রাজনীতিসদর
শীতলক্ষ্যাকে বদলাতে না পারলে প্রকৃত অর্থে পরিবর্তন সম্ভব নয়: অ্যাড. সাখাওয়াত
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, আমাদের যাদের জন্ম অনেক আগে, আমরা শীতলক্ষ্যা নদীতে সাঁতার কেটেছি, গোসল করেছি। তখন নারায়ণগঞ্জের মানুষ বলতো- শীতলক্ষ্যার পানি ডাবের পানির মতো। কিন্তু এখন সেই চিত্র আর নেই।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে শহরের পাঁচ নম্বর ঘাট এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে 'নারায়ণগঞ্জ ফটোগ্রাফি ক্লাবে'র ১৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে নদী ও নদীপারের জীবন নিয়ে আলোকচিত্র ও ভিডিওচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, “নারায়ণগঞ্জ ফটোগ্রাফি ক্লাব আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে দেশের নদী পরিবেশের বাস্তব চিত্র, বিশেষ করে শীতলক্ষ্যা নদীর অবস্থা। তাদের আলোকচিত্রে শুধু শীতলক্ষ্যা নয়, সারা দেশের নদীগুলোর চিত্র উঠে এসেছে। এগুলো অত্যন্ত দুর্লভ এবং এর ভেতরে অনেক কথা ও বার্তা লুকিয়ে রয়েছে।
তিনি বলেন, শীতলক্ষ্যাকে কীভাবে বাঁচাতে হবে, সেটাও আজকের এই প্রদর্শনী আমাদের সামনে তুলে ধরেছে। আমি মনে করি, এই প্রদর্শনী সারা দেশে আয়োজন করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, শীতলক্ষ্যার এই দুরবস্থা কাটিয়ে উঠতে হবে। নদী রক্ষায় সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদী দিয়ে বড় ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যা ধীরে ধীরে অন্য নদীগুলোতেও বিস্তৃত হবে।
প্রশাসক বলেন, নারায়ণগঞ্জের প্রশাসকের দায়িত্ব নেওয়ার পর আমি বলেছি- এই শহরকে বদলে দেব। সেই পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো শীতলক্ষ্যা নদী। শীতলক্ষ্যাকে বদলাতে না পারলে প্রকৃত অর্থে পরিবর্তন সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জের মানুষের চাওয়া- পুরনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে এনে শীতলক্ষ্যার পানি আবার ডাবের পানির মতো স্বচ্ছ করা। এটি অসম্ভব নয়।” নদী দূষণের কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “কারখানার বর্জ্য ও ডাইংয়ের দূষিত পানি নদীতে পড়ার কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এগুলো বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শুধু শীতলক্ষ্যা নয়, পুরো নারায়ণগঞ্জের পরিবেশ উন্নয়নে নাগরিক সচেতনতা সবচেয়ে জরুরি। এই সচেতনতা থাকলে আমরা অন্যায়, অবিচার এবং পরিবেশ দূষণ থেকে রক্ষা পেতে পারি।
ফুটপাত দখলমুক্ত করার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, নগরবাসীর হাঁটার অধিকার নিশ্চিত করতে ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে এবং এতে ৯৯ শতাংশ মানুষ সমর্থন দিয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, একইভাবে শীতলক্ষ্যা নদী রক্ষায়ও নারায়ণগঞ্জবাসী ঐক্যবদ্ধ থাকবে।
তিনি জানান, সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে নদী রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দেশের প্রখ্যাত আলোকচিত্রী ও ফটোজিয়ামের প্রতিষ্ঠাতা নাসির আলী মামুন এনপিসির তিনদিনের প্রদর্শনীর উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রদর্শনী কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী মো. মাইন উদ্দিন সভাপতিত্বে সংগঠনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সভাপতি জয় কে রায় চৌধুরীর সঞ্চালনায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনা করেন লেখক, গবেষক ও আলোকচিত্রী সাহাদাত পারভেজ এবং নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন পন্টি।
