সারা দেশ
খাসি না রাখায় ভেঙে যায় বিয়ে
রাতেই নতুন কনেকে বিয়ে করলেন সেই বর
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
বিয়ের আয়োজনের খাবারে আস্ত খাসি না রাখাকে কেন্দ্র করে কনেপক্ষের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে বিয়ে ভেঙে গিয়েছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার বর জুনায়েদ মিয়ার। সেই ঘটনার একদিন পরই নতুন কনে জান্নাতুল ফেরদৌস আক্তারকে বিয়ে করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার নেয়ামতপুর গ্রামে কনের মামার বাড়িতে তাঁদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। পরে নববধূর সঙ্গে ছবি তুলে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন জুনায়েদ।
জানা গেছে, কসবার নিয়ামতপুর গ্রামের আবদুল জলিলের জাপানপ্রবাসী ছেলে জুনায়েদ মিয়ার সঙ্গে আখাউড়ার তোলাতলা গ্রামের সফিকুল ইসলাম ভূঁইয়ার মেয়ে রাশেদা আক্তারের বিয়ের দিন নির্ধারিত ছিল সোমবার। ওই দিন বরযাত্রী কনের বাড়িতে যাওয়ার পর খাবারের আয়োজন নিয়ে কথা-কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন জুনায়েদ। বরের জন্য আস্ত খাসি রাখা হয়নি—এমন বিষয়কে কেন্দ্র করে বিরোধের একপর্যায়ে বিয়ে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কনের পরিবার।
পরে বরপক্ষকে উপহারসামগ্রীসহ বিদায় করে দেন কনের স্বজনেরা।
এরপর মঙ্গলবার উভয় পরিবারের আলোচনার মাধ্যমে নতুন করে বিয়ের আয়োজন করা হয়। নতুন কনে জান্নাতুল ফেরদৌস আক্তার আখাউড়া উপজেলার নূরপুর গ্রামের জাহের মিয়ার মেয়ে। তিনি কসবার সায়েদাবাদ সরকারি কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁর মামা তাজুল ইসলাম সরকারের বাড়ি বর জুনায়েদের গ্রামেরই নেয়ামতপুরে।
বরের ছোট ভাই পারভেজ রানা জানান, নতুন বিয়ের বিষয়ে কনেপক্ষই তাঁদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। পরে দুই পরিবারের সম্মতিতে মঙ্গলবার রাতে কনের মামার বাড়িতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ টাকা। জুনায়েদের ৩০ আগস্ট পর্যন্ত ছুটি থাকলেও প্রয়োজনে তিনি ছুটি বাড়াবেন।
এদিকে নতুন কনেপক্ষের দেওয়া খাবারে আস্ত খাসি রাখার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, বরসহ উপস্থিত সবাই আনন্দের সঙ্গে খাসিসহ অন্যান্য খাবার খাচ্ছেন।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে নববধূর সঙ্গে ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন জুনায়েদ। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, সব জল্পনাকল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিবাহ সম্পন্ন হলো।’ পাশাপাশি নবদম্পতির জন্য সবার কাছে দোয়া ও সুখী দাম্পত্য জীবনের কামনা করেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার নেয়ামতপুর গ্রামে কনের মামার বাড়িতে তাঁদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। পরে নববধূর সঙ্গে ছবি তুলে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন জুনায়েদ।
জানা গেছে, কসবার নিয়ামতপুর গ্রামের আবদুল জলিলের জাপানপ্রবাসী ছেলে জুনায়েদ মিয়ার সঙ্গে আখাউড়ার তোলাতলা গ্রামের সফিকুল ইসলাম ভূঁইয়ার মেয়ে রাশেদা আক্তারের বিয়ের দিন নির্ধারিত ছিল সোমবার। ওই দিন বরযাত্রী কনের বাড়িতে যাওয়ার পর খাবারের আয়োজন নিয়ে কথা-কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন জুনায়েদ। বরের জন্য আস্ত খাসি রাখা হয়নি—এমন বিষয়কে কেন্দ্র করে বিরোধের একপর্যায়ে বিয়ে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কনের পরিবার।
পরে বরপক্ষকে উপহারসামগ্রীসহ বিদায় করে দেন কনের স্বজনেরা।
এরপর মঙ্গলবার উভয় পরিবারের আলোচনার মাধ্যমে নতুন করে বিয়ের আয়োজন করা হয়। নতুন কনে জান্নাতুল ফেরদৌস আক্তার আখাউড়া উপজেলার নূরপুর গ্রামের জাহের মিয়ার মেয়ে। তিনি কসবার সায়েদাবাদ সরকারি কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁর মামা তাজুল ইসলাম সরকারের বাড়ি বর জুনায়েদের গ্রামেরই নেয়ামতপুরে।
বরের ছোট ভাই পারভেজ রানা জানান, নতুন বিয়ের বিষয়ে কনেপক্ষই তাঁদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। পরে দুই পরিবারের সম্মতিতে মঙ্গলবার রাতে কনের মামার বাড়িতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ টাকা। জুনায়েদের ৩০ আগস্ট পর্যন্ত ছুটি থাকলেও প্রয়োজনে তিনি ছুটি বাড়াবেন।
এদিকে নতুন কনেপক্ষের দেওয়া খাবারে আস্ত খাসি রাখার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, বরসহ উপস্থিত সবাই আনন্দের সঙ্গে খাসিসহ অন্যান্য খাবার খাচ্ছেন।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে নববধূর সঙ্গে ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন জুনায়েদ। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, সব জল্পনাকল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিবাহ সম্পন্ন হলো।’ পাশাপাশি নবদম্পতির জন্য সবার কাছে দোয়া ও সুখী দাম্পত্য জীবনের কামনা করেন তিনি।
লোড হচ্ছে...