জাতীয়
কম্বল দেওয়ার কথা বলে বিধবাকে ধর্ষণের অভিযোগ জামায়াত সমর্থকের বিরুদ্ধে
NewsView

নিউজভিউ
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে শীতের কম্বল দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ি ডেকে নিয়ে এক বিধবা নারীকে (৪৭) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত মো. কাউছার (৪০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী। অভিযুক্ত কাউছার এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর একজন সক্রিয় সমর্থক হিসেবে পরিচিত।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে এই অভিযোগ জমা দেন। অভিযুক্ত কাউছার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মোশারফ হোসেন ওরফে আবুল হাশেমের ছেলে।
লিখিত অভিযোগ ও ভুক্তভোগীর ভাষ্যমতে, প্রায় দুই মাস আগে কাউছার একটি সংস্থার মাধ্যমে ওই বিধবা নারীকে শৌচাগার স্থাপনের জন্য ১০টি রিংয়ের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৭ ডিসেম্বর তিনি ওই নারীকে ফোন করে শীতের কম্বল নেওয়ার জন্য ডাকেন। পরদিন (২৮ ডিসেম্বর) সকালে ওই নারী কম্বল আনতে কাউছারের বাড়িতে গেলে সুযোগ বুঝে তাকে ধর্ষণ করা হয়।
ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করে বলেন, "ঘটনাটি কাউকে জানালে আমাকে এবং আমার ২০ বছর বয়সী মেয়েকে খুন করার হুমকি দেন কাউছার। প্রাণভয়ে আমি এতদিন মুখ খুলিনি। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।"
অভিযুক্ত মো. কাউছার ধর্ষণের বিষয়টি অস্বীকার করে গণমাধ্যমকে জানান, তিনি আসন্ন নির্বাচনে নোয়াখালী-৫ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন। রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয় করতেই একটি কুচক্রী মহল ওই নারীকে দিয়ে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করিয়েছে।
চরকাঁকড়া ১ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি মো. শরফুদ্দিন সৌরভ বলেন, "কাউছার আমাদের দলের সমর্থক। আমরা দলীয়ভাবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখব। সে যদি প্রকৃত অর্থে দোষী হয় তবে তার বিচার হবে। তবে এটি যদি কোনো রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হয়, তবে জড়িতদের ছাড় দেওয়া হবে না।"
কোম্পানীগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) মো. নুরুল হাকিম অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার প্রায় তিন সপ্তাহ পর বাদী লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে। তদন্ত শেষে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে শীতের কম্বল দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ি ডেকে নিয়ে এক বিধবা নারীকে (৪৭) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত মো. কাউছার (৪০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী। অভিযুক্ত কাউছার এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর একজন সক্রিয় সমর্থক হিসেবে পরিচিত।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে এই অভিযোগ জমা দেন। অভিযুক্ত কাউছার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মোশারফ হোসেন ওরফে আবুল হাশেমের ছেলে।
লিখিত অভিযোগ ও ভুক্তভোগীর ভাষ্যমতে, প্রায় দুই মাস আগে কাউছার একটি সংস্থার মাধ্যমে ওই বিধবা নারীকে শৌচাগার স্থাপনের জন্য ১০টি রিংয়ের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৭ ডিসেম্বর তিনি ওই নারীকে ফোন করে শীতের কম্বল নেওয়ার জন্য ডাকেন। পরদিন (২৮ ডিসেম্বর) সকালে ওই নারী কম্বল আনতে কাউছারের বাড়িতে গেলে সুযোগ বুঝে তাকে ধর্ষণ করা হয়।
ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করে বলেন, "ঘটনাটি কাউকে জানালে আমাকে এবং আমার ২০ বছর বয়সী মেয়েকে খুন করার হুমকি দেন কাউছার। প্রাণভয়ে আমি এতদিন মুখ খুলিনি। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।"
অভিযুক্ত মো. কাউছার ধর্ষণের বিষয়টি অস্বীকার করে গণমাধ্যমকে জানান, তিনি আসন্ন নির্বাচনে নোয়াখালী-৫ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন। রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয় করতেই একটি কুচক্রী মহল ওই নারীকে দিয়ে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করিয়েছে।
চরকাঁকড়া ১ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি মো. শরফুদ্দিন সৌরভ বলেন, "কাউছার আমাদের দলের সমর্থক। আমরা দলীয়ভাবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখব। সে যদি প্রকৃত অর্থে দোষী হয় তবে তার বিচার হবে। তবে এটি যদি কোনো রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হয়, তবে জড়িতদের ছাড় দেওয়া হবে না।"
কোম্পানীগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) মো. নুরুল হাকিম অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার প্রায় তিন সপ্তাহ পর বাদী লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে। তদন্ত শেষে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
লোড হচ্ছে...