মৃত মোজাফফর ও মাতার নাম আনোয়ারা বেগম। তাঁর স্থায়ী ঠিকানা পটুয়াখালী সদরের টিটকাটা হলেও বর্তমানে তিনি কেরানীগঞ্জ আশ্বিনানগরে বসবাস করতেন।
র্যাব-১১ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত কবিরের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তাঁকে ডিএমপি, ডিবি, ঢাকায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যপ্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদীর উপর গুলি চালিয়ে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী কবির ওরফে 'দাঁতভাঙ্গা কবির'কে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) র্যাব-১১ নারায়ণগঞ্জ এর অভিযানে ফতুল্লা পাগলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স-কালভার্ট রোডে বিজয়নগর এলাকায় রিকশায় থাকা 'ইনকিলাব মঞ্চের' আহ্বায়ক ওসমান বিন হাদিকে লক্ষ্য করে মোটরসাইকেল আরোহী দুজন আততায়ী গুলি করে পালিয়ে যায়। গুলিতে হাদি মাথায় গুরুতর আঘাত পান। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী গুলি চালানোর সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকে শনাক্ত করে— তারা হলেন প্রধান সন্দেহভাজন শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান এবং বাইক চালক আলমগীর হোসেন। এই ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হলে দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য র্যাব-১১ গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে র্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত কবির (৩০) এই হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গত ৪ ডিসেম্বর আসামি কবির ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারে ফয়সাল করিম মাসুদের সাথে বেশ কয়েকবার প্রবেশ করেছিলেন। হামলার পরপরই অভিযুক্ত কবির, ফয়সাল এবং আলমগীর গ্রেপ্তার এড়ানোর উদ্দেশ্যে আত্মগোপন করেন।
গ্রেপ্তারকৃত কবিরের পিতার নাম মৃত মোজাফফর ও মাতার নাম আনোয়ারা বেগম। তাঁর স্থায়ী ঠিকানা পটুয়াখালী সদরের টিটকাটা হলেও বর্তমানে তিনি কেরানীগঞ্জ আশ্বিনানগরে বসবাস করতেন।
র্যাব-১১ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত কবিরের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তাঁকে ডিএমপি, ডিবি, ঢাকায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
লোড হচ্ছে...