নারায়ণগঞ্জরূপগঞ্জ
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাবা ও মিস্ত্রির পর ছেলেরও মৃত্যু
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বাবা ও মিস্ত্রির পর এবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছেলে লিয়ন মোল্লাও (৩৫) মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে তাঁর মৃত্যু হয়। এ নিয়ে একই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল তিনজনে।
ঘটনাটি ঘটে গত শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে রূপগঞ্জের গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের নতুন বাজার এলাকায়। স্থানীয়রা জানান, নিজ বাড়ির ছাদে এসএস পাইপ বসানোর সময় পাশ দিয়ে যাওয়া উচ্চ ভোল্টেজের বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে পাইপটি লেগে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান গৃহকর্তা আরফান মোল্লা (৫৫)। বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর ছেলে লিয়ন মোল্লা এবং মিস্ত্রি সাদিকুর রহমান গুরুতর দগ্ধ হন। বার্ন ইউনিটে ভর্তির পর ওইদিন রাতেই মিস্ত্রি সাদিকুরের মৃত্যু হয় এবং রোববার দুপুরে লিয়ন মোল্লাও না ফেরার দেশে চলে যান।
রূপগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ সবজেল হোসেন জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তিনজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। নিহতদের সবার বাড়ি গোলাকান্দাইল এলাকায় হওয়ায় পুরো এলাকায় এখন মাতম চলছে। বিকেলে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা ও ছেলেকে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এজিএম রাজা ঘোষ এই মর্মান্তিক ঘটনার বিষয়ে অসচেতনতাকে দায়ী করেছেন। তিনি জানান, একজন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে নিয়ম না মেনে অন্যরা তাঁকে উদ্ধার করতে গিয়ে বিপদে পড়েন। অপরিকল্পিত ও অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের ঝুঁকি নিয়ে সবাইকে আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বাবা ও মিস্ত্রির পর এবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছেলে লিয়ন মোল্লাও (৩৫) মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে তাঁর মৃত্যু হয়। এ নিয়ে একই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল তিনজনে।
ঘটনাটি ঘটে গত শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে রূপগঞ্জের গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের নতুন বাজার এলাকায়। স্থানীয়রা জানান, নিজ বাড়ির ছাদে এসএস পাইপ বসানোর সময় পাশ দিয়ে যাওয়া উচ্চ ভোল্টেজের বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে পাইপটি লেগে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান গৃহকর্তা আরফান মোল্লা (৫৫)। বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর ছেলে লিয়ন মোল্লা এবং মিস্ত্রি সাদিকুর রহমান গুরুতর দগ্ধ হন। বার্ন ইউনিটে ভর্তির পর ওইদিন রাতেই মিস্ত্রি সাদিকুরের মৃত্যু হয় এবং রোববার দুপুরে লিয়ন মোল্লাও না ফেরার দেশে চলে যান।
রূপগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ সবজেল হোসেন জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তিনজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। নিহতদের সবার বাড়ি গোলাকান্দাইল এলাকায় হওয়ায় পুরো এলাকায় এখন মাতম চলছে। বিকেলে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা ও ছেলেকে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এজিএম রাজা ঘোষ এই মর্মান্তিক ঘটনার বিষয়ে অসচেতনতাকে দায়ী করেছেন। তিনি জানান, একজন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে নিয়ম না মেনে অন্যরা তাঁকে উদ্ধার করতে গিয়ে বিপদে পড়েন। অপরিকল্পিত ও অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের ঝুঁকি নিয়ে সবাইকে আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
লোড হচ্ছে...