এর আগে বিকেল চারটায় অতিথিদের নিয়ে আয়োজকরা প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। এনপিসির সভাপতি আলোকচিত্রী ইউসুফ শাহরিয়ার মুন্তাকিম, সদস্য সচিব শিল্পী মুনতাসীর মঈন, প্রদর্শনী কমিটির সদস্য সচিব আলোকচিত্রী শাহেলা আক্তার উমামা, সাবেক সভাপতি সৌমিক দাসসহ সংগঠনের সদস্য ও আয়োজনে আসা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, আমাদের যাদের জন্ম অনেক আগে, আমরা শীতলক্ষ্যা নদীতে সাঁতার কেটেছি, গোসল করেছি। তখন নারায়ণগঞ্জের মানুষ বলতো- শীতলক্ষ্যার পানি ডাবের পানির মতো। কিন্তু এখন সেই চিত্র আর নেই।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে শহরের পাঁচ নম্বর ঘাট এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে 'নারায়ণগঞ্জ ফটোগ্রাফি ক্লাবে'র ১৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে নদী ও নদীপারের জীবন নিয়ে আলোকচিত্র ও ভিডিওচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, “নারায়ণগঞ্জ ফটোগ্রাফি ক্লাব আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে দেশের নদী পরিবেশের বাস্তব চিত্র, বিশেষ করে শীতলক্ষ্যা নদীর অবস্থা। তাদের আলোকচিত্রে শুধু শীতলক্ষ্যা নয়, সারা দেশের নদীগুলোর চিত্র উঠে এসেছে। এগুলো অত্যন্ত দুর্লভ এবং এর ভেতরে অনেক কথা ও বার্তা লুকিয়ে রয়েছে।
তিনি বলেন, শীতলক্ষ্যাকে কীভাবে বাঁচাতে হবে, সেটাও আজকের এই প্রদর্শনী আমাদের সামনে তুলে ধরেছে। আমি মনে করি, এই প্রদর্শনী সারা দেশে আয়োজন করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, শীতলক্ষ্যার এই দুরবস্থা কাটিয়ে উঠতে হবে। নদী রক্ষায় সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদী দিয়ে বড় ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যা ধীরে ধীরে অন্য নদীগুলোতেও বিস্তৃত হবে।
প্রশাসক বলেন, নারায়ণগঞ্জের প্রশাসকের দায়িত্ব নেওয়ার পর আমি বলেছি- এই শহরকে বদলে দেব। সেই পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো শীতলক্ষ্যা নদী। শীতলক্ষ্যাকে বদলাতে না পারলে প্রকৃত অর্থে পরিবর্তন সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জের মানুষের চাওয়া- পুরনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে এনে শীতলক্ষ্যার পানি আবার ডাবের পানির মতো স্বচ্ছ করা। এটি অসম্ভব নয়।” নদী দূষণের কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “কারখানার বর্জ্য ও ডাইংয়ের দূষিত পানি নদীতে পড়ার কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এগুলো বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শুধু শীতলক্ষ্যা নয়, পুরো নারায়ণগঞ্জের পরিবেশ উন্নয়নে নাগরিক সচেতনতা সবচেয়ে জরুরি। এই সচেতনতা থাকলে আমরা অন্যায়, অবিচার এবং পরিবেশ দূষণ থেকে রক্ষা পেতে পারি।
ফুটপাত দখলমুক্ত করার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, নগরবাসীর হাঁটার অধিকার নিশ্চিত করতে ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে এবং এতে ৯৯ শতাংশ মানুষ সমর্থন দিয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, একইভাবে শীতলক্ষ্যা নদী রক্ষায়ও নারায়ণগঞ্জবাসী ঐক্যবদ্ধ থাকবে।
তিনি জানান, সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে নদী রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দেশের প্রখ্যাত আলোকচিত্রী ও ফটোজিয়ামের প্রতিষ্ঠাতা নাসির আলী মামুন এনপিসির তিনদিনের প্রদর্শনীর উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রদর্শনী কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী মো. মাইন উদ্দিন সভাপতিত্বে সংগঠনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সভাপতি জয় কে রায় চৌধুরীর সঞ্চালনায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনা করেন লেখক, গবেষক ও আলোকচিত্রী সাহাদাত পারভেজ এবং নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন পন্টি।
এর আগে বিকেল চারটায় অতিথিদের নিয়ে আয়োজকরা প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। এনপিসির সভাপতি আলোকচিত্রী ইউসুফ শাহরিয়ার মুন্তাকিম, সদস্য সচিব শিল্পী মুনতাসীর মঈন, প্রদর্শনী কমিটির সদস্য সচিব আলোকচিত্রী শাহেলা আক্তার উমামা, সাবেক সভাপতি সৌমিক দাসসহ সংগঠনের সদস্য ও আয়োজনে আসা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
লোড হচ্ছে...